somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

Feroz-Al-Mamum
আমি মো: ফিরোজ-আল-মামুন। আমি ঢাকাতে টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতকে পড়াশুনা করছি। আমি আমার ব্লগ এ বস্ত্র শিল্প ও টেক্সটাইল এর প্রসেস সম্পর্কে লিখবো।nআবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কেও লেখার চেষ্টা করবো

কোন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ছো এটা ফ্যাক্ট না

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৬ বিকাল ৩:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আশিক ভাই বাংলাদেশের Primeasia University থেকে Pharmacy-তে Bachelor শেষ করে Pharmaceutical Technology-তে Masters করেছেন University of Asia Pacific থেকে। এরপর University of Dhaka থেকে Health Economics-এ Post Graduate Diploma এবং আর একটি Masters করে ইউরোপ-এ আসার সিদ্ধান্ত নেন।
আশিক ভাই প্রথমে জার্মানি এবং নেদারল্যান্ডস-এ scholarship-এর জন্য চেষ্টা করেণ কিন্তু সফল হননি। একি সময়ে ইন্টারনেটে উনার faculty related বিষয়ে অন্য কোন দেশ scholarship দিচ্ছে কিনা দেখেতে থাকেন। চোখে পড়ে Poland-এর Adam Mickiewicz University-তে MSc in Biotechnology-জন্য European Social Fund-এর scholarship। মাসিক কোন ভাতা নেই, শুধুমাত্র Tuition Fees (বছরে ৩,৮০০ ইউরো) ফ্রি। উনি অ্যাপ্লাই করেন। দুই মাস পরে ইউনিভার্সিটি থেকে আশিক ভাইকে Skype Internview-এর জন্য ইউনিভার্সিটি যোগাযোগ করে। Programme Coordinator-এর সাথে আরও ৩ জন প্রফেসর Internview নেয়।
২০১২ সালে, ওই Programme-এর জন্য Adam Mickiewicz University মাত্র ২০ জনকে scholarship দিয়েছিল – ১৫ জন পোলিশ এবং ৫ জন ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট। আশিক ভাই ছিলেন ওদের মধ্যে একজন।
পোল্যান্ড-এ আসার সময় আশিক ভাই সাথে করে একবছরের থাকা-খাওয়ার খরচ নিয়ে এসেছিলেন। Poznan-এ ফার্স্ট ইয়ার শেষ করে (Adam Mickiewicz University এই শহরে) উনি জার্মানির University of Osnabrueck-এ Erasmus Exchange Programme-এর scholarship (প্রতি মাসে ৩৮০ ইউরো করে) নিয়ে এক সেমিস্টার জন্য পড়তে যান। ওখানে রেগুলার পড়াশুনার পাশাপাশি উনি একজন প্রফেসর-এর আন্ডার-এ Neurobiology-র উপরে একটি Research প্রোজেক্ট-এ কাজ করেন। এছাড়া ফ্রী সময়ে একটি part-time জব করতেন। Erasmus-এর scholarship আর part-time কাজ করে যে টাকা পেতেন তা থেকে সব খরচ মিটিয়ে প্রতি মাসে উনার প্রায় ৩০০ ইউরো-র মতো সেভ হত।
Erasmus শেষ করে আশিক ভাই ফাইনাল সেমেস্টার-এর জন্য আবার Poznan-এ ফিরে আসেন। এরপর উনি ইউনিভার্সিটির Rector –এর কাছে হোস্টেল ফী মওকুফ-এর জন্য আবেদন করেন এবং তা মঞ্জুর হয়ে যায়। শেষের দিকে, Poznan-এ উনি দুইমাস part-time কাজও করেছিলেন।
পোল্যান্ড-এ পড়াশুনা যখন শেষের দিকে তখন উনি বিভিন্ন দেশে PhD-এর জন্য আবেদন করা শুরু করেন এবং তিনটি ইউনিভার্সিটি থেকে অফার পান – নরওয়ে-র University of Tromso, জার্মানির University of Frankfurt এবং Sweden-এর Linnaeus University। উনি Linnaeus-কে বেছে নেন Biomedical Science-এর উপর গবেষণা করার জন্য। Linnaeus প্রথমে ওনাকে ৪ বছরের contract দিয়েছিল। মাসিক ভাতা ২,৬০০ ইউরো। পরবর্তীতে ওনার Supervisor একি প্রোজেক্ট-এ কাজ করার জন্য আরও একবছরের চুক্তি বাড়িয়েছে (২০১৪-২০১৯)।
বর্তমানে আশিক ভাই Sweden-এর Kalmar শহরে থাকেন। এখন পর্যন্ত উনি USA, Romania, Austria, Germany এবং Canada-য় Conference-এ participate করার পাশাপাশি Canada-র McGill University-তে Research Visitor হিসেবে ঘুরে এসেছেন এবং সামনে আবার আমেরিকাতে যাচ্ছেন Stanford University-তে গবেষণার জন্য। এছাড়াও উনি Travel grant for young investigators এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন-এর ABACUS project-এ Research fellowship-এর জন্য scholarship পেয়েছেন।
বিঃ দ্রঃ লেখাটি আশিক ভাই-এর অনুমতি এবং সাক্ষাত্কার নিয়ে লেখা। কেউ যদি ওনার সাথে কোন কারনে যোগাযোগ করতে চান তবে [email protected]এ লিখতে পারেন।
Ashik bhai's LinkedIn Profile:
https://www.linkedin.com/in/m-a-rahman
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৬ বিকাল ৩:০৭
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৪৪



ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

ধানমন্ডি ৩২ ভাঙা হয়েছিল- কে দেখেনি, কে জানে না, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।,... ...বাকিটুকু পড়ুন

গরীবের বউ সবার ভাবি

লিখেছেন অপলক , ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:০২



৩৬ জুলাই আন্দোলনের পর অনেক আশায় ছিলাম। আশার গুড়ে বালি। তত্বাবধায়ক সরকারের সময় বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক গভর্ণর ড. আহসান এইচ মনসুর বুদ্ধিদীপ্ত প্ররিশ্রম করে ২০২৬ জানুয়ারীতে রিজার্ভে রেখে গেছেন ৩৫... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন থেকে যারা আওয়ামী লীগকে ভালোবাসেন এখন তাদেরকে আওয়ামী লীগের প্রয়োজন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০



ক্ষমতায় গেলে কোন দল যাদেরকে মনে রাখে না ক্ষমতায় গেলে তাদেরকেই তারা সবচেয়ে বেশী মিস করে। সেই নিখাঁদ দল প্রেমিকদেরকে এখন আওয়ামী লীগ খুঁজছে। তারা লগি বৈঠা নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

একুশটি বার মৃত্যুর মুখোমুখি: এক অবিনশ্বর সংগ্রামের নাম শেখ হাসিনা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩২


একুশটি বার মৃত্যুর মুখোমুখি: এক অবিনশ্বর সংগ্রামের নাম শেখ হাসিনা
শুধু ২১ আগস্টের সেই ভয়াল গ্রেনেড হামলাই নয- বঙ্গবন্ধুকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা হয়েছে ১৯৮৮ সাল থেকে আজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫ই আগস্ট ছিলো আরো একটি ১৫/২১শে আগষ্টের অপচেষ্টা।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫২



২১শে আগস্ট পালন করা অর্থে , আমার কাছে মনে হচ্ছে আবারো জঘন্য কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে। কারন আমরা ঐ নারকীয় হত্যাকাণ্ডের কোনো বিচার সম্পন্ন করতে পারিনি। আমরা যারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×