কবি বলে গেছেন পৃথিবী গদ্যময় আমি দেখি জীবন ডিমময়।
সকাল বেলার নাস্তা খাই পরোটা ডিম ভাজা। গুড,ভ্যারি গুড ব্রেকফাস্ট।নামখানা যদিও ইংরেজ লোক ব্রেক দিয়া শুরু করছে কিন্তু উহা ব্রেক হয় না।
লাঞ্চে মাঝে মইধ্যেই হয় ডিমভুনা বা ডিমভাজা কমন পইড়া যায়।যাহার অন্যতম কারন হইল উহা সহজলভ্য এবং সহজে রন্ধনকৃত।যাক খাইলাম দুপুরে ডিম।
পাঠক ভাবিতেছেন ইহাতেই আমি জীবনকে ডিমময় কহিতেছি। মোটেও না।
সন্ধ্যায় অফিসে থাকিলে এখখানা টিফিন খাই,উহাতে অবধারিত ভাবে একপিস করিয়া সিদ্ধডিম থাকে।জগতের সকল নিয়মের বত্যয় হইতে পারে এইখানে তা ঘটিবার সম্ভাবনা মোটেও নাই।
ভাই ও বন্ধু বান্ধবী সকল এইখানে থামিলে চলিবে না।রাত্রে কাচ্চি খাইবার মানসে পিয়নকে বলিলাম যাও কাচ্চি লইয়া আসো।জিহবার টেস্ট চেঞ্জ করি।কিঞ্চিত র্যাঙ্কে উঠি।পিয়ন হুকুম ও অর্থ পাইবার মাত্র ছুটিয়া গেল। সে হোটেল হইতে কাচ্চি কিনিয়া আনিয়া সুন্দররুপে পরিবেশন করিবার পর দেখিলাম এক পিস ছোট খাসির মাংশের সহিত উহাতেও ডিমের মাখামাখি উপস্থিতি।
এই গরীবের জীবনের খাদ্যাভাসের সারাংশ দাড়াইলো নিন্মরুপ-
সকালে ডিম
দুপুরে ডিম
সন্ধ্যায় ডিম
অতঃপর
রাতেও ডিম।
এইবার গীবন ডিমময় না হইয়া যায় কোথায়। ওহে মুরগী জাতি তোমরা কবে টায়ার্ড হইবা।এই যাত্রা ছাড়িয়া দেয়া যায় না।
নোট- এই লেখাখানি অপু তানভীর ভাইকে উৎস্বর্গ করা হইল।তিনি ইতিপূর্বে অনেক কিছু এই অধমের নামে করিয়াছেন। ঋণ লইয়া বাঁচিতে চাহি না ঋণ শোধাইতে চাহি।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




