সাহিত্য বাণিজ্যে ইন্টারনেটের অনুপ্রবেশ নতুন নতুন মাত্রা আনছে। এসএমএস-এও আজকাল বিস র লেখালেখি হচ্ছে। পুরোদস্তুর এসএমএস স্টাইলেই। সংিেপত শব্দবন্ধই যার প্রাণ। এরই মধ্যে এসএমএস-এ বাইবেল লিখে বিখ্যাত হয়েছে কয়েকজন। চলছে রামায়ন-মহাভারতেরও কাজও।
এসএমএস থেকে সরাসরি ব্লগিংয়ের সেবা দিচ্ছে ইয়াহুসহ বেশকিছু সার্চ-কাম-ওয়েব পোর্টাল। অর্থাৎ 160 ক্যারেক্টারের একটি এসএমএস দিয়েও এখন সাহিত্যের ই-ধারায় অংশ নেয়া যাবে। অবশ্য এ সুযোগ এখনো ইংরেজি ভাষাতেই সীমাবদ্ধ।
শুধু চিঠি দিয়ে উপন্যাস লেখা আমাদের জন্য নতুন কিছু নয়, বুদ্ধদেব বসুর 'সবিনয় নিবেদন'-এর কথাই ধরুন। যেন এ থিমই কাজে লাগিয়েছেন মার্কিন লেখক এরিক ব্রাউন। তবে চিঠি নয়, তিনি উপন্যাসে ব্যবহার করেছেন ই-মেইল। ই-মেইলের সঙ্গে বাড়তি চমক হিসেবে থাকছে চ্যাটিং-এর কথোপকথোন। পাঠক মাউসে কিক করে ই-মেইল পড়বে আর ধীরে ধীরে ডুবে যাবে পুরোদস্তুর কোনো এক রগরগে ফিকশনে।
ই-সাহিত্যে আরো চমক এনেছে অ্যানা পিটারের অনলাইন ডায়রি তথা ব্লগ। গাড়িতে সংসার পেতে নিয়মিত ব্লগ করতেন অ্যানা পিটার। সেই ব্লগগুলোই বই আকারে প্রকাশ করলো বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা কার্টিস ব্রাউন। আহামরী কিছু ছিল না। কেবল ব্লগ বলেই মানুষ সেই বইকে বেস্টসেলার বানিয়ে ছেড়েছে। এ ব্লগ নতুন কোনো আইডিয়ার নাম নয়, এটি স্রেফ আনকোরা একটি ধারা। না! ধারা নয়, সাহিত্যের উপধারা।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


