somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মরু থেকে

২৮ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পরমেশ্বর অস্ত্রবিরতি দিয়েছেন,
বাগদাদ ভুলে,
এক পুরোনো বন্ধুকে ফোন করলেন।
যেন এটা খেলনা ট্রেনের অবিন্যস্ত গতিপথ
সমকালে যুতসই যার আগাগোড়া কর্মকাণ্ড--
এই বিশ্ব, আমারই চোখে-- এই কানে ফিসফিস করলেন তিনি।
(যেন তিনি রক্ষা পেয়েছেন
স্বর্গ বিকলাঙ্গ করা থেকে)
লতাগুল্ম ঘিরে থাকা জানালাসমৃদ্ধ ঝলমলে
ছোট ছোট ভবনের কথা বলেনÑ মানুষের কথা কম,
অপ্রয়োজনসহ একটা গাধা, রেশমী লাল গোলাপ,
দুধের হ্রদ,
যবচাষে মিষ্টি পাহাড়েরা,
একটা ইঞ্জিন যা সত্য ধোঁয়া ছড়াচ্ছে,
পাহাড় বেয়ে উঠে আসা পথগুলো এখানে,
এবং তারপর
একটা ধূসর পর্দার আড়ালে।

পর্দার পেছনে
ইশারা খেলা করে,
তা-ই করে যা পরমেশ্বর করবেন।
তার মুষ্ঠিবদ্ধ খুনসুটি
ছোট ছোট ঘরের দুর্গন্ধ
আঁকড়ে ধরার ভান করে,
ছোট মানুষেরা, গাধাটিও,
যতক্ষণ না তারা যবের ভুসি হচ্ছে।

পরমেশ্বরের প্রাচুর্যে লুকাতে
আমরা উঠেছি খেলনা রেলগাড়িতে
মগজের তাচ্ছিল্য ভ্রমণে:
ধূসর পর্দায় সংর্ঘষে বাজিয়েছি হুইসেল,
আলগা করে বুনন,
ছোট ছোট ঘর ছেড়ে,
ছোট মানুষেরা, গাধাটিও,
তাদের সবার আত্মা
তলিয়ে গেছে বাগদাদ ছাইয়ে।

পর্দার পেছনে
কালোর ভেতরে নিরুত্তাপ ফুসকুরি;
অবশেষে রেলপথ শেষ হলো অবাস্তবে।
এখানে আমরা দু’চোখ বন্ধ করি,
স্মরণ করি শৈশবের ফেরেস্তাকে--
বন্ধ করো বোমাচাষ,
পৃথিবী বাচাও,
মনে করে দ্যাখো ছোট সেই ঘরগুলো,
ছোট মানুষেরা, গাধাটিও, এখন আহত,
তারাও কী লালসা আক্রান্ত হবে!
ধূলির ওপর পড়ে
তাদের স্মৃতির সত্তা ছিনিয়ে নেবে কী আমাদের স্বকীয়তা?
স্বীকার করছি-- আরও কিছুর জন্য আমরা সরে দাড়ালাম,
একটা প্রাসাদ, একটা দানব, একটা ঘোড়া।

যেন আরেকটি পোড়াজমি,
নখের আঁচড়ে দাগকাটা স্বর্গভূমি,
রক্তসিক্ত খেলা
যা হৃদয়গ্রাহী নামে
আগন্তুক ডলার ডেকেছে--
কর্তব্য ও স্বাধীনতা।
আমাদের নিরব ভূভাগ,
ক্ষয়িষ্ণু দেহের এই মরু,
ছাই
পরমেশ্বরের নিজস্ব বালির জন্য, একটা খনিজকূূপ,
সঙ্গীতের জন্য দীর্ঘকাল, একটা নতুন চুক্তি,
নিচুমনা বেড়াল বাঁচাতে, ভাঙনের জন্য ভুল,
একটা বাশি বিক্রয়ের জন্য,
একটা হাড় উপশমের জন্য।

