্র
উত্তর কোরিয়ার বিষয়টি একটু ভিন্ন। এর জন্য অবশ্য আমি কিনটন প্রশাসনকেই দায়ী করবো। আসলে উত্তর কোরিয়া পরমাণু সংকট ইসুতে কিনটন বা উত্তর কোরিয়া, কোনো পই কথা রাখেনি। যে যার মতো এগিয়ে গেছে। এরপর যখন বুশ মতায় এলেন, তখন উত্তর কোরিয়ার দুয়েকটি বোমা তৈরির মতো ইউরেনিয়াম বা পুটোনিয়াম মতা হয়ে গেছে। বুশ মতা থাকা কালেই উত্তর কোরিয়ায় পরমাণু চর্চার বিকাশ ঘটে। এর প্রধান কারণ হলো, বুশ ক টনৈতিক সামাধানের পথে না গিয়ে বরং শক্তি প্রয়োগ করে এ সংকট নিরসন করতে চেয়েছেন। যে কারণে এ সংকট আজ আরো বেশি ঘণীভ ত।
2005 সালের সেপ্টেম্বরে সারিত এক চুক্তিপত্রে উত্তর কোরিয়া তার পরমাণু কর্মস চি প্রত্যাহারে রাজি হয়েছিল। এর বদলে উত্তর কোরিয়ার ওপর হামলার হুমকি প্রত্যাহার এবং সেখানে একটি জলজ রিঅ্যাক্টর স্থাপনের ওয়াদা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। বুশ প্রশাসন এ চুক্তিতে অবজ্ঞা করেছে।
এ চুক্তি স্বারের পরপরই উত্তর কোরিয়ায় মোটা অংকের টাকা লেনদেনের দায়ে কয়েকটি ব্যাংকে অভিযান চালায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন মিডিয়াও বলতে শুরু করে, উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ক্রমে বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। যতোই দিন যাচ্ছে, কূটনীতি থেকে দ রে সরে যাচ্ছে বুশ প্রশাসন।
তবে যাই হোক, যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে উত্তর কোরিয়ার চেয়ে ইরান বেশি গুরুত্বপ র্ণ। কেউই বলছে না, ইরানের পরমাণ প্রয়োজন নতুবা কারো এ শক্তির প্রয়োজন নেই। উত্তর কোরিয়ার চেয়ে ইরান বেশি গুরুত্বপ র্ণ কারণ, এ অঞ্চলে রয়েছে জ্বালানী সমঙ্দ। এ অঞ্চল ব্রিটিশ এবং ফরাসি কলোনি হলেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে এখানে মার্কিন আধিপত্য বাড়তে থাকে। মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানী সমঙ্দ নিয়ন ণে মার্কিন নেতৃত্বাধীন একটি অ এখানে বেশ সক্রিয়। আসলে মধ্যপ্রাচ্যের তেল ফুরিয়ে গেলেও এ আধিপত্য থাকবে_ যুক্তরাষ্ট্র এখানে সেই নিয়ন ণ রাখতে মরিয়া হবেই।
ইরান প্রশ্নে আরো বেশ কয়েকটি ইসু আছে। প্রধানতম ইসুটি হচ্ছে, এ অঞ্চলে ইরান অপোকৃত বেশি স্বাধীনতা ভোগ করে, এ দেশের সরকার মার্কিনিদের অনুগত নয়। আর এ স্বাধীনতা সহ্য করতে পারছে না মার্কিনিরা। মার্কিনিদের প্রতি ঔদ্ধাত্য দেখানোটাকে ইরানি জাতীয় মর্যাদা হিসেবে বিবেচনা করে। অনেকটা কিউবার মতোই এখন ইরানের দশা। মার্কিনিরা বছরের পর বছর কিউবার সঙ্গে কূটনৈতিক সমঙ্র্ক স্থাপনে আগ্রহী হলেও সে দেশের সরকারের এ নিয়ে কোনো মাথাব্যাথা নাই। এ অঞ্চলের ব্যবসা বাণিজ্যের ওপর বেশ ইতিবাচক প্রভাব ফেলতো এ কূটনৈতিক সমঙ্র্ক। তবুও কেন যেন সরকার এ ব্যাপারে আগ্রহী নয়।
নম চমস্কির সাাৎকার থেকে
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


