প্রাতিষ্ঠানিক ভ্যালূ না জানা, নাগরিক এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এর পক্ষ থেকে প্রাতিষ্ঠানিক ভ্যালূ রক্ষার রেসিস্টেন্স না করা দেশের জন্য বাংলাদেশ মডেলের সংসদীয় গনতন্ত্র চরম ভজঘট পাকানো কুখাদ্য।এর কার্যকরীতা শুধুমাত্র ভন্ড প্রশাসন ও দুরবিত্ত রাজনীতিবাজদের অবাধ লূটপাট সহজীকরনে এবং গনতান্ত্রিক কাঠামোর আইনি জটিলতায় রাষ্ট্রকে উদোম করে ফেলার মধ্যে।
এখানে চোর বাটপার আইন প্রনেতা বা সংসদ সদস্য হয়ে (এ এক বিচিত্র সার্কাস!) হয়ে তাদের নিজেদের স্বার্থের অনুকুলে আইন বানায় আর দুর্নীতিবাজ বিচারব্যবস্থা "শুঁটকির হাঁটে বিড়াল চৌকিদার" হয়ে যাবতীয় ঘুষ, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, আর্থিক-মানবিক অপরাধ এবং সর্বোপরি লূটপাটের যাবতীয় সুরক্ষা দেয়।
জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, নির্বাচনী বিধি, নির্বাচন কমিশন, তাদের নিয়োগ, সততা, সক্ষমতা, নির্বাচন পরিচালনার বাস্তব প্রকৃতি, নির্বাচন করার বাস্তবিক আর্থিক সামর্থ্য সব মিলে, এ এমন এক সিস্টেম যেখানে চোর ডাকাত আর লূটপাটকারি ভিন্ন অন্য কারো সংসদ সদস্য হবার উপায় নাই।
নির্বাচিত চোরেরা একজন চোর সর্দার বানায়, আক্ষরিক অর্থে সেই সর্দার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আবির্ভূত হলেও বাস্তবে সে আসলে রাষ্ট্রের আর নাগরিকের সম্পদ লুণ্ঠনকারী একদল মহাচোর এবং মহাডাকাত দলের মহাসর্দার। এই সর্দার রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার এক সর্বাধিনায়ক হিসেবে আবির্ভূত, প্রবল পরাক্রমে! এই পদ রাষ্ট্রপতি সহ, রাষ্ট্রের সকল স্বাধীন স্বায়ত্তশাসিত অঙ্গপ্রতিষ্ঠান, প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী এবং বিচার বিভাগের সকল পদ পদবীকে দেয়া সাংবিধানিক ক্ষমতা কে সুপারসিড করে। যখন চোরেই নির্ধারণ হয় চোর সর্দারের ক্ষমতা, সে তো এমনই হওয়া স্বাভাবিক!
সংক্ষেপে এটা হোল, "বেপরোয়া চুরি - চুরির টাকার সামান্য অংশের নির্বাচনী ইনভেস্ট - সেই টাকার বহু বহু গুন লূটপাট এবং কিয়দংশের পুনঃ ইনভেস্ট" এই নিরন্তর চক্র। এটা প্রানীর জীবন চক্র নয় তাই এর "এন্ড অফ লাইফ সাইকেল" বলে কিছু নেই। এটা রাষ্ট্রেকে "উদোম করার সরল চক্রবৃদ্ধি" ব্যবস্থা। এরি নাম সংসদীয় গনতন্ত্র।
রোজ কেয়ামত পর্যন্ত এই সিস্টেমে একজন ভালো মানুষের সংসদ নেতা হয়ে আবির্ভূত হবার কোন সম্ভাভনা নেই!
যুগ যুগান্তরের, কাল কালান্তরের আবাধ অসীম লূটপাটের এ এক অব্যর্থ মহৌষধ!
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুন, ২০১৪ ভোর ৫:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



