somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ক্লোন রাফা
আমি আমাদের কথা বলতে এসেছি। আমি বাংলাদেশের কথা বলবো।আমি পৃথিবির অবহেলিত মানুষের পক্ষে ।জয় বাংলার প্রতিটি শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। ৭১-এর স্বাধীনতা রক্ষায় জিবন বাজী রেখে লড়াই করে যাবো।জিবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে ।জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ।

মৃত সন্তান মৃত মা’কে নিয়ে জেলগেটে,পিতার কাছে শেষ বিদায় নিতে ॥

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


একজন মৃত শিশু তার মৃত মা’কে সাথে নিয়ে এসেছিলো জেলগেট ‼️পিতা সাদ্দাম জীবিত থেকেও যেতে পারেনি। আমাদের মানবিক শান্তির দুত শ্রেষ্ঠ সরকারের রাজত্বে।
আমরা ভুলে যাবো এক অসহায় পিতার করুন আর্তনাদ। আমরা ভুলে যাবো ছাত্রলীগ হোলেই অনায়াসে হত্যা করা জায়েজ। আমরা জানতাম না এই বাংলাদেশ সৃষ্টির জন্য যাদের অবদান যত বেশি। তার অধিকার এই দেশে তত অল্প। ২৬ হাজার ছাত্রলীগের রক্তে ভিজে আছে এই বাংলাদেশের মাটি। স্বাধীন বাংলার পতাকার রুপকার ছাত্রলীগ। এই দেশের প্রতিষ্ঠাতা ছাত্রলীগ । তাই এই স্বাধীন দেশে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ‼️

আসিফ নজরুল একজন সংবিধান বিশেষজ্ঞ, কলামিস্ট ও ইউনূস সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি আইনের শিক্ষক। আসিফ নজরুল কাঁটাতারের ফেলানী হত্যা নিয়ে বিশাল বিশাল কলাম লিখেছেন।৭৪ এর দূর্ভিক্ষ ও বাসন্তি নাটক এগুলো বাঙালির রোজ খাবারের তালিকায় গালগপ্প হয়ে থাকে। কিন্তু একজন আইনের শাসক যখন মানবতা শব্দটিকে হত্যা করেন , তার সাথে কি হওয়া উচিত?

আজ বাংলাদেশের মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরছে - সাদ্দামদের কেন স্ত্রী - সন্তানের জানাজা পড়ারও অনুমতি মেলে না। ৯ মাসের শিশু সেজাদ হাসান ( নিজাম )এর যখন জন্ম হয়েছে, তখন তার বাবা সাদ্দাম জেল খানায়। মিথ্যা মামলায় স্বামীর জেলে যাওয়ায় দিনের পর দিন অপেক্ষা করে ক্লান্ত হয়ে গেছেন সাদ্দামের স্ত্রী স্বর্ণালী সুবর্ণা।এমন অমানবিক রাষ্ট্র , প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতি তার সংসার হুমকীর মুখে ফেলে দিয়েছে। মাত্র ৯ মাসের সেজাদ হাসানের নিথর মৃতদেহ আজ পুরো বাংলাদেশের জন্য একটা বিশাল প্রশ্নবোধক চিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।৯ বছরের শিশুর মৃতদেহ যেন বলে উঠছে , " আমার বাবার অপরাধ কি শুধুই ছাত্রলীগ করা?

