সবুজের সমারোহ আর নদীর কলকল ধ্বনি
আমি হারিয়ে যাই সবুজ দিগন্তের মাঝে
হারিয়ে যাই অথৈ পানির মাঝে....
এইতো সেইদিন(1/09/06) পাড়ি দিয়েছিলাম নৌকায় করে, সারাদিনের জন্য হারিয়ে গেলাম আর ভেসে বেড়ালাম পানির মাঝে.....যাত্রা কোথা থেকে শুরু জানা ছিলো কিন্তু গন্তব্য কোথায় তা জানা ছিলোনা, তবে ইচ্ছে ছিলো জয়দেবপুরের দিকে কোথাও গিয়ে থামবো.....
যাত্রা শুরু হলো 9টায়, স্থান রামপুরা বনশ্রী । ভাড়া করা ট্রলারে উঠে পানির বিশ্রী গন্ধ পেটে যাবার সাথে সাথে ভাবলাম ভ্রমনটা বুঝি মাটি হলো ....কিন্তু মাঝি আস্যস্থ করলো যে রওনা হওয়ার আধাঘন্টা পরে পানি পরিস্কার পাবেন...
শুরু হলো ভ্রমন, ট্রলার ভটভট শব্দ করে এদিয়ে চললো বালি নদীর বুক চিরে .... আর শব্দ থেকে রা পেতে সবাই উঠে পড়লাম ছাদে,কটকটা রোদের মাঝে.....
রওনা দেওয়ার কিছুন পরেই দেখতে লাগলাম পানি ধীরে ধীরে পরিস্কার হচ্ছে আর সেই সাথে সবুজের ব্যাপ্তিও বৃদ্ধি পাচ্ছে।এক একটা এলাকা পাড়ি দিয়ে এগিয়ে চললাম..পথিমধ্যে দুটি বটগাছ ঠায় দাড়িয়ে আছে পানির মাঝখানে আমি নিকের জন্য তাকিয়ে রইলাম সেইদিকে....
ইছাপুরে ক্ষনিকের জন্য বিরতি দিয়ে আবার এদিয়ে চললাম ......
নদীর দু'ধারে সারি সারি তালগাছ, কখনোবা বিশাল নারকেল গাছের সারি....ঠায় দাড়িয়ে আছে যেন বলছে, এগিয়ে চলো সামনের দিকে...আরো আছে...
ঠিক যেন সে কথারই পুনরাবুত্তি করলো প্রকৃতি যতই সামনের দিকে এগিয়ে চললাম সবুজের সমারোহ ততই বৃদ্ধি পেতে থাকলো ...যেদিকে তাকাই শুধু সবুজ আর সবুজ, উপরে সীমাহীন নীল আকাশ আর নিচে তার প্রতিফলিত রুপ.....এক কথায় চমৎকার...
এরই মাঝে চলে এলাম বিশাল জলরাশির মাঝে....চারদিকে শাপলা ফুলের ছড়াছড়ি.....তা্ই ট্রলারের ছাদে না থেকে পাটাতনে চলে এলাম ....বাড়িয়ে দিলাম হাতটা পানির ধারে.টপাটপ তুলে নিলাম কয়েকটা শাপলা......
ততনে দুপুর 1টা বেজে গেছে তাই যাত্রা বিরতি দিয়ে নেমে পড়লাম একটা ব্রীজের গোড়াতে ....
(চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




