
গেল বুধবার সমস্ত বাংলাদেশীদের জন্যে এক লজ্জার দিন। কারণ বখতিয়ার আলম রনি'কে ইস্কাটন জোড়া খুনের মামলায় নিম্ন আদালত যাবজ্জীবন দিয়েছে। বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা যে কতটা নিচু পর্যায়ে নেমে গিয়েছে, তা আরেকবার প্রমাণিত হলো।
জ্বলজ্যান্ত সুন্দর মনের তরুণ একটা মানুষের জীবনটা নষ্ট করে দিল বাংলাদেশের আদালত? কিসের ভিত্তিতে? শক্ত কোন স্বাক্ষ্য-প্রমাণতো বাদীপক্ষ আদালতে পেশ করতে পারেনাই। খালি ইমোশন দিয়ে কী বিচার হয়?
আদালত কী জানে যে, এই একটা ঘটনাকে এত ঘাঁটিয়ে পিনু আপা'র সংসারে কতটা অশান্তি নেমে এসেছে? কতটা মানবেতর জীবন-যাপন তারা করছেন? বাংলাদেশের মানুষ কী জানে যে, বখতিয়ার আলম রনি কতটা পরপোকারী, নি:স্বার্থ এবং ভালো মানুষ?
অবশ্য আদালত, উকিল এদেরকে আর কী বলবো? বরং সাংঘাতিক সাংবাদিকগুলো ইয়েলো জার্নালিজমকে এমন নোংরা পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে যে, সামান্য একটা ঘটনাকে তারা বিশাল কিছু বানিয়ে ফেলেছে!
কত মানুষইতো মরছে বাংলাদেশে! কই, এত হইচইতো কোথাও দেখিনা? পিনু আপা ন্যাশনাল ফিগার, সম্মানিত ব্যক্তি আর তার ছেলে বলেই কী রনিকে টার্গেট করেছে সাংবাদিক নামের কলঙ্করা?
এই বিচার আমরা মানিনা। উচ্চ আদালতে দেখা হবে! তখন সবাই বুঝবে, বখতিয়ার আলম রনি নির্দোষ। মানুষ মাত্রই ভুল হয়। তারও হয়েছে যেটা সামান্য একটা অ্যাক্সিডেন্ট ছিল। তাকে অবিলম্বে মুক্তিদানের আদেশ দেওয়া হোক।
সূত্র: Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

