আমি ভাবছি...আমি কি নিয়ে ব্যাস্ত আর আমার গন্তব্য বা কোথায়?জানালার পাশে বসে ব্যস্ততম রাস্তার পানে তাকিয়ে থাকতে থাকতে নিজ মনে ভাবনাগুলো চলে এলো।
(ভাবতে ভাবতে যখন আকাশ পানে তাকালাম তখন দেখি)
ভাবনার আঁকাআকিঁর অন্তরালে কোন ফাকে যে চাঁদের রুপালী আলো আমার সমস্ত শরীরে ছেয়ে গেছে, এমনকি আমার বিছানার অর্ধেকটা জুড়ে সে আলো খেলা করছে।আমি তাকিয়ে রইলাম চাঁদের পানে.. ..সত্যি সুন্দর ,আমি মুগ্ধ নয়নে সে সুন্দর উপভোগ করার চেষ্টা করলাম।ক্ষনিক আগের মেঘঢাকা আকাশে এখন পূর্ণিমার চাঁদ,সাথে 3/4টা তারা পুব আকশে ঝলমল করছে।
আমার ভালোলাগলো ...... চাঁদকে .......তারাকে.. ...মোটকথা পুরো আকাশকে....
আর মনে মনে ভাবছি এই ভালোলাগা মহুর্তকে প্রিয় কারো সাথে শেয়ার করতে পারলে আরো ভালোলাগতো।ঠিক তখনি ক্রিং ক্রিং শব্দে ফোনটা বেজে উঠলো।সালাম দিয়ে ফোনটা রিসিভ করলাম---
ও(ওপাশ থেকে):কিরে কেমন আছিস?
আ:ভালো আছি। এত রাতে(11.30) তুই!? অবশ্য ভালোই হয়েছে । আমিও ভাবছিলাম কাকে ফোণ করব।
ও:আর বলিস না, ভালো লাগছিলোনা।
আ:কেন? ঠিক আছে তোর মন ভালো করে দিচ্ছি।শোন তুই জানালার পাশে চলে যা, যেখান থেকে আকাশটা দেখা যায়।
ও:কেন রে?
আ:আগে যা,তারপর বলছি।
ও:তুই কি আমাকে চাঁদ দেখাতে চাচ্ছিস?
আ:কি করে বুঝলি তুই?
ও:চাঁদটা একেবারে ফকফকা কিনা তাই। কিরে,তুই মনে হয় ভাবে আছিস।কাহানিটা কি?
আ: আরে না তুই যা ভাবছিস তা কিছু্ই না ।তবে আজকে ঔ চাঁদ , তারা, আকাশ এ সবের প্রেমে পড়ে গেছি।সবসময় তো আর দেখার সুযোগ হয়না।
আধাঘন্টা আলাপ পর্ব শেষে ফোনটা রেখে শুয়ে শুয়ে দক্ষিণের জানালা দিয়ে চাঁদটা অবলোকন করতে করতে ,ভালোলাগা মুহুর্ত গুলো মনে বয়ে নিয়ে ঘুমের সাগরে তলিয়ে গেলাম।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