ছাত্রলীগ করা যদি অপরাধ হয় তবে বাংলাদেশের সংবিধান, আইন ও লাল সবুজের পতাকা সব অবৈধ ও নিষিদ্ধ।এই দেশ , এই সংবিধান ও এই লাল সবুজের পতাকা সব ছাত্রলীগের তৈরি।এই পৃথিবীর ইতিহাস সাক্ষী ছাত্রলীগ তার বুকের রক্তে বাংলাদেশের নাম লিখেছে। ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হলে এই দেশের সরকার , রাষ্ট্র সব নিষিদ্ধ হয়ে যায়। ছাত্রলীগ যে বাংলাদেশের ইতিহাস লিখেছে আজ সেই বাংলাদেশে ছাত্রলীগ রক্তাক্ত। নিঃশ্বাস নিতে পারছে না তাদের স্ত্রী , সন্তান , পিতা ও মাতা। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার পিতা ছাত্রলীগ করেছে , আমরা তার উত্তরসূরী হয়ে " জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছে। আমাদের সন্তানরাও দেশ বাঁচাতে ছাত্রলীগ করবে। ছাত্রলীগের ইতিহাস ১৬ বছরের ইতিহাস নয় , ছাত্রলীগের ইতিহাস ৭৮ বছরের সংগ্রামের ইতিহাস। আমাদের দাদারাও ছাত্রলীগ আমাদের নাতিরাও ছাত্রলীগ করবে। জেলে ভরে , হত্যা করে , নিঃশ্বাস বন্ধ করে ছাত্রলীগকে দাবায়ে রাখা যাবে না। ছাত্রলীগ বাংলাদেশের মুক্তির সনদ তৈরি করে। ইউনূস মুক্তির সনদ ছাত্রলীগ রচিত করবে ।আজ ছাত্রলীগের উপর যে অবিচার/ অন্যায় হচ্ছে , আগামীকাল তাই হবে বাংলাদেশের স্বর্ণালী ইতিহাস।রক্ত দেওয়া প্রতিটি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীর নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। বাংলাদেশ যতদিন আছে ততদিন ছাত্রলীগ থাকবে। তার পাশেই ঘৃণা দিয়ে লেখা হবে ইউনুস, আসিফ নজরুল ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীরের নাম। ইউনূসের মবের বাংলাদেশে দম বন্ধ হয়ে আসছে বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের।

গত কয়েক দশকে বাংলাদেশের অনেকেই প্রতিহিংসার রাজনীতির বলি হয়েছেন।এইবার ইউনূসের নষ্ট রাজনীতির শিকার হলো সাদ্দামের মাত্র ৯ মাসের শিশু সেজাদ হোসেন। নষ্ট রাজনীতির ছোবলে প্রাণ গেল সাদ্দামের স্ত্রী মাত্র ২২ বছরের সুবর্ণার । গলায় ফাঁস দিতে বাধ্য হয়েছেন সুবর্ণা।একটা অমানবিক রাষ্ট্রের নষ্ট রাজনীতির কাছে নিঃশ্বাস নিতে বড় কষ্ট হচ্ছিল সুবর্ণা ও তার মাত্র ৯ মাসের শিশু সেজাদ হোসেনের। এমনভাবে বাংলাদেশের ভেতরে নিরবে কাঁদছে লক্ষ লক্ষ পরিবার।

২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট ইউনূস রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার পর থেকে রোজ এমন অমানবিক রাজনীতির শিকার হচ্ছে বাংলাদেশ। ছাত্রলীগ করার কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাত খাইয়ে তফাজ্জলকে হত্যা করা হয়। সন্তানের ওষুধ নিতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা মাসুদ। ইসলামী ছাত্রশিবিরের সন্ত্রাসীরা নৃশংসভাবে হত্যা করেছে ছাত্রলীগ নেতা মাসুদকে।তার ঠিক ৫ দিন আগেই বাবা হয়েছিলেন মাসুদ। মাত্র ৫ দিনের শিশু মাসুমা হারালো তার পিতা। সন্তানের পিতা হয়ে মাত্র ৫ দিন আগেই মাসুদ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন , " আলহামদুলিল্লাহ" । আর ঠিক তার পাঁচ দিন পর তার পাঁচদিন বয়সী কন্যাকে পড়তে হলো ইন্নালিল্লাহ।এমন বাংলাদেশ কি চেয়েছিলেন আপনারা ?