তেপান্তরে একা,
চিহ্ন ছেড়ে, যোগসূত্র ফেলে
পথগুলো কোথাও চলে যাচ্ছে বলে
অন্ধকারে কাতরাচ্ছেন পরমেশ্বর।
একটা ভয়ার্ত কণ্ঠ বাঁকা মনোযোগে
পাহাড় থেকে ফিসফিস করে:
পরমেশ্বর বসবেন না,
তার হাড় বেঁচে দিয়েছেন আমাদের কাছে।পরমেশ্বর অস্ত্রবিরতি দিয়েছেন,
বাগদাদ ভুলে,
এক পুরোনো বন্ধুকে ফোন করলেন।
যেন এটা খেলনা ট্রেনের অবিন্যস্ত গতিপথ
সমকালে যুতসই যার আগাগোড়া কর্মকাণ্ড--
এই বিশ্ব, আমারই চোখে-- এই কানে ফিসফিস করলেন তিনি।
(যেন তিনি রক্ষা পেয়েছেন
স্বর্গ বিকলাঙ্গ করা থেকে)
লতাগুল্ম ঘিরে থাকা জানালাসমৃদ্ধ ঝলমলে
ছোট ছোট ভবনের কথা বলেনÑ মানুষের কথা কম,
অপ্রয়োজনসহ একটা গাধা, রেশমী লাল গোলাপ,
দুধের হ্রদ,
যবচাষে মিষ্টি পাহাড়েরা,
একটা ইঞ্জিন যা সত্য ধোঁয়া ছড়াচ্ছে,
পাহাড় বেয়ে উঠে আসা পথগুলো এখানে,
এবং তারপর
একটা ধূসর পর্দার আড়ালে।

পর্দার পেছনে
ইশারা খেলা করে,
তা-ই করে যা পরমেশ্বর করবেন।
তার মুষ্ঠিবদ্ধ খুনসুটি
ছোট ছোট ঘরের দুর্গন্ধ
আঁকড়ে ধরার ভান করে,
ছোট মানুষেরা, গাধাটিও,
যতক্ষণ না তারা যবের ভুসি হচ্ছে।

পরমেশ্বরের প্রাচুর্যে লুকাতে
আমরা উঠেছি খেলনা রেলগাড়িতে
মগজের তাচ্ছিল্য ভ্রমণে:
ধূসর পর্দায় সংর্ঘষে বাজিয়েছি হুইসেল,
আলগা করে বুনন,
ছোট ছোট ঘর ছেড়ে,
ছোট মানুষেরা, গাধাটিও,
তাদের সবার আত্মা
তলিয়ে গেছে বাগদাদ ছাইয়ে।

পর্দার পেছনে
কালোর ভেতরে নিরুত্তাপ ফুসকুরি;
অবশেষে রেলপথ শেষ হলো অবাস্তবে।
এখানে আমরা দু’চোখ বন্ধ করি,
স্মরণ করি শৈশবের ফেরেস্তাকে--
বন্ধ করো বোমাচাষ,
পৃথিবী বাচাও,
মনে করে দ্যাখো ছোট সেই ঘরগুলো,
ছোট মানুষেরা, গাধাটিও, এখন আহত,
তারাও কী লালসা আক্রান্ত হবে!
ধূলির ওপর পড়ে
তাদের স্মৃতির সত্তা ছিনিয়ে নেবে কী আমাদের স্বকীয়তা?
স্বীকার করছি-- আরও কিছুর জন্য আমরা সরে দাড়ালাম,
একটা প্রাসাদ, একটা দানব, একটা ঘোড়া।

যেন আরেকটি পোড়াজমি,
নখের আঁচড়ে দাগকাটা স্বর্গভূমি,
রক্তসিক্ত খেলা
যা হৃদয়গ্রাহী নামে
আগন্তুক ডলার ডেকেছে--
কর্তব্য ও স্বাধীনতা।
আমাদের নিরব ভূভাগ,
ক্ষয়িষ্ণু দেহের এই মরু,
ছাই
পরমেশ্বরের নিজস্ব বালির জন্য, একটা খনিজকূূপ,
সঙ্গীতের জন্য দীর্ঘকাল, একটা নতুন চুক্তি,
নিচুমনা বেড়াল বাঁচাতে, ভাঙনের জন্য ভুল,
একটা বাশি বিক্রয়ের জন্য,
একটা হাড় উপশমের জন্য।

