somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোহাম্মদ গোফরান
জামাত শিবির,ধর্মান্ধ মোল্লা ও একটি নির্দিষ্ট ধর্ম বিদ্বেষী মুক্ত ব্লগ।আপনার প্রতি আমি কেমন ব্যাবহার করব তা আপনার আচরণের উপর নির্ভর করবে।সত্য মিথ্যা যাচাই না করে অন্যের কথার উপর ভিত্তি করে যদি আমার উপর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন,তাহলে আমার বন্ধু হওয়ার দরকার নেই।

বউ/প্রেমিকা/সহকর্মীদের সাথে প্রকাশ্যে সিগারেট শেয়ার করাকে কিভাবে দেখেন?

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ রাত ৯:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ ধুমপান মৃত্যু ঘটায়।
ছবি: গুগল
প্রথমেই বাংলাদেশের সব মানুষ সিগারেট খাওয়া শুরু করে প্রধানত ৩ টি কারণে।
১) চ্যাকা খেলে।
২) ইমোশান থেকে।
৩) কেউ কেউ মনে করে সিগারেট খাওয়া একপ্রকার স্মার্টনেস।

আমি নিজে একজন চেইন স্মুকার। আমার জীবনের প্রথম সিগারেট উইলসন। স্কুলে থাকতে সিগারেট খাওয়ায় আম্মু জানার পর আম্মুর হাতে মার খাইছি। আমাদের সময় ছোটদের সিগারেট খাওয়া অপরাধের চোখে বিবেচনা করা হতো। কেউ দেখে ফেললে বাসায় বলে দিত। এবং মার দেয়া হতো। কিন্তু এখন যুগ পাল্টেসে। সিগারেট খাওয়া খুবই স্বাভাবিক। দিন দিন ধূমপায়ীর সংখ্যা বাড়ছে। এবং একটু ফার্স্ট টাইপ মেয়েদের সিগারেট সীসা খাওয়া অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এক কথায় ছেলে মেয়েদের সিগারেট খাওয়া খুবই স্বাভাবিক একটা বিষয় আজকাল।

ছোট থাকতে দেখেছি - দাদা দাদী হুক্কা শেয়ার করছেন।দাদা হুক্কার পাইপে একটা টান দিয়ে পাইপ দাদীকে দিচ্ছে। দাদী আরেকটা টান দিয়ে আবার দাদারে দিচ্ছে। দুইজন মনের সুখে হুক্কা টানছে। কিউট না বিষয়টি? ছোট বেলায় আবুল বিড়ি পাওয়া যেত। দাদা-দাদী শেয়ার করে বিড়ি টানতেন। আমি একবার টানছিলাম। বর্তমানের সীসা তৎকালীন হুক্কার ডিজিটাল ভার্সন। বিশ্বাস করুন এখন যদি স্বামী স্ত্রী মিলে সীসা টানে তবে সমাজের অধিকাংশ মানুষ নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখবে। স্বামী স্ত্রী বা প্রেমিক প্রেমিকা মিলে সিগারেট খেলেও একই দৃষ্টিতে দেখবে।

আমাদের দাদীরা ব্লাউজ বিহীন শাড়ী পড়তেন। এখন একটি মেয়ে দাদী নানীদের ঐতিহ্যকে রিপ্রেজেন্ট করতে ব্লাউজ বিহীন শাড়ি পরলে বলবে অশ্লীল। ব্লগার নীল আকাশ, কাজী ফাতেমা ছবি আপা, বিচার মানি তাল গাছ না কি একটা আছেনা? উনারা পর্যন্ত অশ্লীল বলছেন। দেশ কি আগাইয়া গেলো নাকি পিছাইয়া গেল কিছুই বুঝিনা।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ রাত ১০:০৩
১৭টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জুলাই ভুলে গেছে সবাই, শুধু জুলাই ভোলেনি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৮


জুলাই কোটা আন্দোলনের প্রায় দুই বছর পূর্ণ হতে চলেছে। গত দুই বছরে দেশে অনেক কিছু বদলেছে। সমাজের অনেক কুৎসিত দিক নতুন করে সামনে এসেছে। অনেক মানুষকে নতুন করে চেনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ ঈদের দ্বিতীয় দিন

লিখেছেন সামিয়া, ২৯ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৩৬



হঠাৎ বৃষ্টি নামছে। ঈদের দ্বিতীয় দিন আজ।
আমি শ্বশুরবাড়ির বারান্দায় বসে আছি এক মগ কফি হাতে নিয়ে সামনে ভেজা আকাশ। বাতাসে কেমন কাঁচা মাটির গন্ধ। এই গন্ধটা অদ্ভুতভাবে মানুষকে অতীতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এ ডিসেকশন অব এ স্করপিয়ন

লিখেছেন আদম_, ২৯ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৪২



একজন বৃ্শ্চিক জাতক গান ভালোবাসে- গান সব রাশির জাতকরাই ভালোবাসে, তবে বৃশ্চিকের চয়েসটা ভিন্ন। বৃশ্চিক ভালোবাসে কোয়ালিটি, জেনুইনটি, অথেনটিসিটি। আউল-ফাউল জিনিস বৃশ্চিককে গেলানো যাবেনা- বৃশ্চিক গলার্ধকরণ করেনা খেলোয়ার জাহান... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাতের আঁধারে কাঁদিছে যাঁহারা তাঁহাদের খোঁজ পিছে

লিখেছেন শ্রাবণ আহমেদ, ৩০ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:৪১

বিত্তবানের সুখের সায়রে দুঃখের তরী মিছে।
তাঁরা, যাঁহাদের কাছে শত সুখ আছে তাঁহাদের দাম দিছে।
রাতের আঁধারে কাঁদিছে যাঁহারা তাঁহাদের খোঁজ পিছে।
তাঁরা, যাঁহাদের ঠোঁট হাসিতে মাতিছে তাঁহাদের খোঁজ নিছে।
— শ্রাবণ আহমেদ ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফামস স্ট্যাচু অফ দ্যা টাউন মিউজিসিয়ান অফ ব্রেমেন

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ৩০ শে মে, ২০২৬ রাত ১:৫৬



দুই বছর আগে গিয়েছিলাম, জার্মানির ব্রেমেন শহরে। সেখানে গিয়ে দেখা হয়েছিল ছোটবেলায় গল্পে শোনা চরিত্র গুলোর সাথে। গল্পের সেই চরিত্রগুলোকে কেউ সাজিয়ে রেখেছে এভাবে এই শহরে, যাওয়ার আগে জানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×