
স্বামী বললো,"তাই নাকি? কিভাবে?"
“আমি এক সম্মোহনবিদের কাছে গিয়েছিলাম, সে আমাকে এক কায়দা দেখিয়ে দিলো। আমি আয়নার সামনে দাঁড়ালাম আর নিজেকে খুব জোর দিয়ে বললাম,
আমার কোন মাথাব্যথা নেই
আমার কোন মাথাব্যথা নেই
আমার কোন মাথাব্যথা নেই।
অমনি আমার মাথাব্যথা গায়েব!”
স্বামী বললো,“বাহ! বেশ”
বউ বলে,“ইয়ে দেখ, আমাদের অনেক দিন বিয়ে হয়েছে, তোমার মধ্যে রোমান্টিকতা একদম চলে গেছে। আজকাল তুমি একেবারে কিরকম যেনো হয়ে গেছো। বিয়ের প্রথম প্রথম যে রোমান্টিকতা ছিলো তা যেনো কর্পূরের মতো উবে গেছে। যাও না একবার ঐ সম্মোহনবিদের কাছে। যাও না গো একবার।”
স্বামী সম্মোহনবিদের কাছে গেলো। ফিরে এসেই সে স্ত্রীকে লাল রঙের গোলাপ ফুল দিলো। সবসময় রোমান্টিক গান। একেবারে মাখ মাখ ব্যাপার। বিশেষ দিনে গ্রিটিংস কার্ড। স্ত্রীর মনে আনন্দের সীমা নেই।
যেদিন তার স্বামী বললো,“চলো না গো আমরা হানিমুনে যাই। থাকবে না কোন মোবাইল, থাকবে না কোন লুকোচুরি, থাকবে না পারস্পরিক সৎ থাকার এক কঠোর প্রয়াস। থাকবে শুধু এক নির্মল আনন্দ।”
এই বলে স্বামী বাথরুমে চলে গেলো। ঠিক দুই মিনিট পরে বাথরুম থেকে এসে বউকে এক উত্তাল আনন্দে ভাসিয়ে দিলো।
আবার কিছুক্ষণ পরে স্বামী বলে,“আমি দুই মিনিটের জন্য আসছি।”
এই বলে আবার বাথরুমে দৌড়। দুই মিনিট পরে এসে স্ত্রীর উদ্দেশ্যে গান "যদি হই চোর কাঁটা ঐ শাড়ির ভাঁজে ----" একবারে উত্তম কুমারের স্টাইলে।
বউ হাঁসফাস করে উঠলো। তার মাথা ঘুরপাক খাচ্ছে, এমন উথাল পাথাল আবেশ তো বিয়ের শুরুতেও ছিলো না!
সামলে উঠতে না উঠতেই স্বামী আবার বলে,“আমি দুই মিনিটের জন্য আসছি।”
এবার বউয়ের কৌতূহল হলো, কি করে সে দুই মিনিটে?
সে চুপচাপ পিছু নিলো।
বাথরুমের দরজায় উঁকি মেরে দেখে, তার স্বামী আয়নার সামনে দাঁড়ানো। বলে চলেছে,
“এ আমার বউ না
এ আমার বউ না
এ আমার বউ না....।”
(রতন দা লিখলেন।)
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জানুয়ারি, ২০২৪ রাত ১১:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