তেপান্তরে একা,
চিহ্ন ছেড়ে, যোগসূত্র ফেলে
পথগুলো কোথাও চলে যাচ্ছে বলে
অন্ধকারে কাতরাচ্ছেন পরমেশ্বর।
একটা ভয়ার্ত কণ্ঠ বাঁকা মনোযোগে
পাহাড় থেকে ফিসফিস করে:
পরমেশ্বর বসবেন না,
তার হাড় বেঁচে দিয়েছেন আমাদের কাছে।পরমেশ্বর অস্ত্রবিরতি দিয়েছেন,
বাগদাদ ভুলে,
এক পুরোনো বন্ধুকে ফোন করলেন।
যেন এটা খেলনা ট্রেনের অবিন্যস্ত গতিপথ
সমকালে যুতসই যার আগাগোড়া কর্মকাণ্ড--
এই বিশ্ব, আমারই চোখে-- এই কানে ফিসফিস করলেন তিনি।
(যেন তিনি রক্ষা পেয়েছেন
স্বর্গ বিকলাঙ্গ করা থেকে)
লতাগুল্ম ঘিরে থাকা জানালাসমৃদ্ধ ঝলমলে
ছোট ছোট ভবনের কথা বলেনÑ মানুষের কথা কম,
অপ্রয়োজনসহ একটা গাধা, রেশমী লাল গোলাপ,
দুধের হ্রদ,
যবচাষে মিষ্টি পাহাড়েরা,
একটা ইঞ্জিন যা সত্য ধোঁয়া ছড়াচ্ছে,
পাহাড় বেয়ে উঠে আসা পথগুলো এখানে,
এবং তারপর
একটা ধূসর পর্দার আড়ালে।

পর্দার পেছনে
ইশারা খেলা করে,
তা-ই করে যা পরমেশ্বর করবেন।
তার মুষ্ঠিবদ্ধ খুনসুটি
ছোট ছোট ঘরের দুর্গন্ধ
আঁকড়ে ধরার ভান করে,
ছোট মানুষেরা, গাধাটিও,
যতক্ষণ না তারা যবের ভুসি হচ্ছে।

পরমেশ্বরের প্রাচুর্যে লুকাতে
আমরা উঠেছি খেলনা রেলগাড়িতে
মগজের তাচ্ছিল্য ভ্রমণে:
ধূসর পর্দায় সংর্ঘষে বাজিয়েছি হুইসেল,
আলগা করে বুনন,
ছোট ছোট ঘর ছেড়ে,
ছোট মানুষেরা, গাধাটিও,
তাদের সবার আত্মা
তলিয়ে গেছে বাগদাদ ছাইয়ে।

পর্দার পেছনে
কালোর ভেতরে নিরুত্তাপ ফুসকুরি;
অবশেষে রেলপথ শেষ হলো অবাস্তবে।
এখানে আমরা দু’চোখ বন্ধ করি,
স্মরণ করি শৈশবের ফেরেস্তাকে--
বন্ধ করো বোমাচাষ,
পৃথিবী বাচাও,
মনে করে দ্যাখো ছোট সেই ঘরগুলো,
ছোট মানুষেরা, গাধাটিও, এখন আহত,
তারাও কী লালসা আক্রান্ত হবে!
ধূলির ওপর পড়ে
তাদের স্মৃতির সত্তা ছিনিয়ে নেবে কী আমাদের স্বকীয়তা?
স্বীকার করছি-- আরও কিছুর জন্য আমরা সরে দাড়ালাম,
একটা প্রাসাদ, একটা দানব, একটা ঘোড়া।

