এক বিজয়দীপ্ত জাতীর জীবনে এক কলংকময় অধ্যায় এর নাম হচ্ছে গুলশান ট্রাজেডী। আমরা রক্ত দিতে জানি। কিন্তু এভাবেত মরতে চাই না। চোখের পলকে ঝরে গেল তরতাজা বিশটি প্রান। এ মৃত্যু একটি স্বাধীন জাতি হিসাবে কিভাবে আমরা মেনে নেব। কারা এই জঙ্গি? কী তাদের স্বার্থ। ইসলামত কখনো সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে না। স্বাধীনতার জন্যে বিশ্বের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারকারী জাতী হলাম আমরা। এক সাগর রক্ত পাড়ি দিয়ে আমাদের অর্জিত এ স্বাধীনতা। আমরাত একে জালিমের হাতে কলংকিত হতে দিতে পারিনা।
একটি স্বচ্চল পরিবারের সন্তান কেন বিপথগামী হচ্ছে, কখন বিপথগামী হচ্ছে? কারা নেপত্যে বসে রিমোট টিপছেন? জাতীয় বিবেকের কাছে আজ এ প্রশ্নগুলো দেশবাসীর। একটি সন্তানের সবচে বড় গাইডলাইন হচ্ছেন তার পিতা মাতা। সন্তানের চলাফেরার সামান্যতম পরিবর্তন কখনো মা বাবার দৃষ্টি এড়িয়ে যেতে পারে না,ইহা অসম্ভব। অন্তত মায়ের চোখে ধরা পরবেই। তাই অবশ্যই একথাটি বলা যায় যে, নিজ সন্তানের জন্যে, তথা দেশের কল্যানের জন্যে, একজন দেশপ্রেমিক হিসাবে প্রতিটি মা বাবার উচিৎ, নিজ সন্তানের প্রতি নজর দেয়া। ইসলামকে পুজি করে রক্তাক্ত জঙ্গিবাদ এদেশ থেকে চিরতরে নির্মূল হোক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

