5 কলামে প্রকাশিত এ খবরে আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, গত বছর মার্চে তারেক মেজর জেনারেল রেজাকুল হায়দারকে নিয়ে দুবাইয়ে এক ব্যক্তিগত সফরে যান। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গোয়েন্দা রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, দুবাইয়ের এক হোটেলে মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেছেন তারেক রহমান। রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, নির্বাচনে ব্যবহারের জন্য মোটা টাকার অস্ত্র ও বিস্ফোরক কেনার ব্যাপারে দাউদের সঙ্গে তার আলোচনা হয়। এছাড়া, দাউদকে ব্যবসা করার জন্য দুবাইয়ে জমি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তারেক রহমান। 6 কোটি ডলার দিয়ে কেনা দুবাইয়ে একটি বিশাল অট্টালিকা রয়েছে তার। এক বিশেষ চক্রের মাধ্যমে আলকায়েদার সঙ্গেও তারেকের যোগাযোগ ছিল বলেও দাবি করেছে দৈনিকটি।
'শুধু তারেকের গ্রেফতারের ঘটনাই নয়, সার্বিকভাবে বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী দুর্নীতি দমন অভিযানে বেশ স্বস্তিতে আছে ভারত, এ মন্তব্য করেছে আনন্দবাজার। বাংলাদেশের দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপরও সতর্ক নজর রেখেছে ভারত। বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে মনমোহন সিং এরই মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এম কে নারায়ণের সঙ্গে আলোচনা করেছেন বলেও জানিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