যেন আরেকটি পোড়াজমি,
নখের আঁচড়ে দাগকাটা স্বর্গভূমি,
রক্তসিক্ত খেলা
যা হৃদয়গ্রাহী নামে
আগন্তুক ডলার ডেকেছে--
কর্তব্য ও স্বাধীনতা।
আমাদের নিরব ভূভাগ,
ক্ষয়িষ্ণু দেহের এই মরু,
ছাই
পরমেশ্বরের নিজস্ব বালির জন্য, একটা খনিজকূূপ,
সঙ্গীতের জন্য দীর্ঘকাল, একটা নতুন চুক্তি,
নিচুমনা বেড়াল বাঁচাতে, ভাঙনের জন্য ভুল,
একটা বাশি বিক্রয়ের জন্য,
একটা হাড় উপশমের জন্য।

তেপান্তরে একা,
চিহ্ন ছেড়ে, যোগসূত্র ফেলে
পথগুলো কোথাও চলে যাচ্ছে বলে
অন্ধকারে কাতরাচ্ছেন পরমেশ্বর।
একটা ভয়ার্ত কণ্ঠ বাঁকা মনোযোগে
পাহাড় থেকে ফিসফিস করে:
পরমেশ্বর বসবেন না,
তার হাড় বেঁচে দিয়েছেন আমাদের কাছে।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:৫৬
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Epstein File-মানবতার কলঙ্ক

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮

গত ৩০ জানুয়ারি Epstein Files এর ৩ মিলিয়নেরও বেশি পৃষ্ঠার নথি, ২,০০০ অধিক ভিডিও এবং ১৮০,০০০টি ছবি প্রকাশিত হয়েছে। আমেরিকা ও ইসরায়েলের সব কুকর্ম ফাঁস করা হয়েছে!
যারা মানবতা, সভ্যতা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

রোজার ২৪ আধুনিক মাসআলা, যেগুলো জেনে রাখা প্রয়োজন সকলেরই - রিপোস্ট

লিখেছেন নতুন নকিব, ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৪০

রোজার ২৪ আধুনিক মাসআলা, যেগুলো জেনে রাখা প্রয়োজন সকলেরই - রিপোস্ট

ছবিঃ অন্তর্জাল।

পবিত্র মাহে রমজান খুবই নিকটবর্তী। আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রজাবা ওয়া শা'বান, ওয়া বাল্লিগনা রমাদান। হে আল্লাহ,... ...বাকিটুকু পড়ুন

জামায়াতের আমিরের একাউন্ট হ্যাক আওয়ামী লীগের হ্যাকাররা করে থাকতে পারেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৫৮



নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখছি। গত বছর, লন্ডন থেকে আমার এক আত্মীয় হঠাত একদিন আমাকে জানান যে, 'গ্রামের রাজনীতি' নামক এক ফেসবুক পেইজে আমার উপরের ছবি দেওয়া হয়েছে। আমি হতবাক!... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একটি জোনাক প্রহর দেবে আমায়=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৩৮


গাঁয়ের বাড়ি মধ্যরাতে
জোনাক নাকি বেড়ায় উড়ে,
ঝিঁঝি নাকি নাকি সুরে
ডাকে দূরে বহুদূরে?

মধ্যরাতের নীল আকাশে
জ্বলে নাকি চাঁদের আলো!
রাতে নাকি নিরিবিলি
বসে থাকলে লাগে ভালো?

শিয়াল ডাকে হুক্কা হুয়া;
কুকুর ডাকে একা ঘেউ ঘেউ;
মধ্যরাতে গাঁয়ে নাকি
ঘুমায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাকিস্তানের বির্যে জন্ম নেয়া জারজরা ধর্মের ভিত্তিতে, বিভাজিত করতে চায় বাংলাদেশের নাগরিকদের ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৯



বাংলাদেশী ধর্মান্ধ মুসলমান,
বাঙালি পরিচয় তোমার কাছে অপ্রয়োজনীয় বাহুল্য।
তুমি কি দেশে দেশে Ehtnic Cleansing এর ইতিহাস জানো? জাতিগত নিধন কী বোঝো?
বাঙালি জাতি নিধনের রক্ত-দাগ প্রজন্ম থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×