হত্যাকাণ্ড নয়, অবৈধ বসবাসের কারণেই তাকে লসএঞ্জেলসের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। লসএঞ্জেলসের এক ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা গত বুধবার রয়টার্সকে জানিয়েছেন, মহিউদ্দিন সন্দেহভাজন বিদেশী বলে তাকে আটক করা হয়। জানা গেছে, তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা আরো জানিয়েছেন, 1996 সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ বসবাসকারী মৃতু্যদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত এ সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হবে। 60 বছর বয়সী সাবেক সামরিক কর্মকর্তা মহিউদ্দিন আহমেদ 1996 সালে পর্যটকের ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে সে দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের আবেদন করেছিলেন। 2002 সালে স্থায়ীভাবে বসবাসের সে আবেদন আদালত নাকচ করে তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছিল। মহিউদ্দিন মামলাটি পুনঃবিবেচনার জন্য আদালতের শরণাপন্ন হলে সানফ্রান্সিকোতে গঠিত বিশেষ আদালত গত মাসে তা' খারিজ করে দেয়। গ্রেফতারের পর মহিউদ্দিনকে দেশে ফেরত পাঠানো সংক্রান্ত মামলাটি এখন শুনানির অপেক্ষায়।
উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে সপরিবারে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা এ মামলা চলাকালে কর্নেল মহিউদ্দিন পলাতক ছিলেন। 1998 সালে বঙ্গবন্ধু হত্যামামলায় লে. কর্নেল মহিউদ্দিনের অনুপস্থিতিতেই তাকেসহ মোট 10 জনকে মৃতু্যদণ্ডে দণ্ডিত করে আদালত। পরে উচ্চ আদালতও এ রায় বহাল রাখে। এ মামলায় মৃতু্যদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীদের মধ্যে 4 জন বর্তমানে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক রয়েছেন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



