somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জঙ্গিবাদের লেবেল দিয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ধ্বংস করতে চায় ভারত

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভারত ও তার মিত্ররা প্রচার চালায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী নাকি তালেবানসহ বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠিকে মদদ দেয়। যদিও পাকিস্তান সেনাবাহিনী সব সময়ই তা অস্বীকার করে থাকে।

পাকিস্তানে অবস্থা যাই হোক, সেনাবাহিনীকে জঙ্গি লেবেল পরানোর খেলা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে শুরু করেছে ভারত। বাংলাদেশের রাজনীতি ও সার্বভৌমত্ব পুরোপুরি দিল্লির হাতে নিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখন একমাত্র বাধা। এর প্রমাণ পাওয়া যায় গত বছরের শেষ থেকে এ বছরের শুরুর দিক পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর পেছানো। এর প্রধান কারণ ছিল, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভারতের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তিতে রাজি ছিল না।

সামনে নির্বাচন আসছে। ভারত চাইবে দিল্লির দাস শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতায় আবার আনতে। কিন্তু হাসিনা আবার ক্ষমতায় এলে প্রতিরক্ষা চুক্তি ভারত করিয়ে নিতে পারে। সেনাবাহিনী তা ঠেকাতে পারবে না। এ কারণ আওয়ামী লীগের একাংশ ও ভারত চায় নির্বাচনের আগে সেনাবাহিনীতে শুদ্ধি অভিযান হোক। যাতে নির্বাচনকালীন মাঠে সেনা মোতায়েন করতে সরকার বাধ্য হলেও আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায় পরিস্থিতি।

অন্যদিকে জাতিসংঘ মিশনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সুনাম রয়েছে। সেনাবাহিনীর এলিট ফোর্স এসএসএফ’কে জঙ্গিবাদে জড়াতে পারলে তা বিদেশে ইমেজ ক্ষুন্ন করতে সহায়ক হবে। এতে চাপে থাকবে সেনাবাহিনী।
আবার আগে থেকে জঙ্গিবাদের তকমা লাগিয়ে দিতে পারলে ভবিষ্যতে কোনোভাবেও ইসলামপন্থী বা মুসলমানদের পক্ষে যায় এমন সিদ্ধান্ত নিতে দু’বার ভাববেন সেনা কর্তারা।

এসব দিক বিবেচনায় নিয়েই ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা তাদের ঘনিষ্ঠ সাংবাদিক সুবীর ভৌমিককে দিয়ে প্রচারণা শুরু করলো। এই মুহুর্তে এই প্রচারণার আরেকটি দিক হলো, রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সম্পৃক্ত হওয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। ভারত নিজে চাচ্ছে রোহিঙ্গাদেরকে দেশ থেকে তাড়িয়ে দেবে। সেখানে বাংলাদেশ সরকার গ্রহণ করছে। তাও আবার সেনাবাহিনী নামিয়ে তাদের ভালমন্দ তদারক করছে! এমতাবস্থায় দিল্লির পক্ষে রোহিঙ্গাদেরকে বহিষ্কার কষ্টকর হবে। http://banglamail71.info/archives/3479
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১২:৪০
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=নীলাম্বরী সেজে আছি=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৩৮



এই এসো না কাছে এসো,
নীল শাড়ীতে নীলাম্বরী
ঠায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষাতে
এসে ভাসাও প্রেমের তরী।

নীল সমুদ্দুর ডেকেছে আজ
তাই দাঁড়িয়ে আছি একা
এসো তুমি হাওয়ায় উড়ে
এসে করো একটু দেখা।

হাঁটতে ইচ্ছে বালিচরে,
তুমি আমার - পাশে হাঁটবে?
মনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মূল্যস্ফীতি বাড়লে বা কমলে আমরা টের পাই না কেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১


গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে বাংলাদেশে এখন কয়টা ঋতু আছে তা কেউ বলতে পারে না। আমার মনে হয় গ্রীষ্ম আর বর্ষার একটা মিশ্র ঋতু আছে, আর আছে শীত। এই গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুহাম্মদ আলি জিন্না

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫



১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেরা লেখক

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৭



বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো লেখক এক কথায় - হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস মধ্যাহ্ন বা দেয়াল - এর পাশাপাশি রাখার মতো বাংলাদেশে আর কোনো উপন্যাস আছে কিনা আমার জানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=ডায়াটে একদিনের খাবার=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১

ডায়াটের প্রথম দিকে-একদিনের খাবার। বর্তমানে আমাদের দেহে রোগসুগের অভাব নাই। ডায়াবেটিস, প্রেসার, ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগ বলা নাই কওয়া নাই শরীরে এসে বাসা বাঁধে।

আর এসব রোগের একমাত্র কারণ আনহেলদি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×