somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এসব মানুষ সিটগুলো নষ্ট করছে আর কিছু না যেখানে অন্য সুযোগ্য ক্যান্ডিডেট কিছু একটা করতে পারতো

০১ লা জুলাই, ২০১৬ ভোর ৪:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মেধাবী মানেই হতবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ হতে হবে তা নয় । ঢাবিতে চান্স না পেয়ে প্রতি বছর অনেক পোলাপান বিরাট রকমের Frustration এ ভুলে। এদের একটা বড় অংশই খুবই Ambitious ছিল। আমার অনেক বন্ধুকেই দেখেছি, যাদের Frustration বন্ধুত্বের উপরও যথেষ্ট প্রভাব ফেলেছে।

মেজাজটা তখন খারাপ লাগে যখন দেখি চান্স পাওয়া অনেক স্টুডেন্ট এই সুযোগকে কিভাবে ব্যবহার করতে হবে জানে না অথবা বুঝেও বুঝে না। ছেলেরা @রা খায় হরেক রকম জিনিসে। একটা আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে আমাদের মানসিকতা পরিবর্তন করবে, Ethicsকে আরও উন্নত করবে, দশজনের দশমত জেনে আমরা ভালমন্দের তফাক করতে পারবো আর জীবনের মানে বুঝতে পারবো। বুঝবো যে, সমাজ ও দেশের প্রতি আমাদের দায়িত্ব আমাদের Ego থেকে অনেক ঊর্ধ্বে। বাস্তবতা ঠিক উলটো। বাকিটা খুলে বলার দরকার আছে বলে মনে হয় না।

আর মেয়েদের ব্যাপারে আমার সবচেয়ে বেশি দুঃখ। এরা (একটা বড় অংশ) ছোটোবেলা থেকে এমন একটা মানসিকতার মধ্যে বড় হয়েছে যে ছেলেরা উপার্জন করবে আর তারা ঘর দেখবে। একটা ভাল বিদ্যাপীঠে আসার পরও তাদের এটা উপলব্ধি হয় না যে কোটি কোটি মানুষের ঘামে ভেজা ট্যাক্স এর টাকা তার পিছনে এই জন্য ব্যয় করা হচ্ছে না যে সে বাপমা'র পছন্দে এক সুপাত্রের সাথে বিয়ে করে সার্টিফিকেট আলমারিতে রেখে দিবে, যেন একদিন তার নাতিপুতিরা গর্ব করতে পারে "আমার দাদু/নানু ঢাবিতে পড়েছিল"। সরি বোন, আপনার এই অকর্মণ্যতা দেখে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ধিক্কার ছাড়া আর কিছু দিবে না এই সব মানুষ ঢাবির সিটগুলো নষ্ট করছে আর কিছু না। যেখানে অন্য সুযোগ্য ক্যান্ডিডেট দেশের জন্য কিছু একটা করতে পারতো যারা এখন Frustration এ মরছে।

মানুষদের মানসিকতা যদি কোন মেশিন দিয়ে ডিটেক্ট করা যেত, তাহলে ভর্তি পরীক্ষার সময় এই মেশিনের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার জোরালো আবেদন জানাতাম।

মেধা থাকলেই সে মানুষের মত মানুষ হয় না। আত্মসম্মানবোধ থাকা লাগে। সেটা ছাড়া চতুষ্পদী প্রাণীর সাথে আমাদের শুধু ভাষাগতই পার্থক্য আছে আর কিছুতে নেই।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জুলাই, ২০১৬ ভোর ৪:০৭
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যারা জানেন না তাদের জন্য! কফি এনিমা (Coffee Enema)!

লিখেছেন সাহাদাত উদরাজী, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৩

কফি এনিমা হলো মলদ্বার দিয়ে কোলন বা বৃহদন্ত্রে তরল কফি প্রবেশ করিয়ে পেট পরিষ্কার করার একটি বিকল্প পদ্ধতি। নিচে এটি শরীরে দেওয়ার সাধারণ প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে উল্লেখ করা হলোঃ

প্রয়োজনীয় উপকরণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মিলাদুন্নবী: ভালোবাসার নবী, মানবতার শ্রেষ্ঠ আদর্শ

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৮


মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মদিন বা মিলাদুন্নবী শুধু একটি ঐতিহাসিক স্মরণদিন নয়; এটি মানবতার জন্য এক মহান আদর্শের কথা স্মরণ করার উপলক্ষ। তাঁর আগমন ছিল এমন এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ একটি পরিচ্ছন্ন শৌচাগার

লিখেছেন রাজসোহান, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৮



বাড়িটা দেখতে বাড়ির মতো না, যেনো একটা ঘোষণা। দ্যাখো, আমি কে।

গেটে দুইটা সিংহ, পাথরের, মুখ হাঁ করা; সিংহ দুইটা কী পাহারা দিচ্ছে তারা নিজেরাও জানে না। ভিতরে উঠান... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসায় শিশুর নিরাপত্তা কোথায়?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০

মাদ্রাসায় শিশুর নিরাপত্তা কোথায়?
====================
একটি ১১ বছরের শিশু যার বয়স খেলাধুলা, পড়াশোনা আর স্বপ্ন দেখার। সেই শিশুকে যদি যৌন নির্যাতনের শিকার হতে হয় এবং তার গর্ভে একটি সন্তান জন্ম নেয়, তাহলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মক্তব চালু করলে শিশুরা ফিরে আসবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৪২


ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। মুসা বিন শমসেরের ছেলে। মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে পুরো দেশ চষে বেড়াচ্ছেন। নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন, নতুন নতুন আইডিয়া দিচ্ছেন। মনে হয়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×