সে এক 'গহীন' জঙ্গল। বলতে গেলে আমাজন জঙ্গলের বাপ। এই জঙ্গল বাংলাদেশের হবিগঞ্জে অবস্থিত। হবিগঞ্জের সাধারণ মানুষ না চিনলেও সেই জঙ্গল চিনে র্যাব। এমনই 'গহীন' জঙ্গল যে কিচ্ছু দেখা যায় না। ঘুটঘুটে কালো অন্ধকার। বিজিবির সদস্যরা সেখানে সকাল -বিকাল ডিম পাড়েন। একেকটা ডিম পাড়ার সময় ডাক দ্যান, কক কক কক্কুরুউউউ.....। এই ডিম পাড়ার মাঝে ভারত থেকে 'বিচ্ছিন্নতাবাদীরা' এসে দিব্যি রকেট লাঞ্চার রেখে যায় বনের মধ্যে। বিজিবি সদস্যরা তাদের দেখতেই পায় না। যদিওবা, কালে ভদ্রে দেখা হয়ে যায় তাহলে লাজুক হাসি হেসে আবার ডিম পাড়তে থাকেন তারা। অন্যদিকে 'বিচ্ছিন্নতাবাদীরা' আসামের 'ফালতু' জঙ্গল বাদ দিয়ে হবিগঞ্জের বিশ্বখ্যাত 'গহীন' জঙ্গলে এসে দশ -বারোটা গাছের সামনে রকেট লাঞ্চার রেখে যেতে থাকে। অনেকটা প্রদর্শনী স্টাইলে।
উপরে রব, নিচে র্যাব। পুলিশ-বিজিবি কেউ কিছু না জানলেও রবের কাছে ডাইরেক্ট পাঠিয়ে দেয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন র্যাবের ভাইরা সেই 'গহীন' জঙ্গল থেকে রকেট লাঞ্চার উদ্ধার করে ফেলে। পুলিশের বড় কর্তা থানায় বসে এই খবর শুনে খিস্তি করে, ' ...ঙ্কির পোলা র্যাব, হবিগঞ্জে আমারে 'গহীন' জঙ্গল শিখাস।' পর মূহুর্তেই কালো চশমা পরা র্যাবের সামনে ঢোঁক গিলতে গিলতে বলে, 'মানে ইয়ে, জঙ্গল...আছে তো..মানে'
দ্যাখলা মোদি, বাংলাদেশে হাসিনা না থাকলে তোমার দেশের সন্ত্রাসীদের এই রকেট লাঞ্চার কে আটক করতো। অতএব মোদি, সামনে ঝড় উঠলে আমারে পিলিজ কোলে তুইলা নিয়ো। য্যামনে কইরা তোমার বন্ধু মনমোহন নিছিলো।
কার্টেসি: আমি অরণ্য

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



