একদিন আমরা দল বেধে তারাবীর নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম. গ্রুপে আমি,আলামিন,রাজীব ভাই, সজীব ভাই শরিফ , এছাড়া আরো অনেকেই ছিল.
নামাজের মধ্যকার খোচা খুচি তে হাসি দমিয়ে রাখার ক্ষমতা আমাদের সবার ই মোটামুটি ছিল. হাসতে গিয়ে নাক দিয়ে বাতাসের হালকা শব্দ আর শরীরের মৃদু কম্পন এর মাধ্যমে এই দমিয়ে রাখার কাজ টা আমরা বেশ ভালই পারতাম. কিন্তু একজন ছাড়া...আর সেই ব্যক্তি টি হলো " শরিফ "
নামাজে যাওয়ার সময়েই তাকে আকুতি করতে শুনা গেল- " ভাই আমারে কিন্তু নামাজে খোচাইয়েন না "
কিন্তু শরিফ বেচারার সেই আকুতির লঙ্ঘন মূলক প্রথম দুঃস্সাহসিক কাজ টি করলেন রাজীব ভাই। আমার আর রাজীব ভাইয়ের মাঝখানেই দাড়িয়েছিল শরিফ। তখন তারাবির নামাজ চলছিল. প্রথম রাকায়াত শেষে দিতীয় রাকায়াত সুরু হওয়া মাত্রই রাজীব ভাই শরিফ কে মারলেন খোচা....শরিফ প্রাথমিক হাসি টা অনেক কষ্টে সংবরণ করলো, কিন্তু বিপত্তি টা ঘটল , যখন রাজীব ভাই দ্বিতীয় খোচা টা মারলেন, আর অমনি যায় কোথায়....হো: হঃ হঃ হঃ অট্টহাসি তে সমগ্র কুটির পাড়া মসজিদ যেন কম্পিত হলো.... আর ভয়ে কম্পিত হতে লাগলাম আমরা সবাই...মুরুব্বিদের বকা খাওয়ার ভয়ে তাত্ক্ষণিক ভাবেই নামাজ রেখেই দৌড়ে পালালো শরিফ,,, আর বিপদের ফেলে গেল আমাদের.

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





