ইমিগ্রেশন এন্ড কাস্টম এনফোর্সমেন্ট জানায়, মহিউদ্দিন যে ফাঁসির আসামি মার্কিন অভিবাসন সংস্থার কাছে এ ব্যাপারে কোনো প্রমাণ ছিল না। রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করার সময় তিনি বাংলাদেশে একটি সামরিক অভু্যত্থানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে দাবি করেছিলেন। তবে মেজর (বরখাস্ত) মহিউদ্দিনের বহিষ্কারাদেশ এখনো বহাল আছে এবং তাকে যে কোনো সময় দেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে বলে যুক্তরাষ্ট্রের এ সংস্থাটির বরাত দিয়ে গতকাল নয়াদিগন্তে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। পত্রিকাটি আরো জানিয়েছে, গ্রেফতারের পর থেকে মেজর (বরখাস ) একেএম মহিউদ্দিন আহমেদকে এখন পর্যন্ত লসএঞ্জেলসের ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছে।
এদিকে, গতকাল ইত্তেফাকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রত্যায়নপত্রের সূত্র ধরে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপ মহিউদ্দিনকে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে শনাক্ত করেছে এবং মানবিক কারণে একজন ফাঁসির আসামিকে দেশত্যাগে বাধ্য করার সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে।
মহিউদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সংশ্লিষ্ট নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিউইয়র্কে বসবাসরত এক সামরিক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ইত্তেফাক আরো জানিয়েছে, খুব শিগগিরই মহিউদ্দিন জামিনও পাচ্ছেন। মহিউদ্দিনের এটর্নি যোসেফ স্যান্ডবেল জানান যে, মহিউদ্দিনের জন্য তিনি এরই মধ্যে অভিবাসন মর্যাদার যাবতীয় কাগজপত্র তৈরি করেছেন।
অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দৈনিক কন্ট্রাকোস্টা টাইমস 'ম্যান ফাইটস ফর লাইফ ইন ডিপোর্টেশন কেস' শিরোনামে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। লসএঞ্জেলস টাইমসের এ খবরের হেডলাইন ছিল 'কন্ট্রোভার্সিয়াল বাংলাদেশি ফাইটস ডেপোর্টেশন'। যুক্তরাষ্ট্রের পত্রিকাগুলো জানিয়েছে, শেষ মুহূর্তে আপাত রা হলো মহিউদ্দিনের। 60 বছর বয়সী এ বাংলাদেশি সামরিক কর্মকর্তার এ বহিষ্কারদেশের রায়ের ওপরই তার জীবন নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেছে।
উল্লেখ্য, গত 13 মার্চ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসের দায়ে মহিউদ্দিনকে গ্রেফতার করে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। 1996 সালে ভ্রমণ ভিসায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন তিনি। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করলে তা নাকচ হয়ে যায়। পরবর্তীতে মহিউদ্দিন এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে গত ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তার শুনানির মামলাটি নাকচ হয়ে যায়।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


