ব্যাপক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ সত্ত্বেও বাজারে নতুন আসা এক হাজার টাকার নোট জাল হওয়া থেকে রক্ষা পায়নি। একাধিক নিরাপত্তা চিহ্ন ব্যবহারের ফলে এই নোট জাল করা সম্ভব নয় বাংলাদেশ ব্যাংকের এমন দাবিও শেষ পর্যন্ত টেকেনি। বাজারে এখন এক হাজার টাকার জাল নোট ছড়িয়ে পড়েছে। মাত্র সাড়ে তিন মাস আগে দেশের সর্বোচ্চ মানের এই নোট বাজারে ছেড়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একেবারে নতুন হওয়ায় সাধারণ মানুষ আসল ও নকল এক হাজার টাকার নোটের মধ্যে পার্থক্য ধরতে পারছে না। আর এই সুযোগটিই কাজে লাগাচ্ছে জালিয়াত চক্র। এছাড়া জালিয়াত চক্রের তৈরি করা এক হাজার টাকার জাল নোট ও আসল নোটের পার্থক্যও খালি চোখে খুব সহজে ধরা পড়ে না। জাল এক হাজার টাকার নোট নিয়ে বিপাকে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। আর্থিক ক্ষতির সাথে সাথে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে তাদের। এছাড়া আসল এক হাজার টাকার নোটের মান নিয়েও সাধারণ মানুষের মাঝে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে।
এক হাজার টাকার এরূপ জাল নোটসহ রবিবার নোট জালিয়াত চক্রের এক সক্রিয় সদস্য মো: সুমন (২০) র্যাবের হাতে ধরা পড়েছে। ক্যাপ্টেন মো: শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে র্যাব-৩ এর একটি দল রবিবার যাত্রাবাড়ি থানার মীরহাজীরবাগ থেকে তাকে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে এক হাজার টাকার ১০টি জাল নোট ছাড়াও ১১টি ১০০ টাকার জাল নোট পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদে সে গত ৭/৮ মাস যাবৎ জাল নোট প্রতারক চক্রের সাথে কাজ করছে বলে র্যাবকে জানায়। সে ছাড়াও তাদের দলের বেশ কয়েকজন সদস্য রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে জাল নোটের ব্যবসা করছে বলে জানায়। তবে সে দাবি করে অন্যের কাছ থেকে জাল নোট কিনে তা বাজারে চালানোর চেষ্টা করে। এ ব্যাপারে ক্যাপ্টেন মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, খুব সম্ভবত রাজধানীর আশপাশে কোথাও এই জাল নোট তৈরি করা হয়। আমাদের গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক সক্রিয় আছে। পুরো চক্রটিকে ধরার জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। গ্রেফতারকৃত সুমন তার কয়েকজন সঙ্গীর নাম জানালেও এই চক্রের মূল হোতা কে তা জানে না বলে দাবি করেছে। তিনি আরো জানান, ধরা পড়া নকল এক হাজার টাকার নোটের সাথে আসল নোটের খুব বেশি পার্থক্য নেই। তাই সাধারণ মানুষও সহজে প্রতারণার শিকার হচ্ছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