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা শামীম মোল্লাকে লাইভ ভিডিও করে সমগ্র বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের সামনে হত্যা করলো ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। মৃত্যুর সময় পানি পর্যন্ত খেতে দেয়া হয়নি ছাত্রলীগ নেতা শামীম মোল্লাকে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র শামীম মোল্লা হয়ে বাংলাদেশের নষ্ট রাজনীতির এক রক্তাক্ত ইতিহাস।
যে জয় বাংলা দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে , আমরা ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ পেয়েছি, সেই জয় বাংলা লেখার অপরাধে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রলীগ কর্মী মাসুদ রানা তপু ও রায়হানকে নৃশংসভাবে কু/পি/য়ে হত্যা করা হয়েছে। ইউনূস ও আসিফ নজরুলের মগের মুল্লুকের বাংলাদেশে সবকিছুই সম্ভব। নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুন - তপু ও রায়হানের কি অপরাধ ছিলো?

২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের নির্মম হত্যাকাণ্ডের সময় " আই কান্ট ব্রিদ" সারা বিশ্বের বিবেক নাড়িয়ে দিয়েছিল। বাংলাদেশের অনেকেই তখন ট্রাম্পের সমালোচনা করতে গিয়ে বলেছেন , " জনগণ বাতাস চান , ট্রাম্প বুলেট দিচ্ছেন। তথা ট্রাম্প খুবই খারাপ মানুষ। ইউনূস , আসিফ নজরুল ও এনসিপির নাহিদ দের নষ্ট রাজনীতির শিকার হয়ে ২০২৫ সালের ১৭ ই জুলাই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম দীপ্ত সাহাকে সেনাবাহিনী বুটের তলায় পা দিয়ে নির্মম ও নৃশংসভাবে হত্যা করলো। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বুটের তলায় নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া দীপ্ত সাহা বারবার বলছিলো , " আই কান্ট ব্রিদ ( আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:২১
৮টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আওয়ামী পাঞ্চ লাইন

লিখেছেন অপু তানভীর, ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:২৪



ফেসবুকে রাজনৈতিক পেইজ আমি ফলো করি না খুব একটা। তবে আমার লিস্টের অনেকেই ফলো করে। ফলে আমার হোমপেইজে মাঝে মাঝেই নানান রকম পোস্ট এসে হাজির হোয়। সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাসিনোমিক্স : আজ ভোগ করো, কাল দেখা যাবে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৩৯


বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে কথা বলতে গেলে একটা শব্দ বারবার মাথায় আসে - হাসিনোমিকস। শব্দটা শুনতে বেশ আধুনিক, অনেকটা জাপানের অ্যাবেনোমিকস বা আমেরিকার রিগ্যানোমিকসের মতো। কিন্তু সমস্যা হলো, অন্যান্য দেশে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত সন্তান মৃত মা’কে নিয়ে জেলগেটে,পিতার কাছে শেষ বিদায় নিতে ॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:১৫


একজন মৃত শিশু তার মৃত মা’কে সাথে নিয়ে এসেছিলো জেলগেট ‼️পিতা সাদ্দাম জীবিত থেকেও যেতে পারেনি। আমাদের মানবিক শান্তির দুত শ্রেষ্ঠ সরকারের রাজত্বে।
আমরা ভুলে যাবো... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেন আমি "না" ভোট দেব

লিখেছেন কিরকুট, ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০৪

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে গণভোটের প্রশ্নটি শুধু একটি প্রক্রিয়াগত বিষয় নয়, এটি ক্ষমতা, আস্থা ও রাষ্ট্র পরিচালনার ধরণ নিয়ে বড় একটি বিতর্ক। এই প্রেক্ষাপট মাথায় রাখলে গণভোটের ঝুঁকিগুলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডিগ্রি......

লিখেছেন আহমেদ রুহুল আমিন, ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৯

ডিগ্রিধারী শিক্ষিত
রক্ত চোষা জোচ্চোর,
বলছে মানুষ পুকুর চুরি-
বালিশকান্ডের খোদচোর ।

নিরক্ষর বিশ্ব নবী
শাতিল আরব বুলবুলের,
ছিলনাতো ডিগ্রি কোন
রবীন্দ্রনাথ - নজরুলের ।

বিশ্বে যখন জয়জয়কার
নিউক্লিয়াস - প্রোটনের,
এই অবদান ডিগ্রি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×