
এরা নিষেধ না শোনে ঘাড় ত্যাড়ামি করে আলু+চনার নামে হাউকাউ করতে অন্যত্র যেতে চাইলে ছাত্রলীগ ধোলাই দেয়। যদিও তাদের দমন করা উচিত প্রশাসনের। প্রশাসন ওদের যত্রতত্র এসব করতে না দিলে এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতোনা ও দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হতোনা।যদিও ধোলায় দেয়াটা বাড়াবাড়ি হয়েছে তবে দেশের জন্য লাভ বেশি। কারণ রমজান মাসকে উসিলা করে তাবলীগদের ঢাবিকে মাদ্রাসা বানানোর সাহস এরা দেখাবেনা। দেখুন এখন মাসালা, হাদীস, দোয়া, হেন্তেন এগুলোর জন্য বৈঠক এর প্রয়োজন পড়েনা। গুগল সার্চ দিলেই লাখ লাখ।তাছাড়া যে ১৩ জন ওখানে ছিল তারা তাবলীগ। তারা এগুলো জানেই। হুদাই আলোচনার দরকার নেই। ইসলাম প্রচার করতে হবে ইজরায়েলে গিয়ে। বিশ্বের ৪র্থ বৃহত্তম মুসলিম রাষ্ট্রে ইসলাম প্রচারের দরকার কি? হযরত উমর এর যুগে এরকম কিছু লোক কোন কাজ কাম না করে মসজিদে বসে জিকির করত। উমর র: ২ ওয়াক্ত তাদের মসজিদে বসে হাউকাউ করতে দেখে ৩য় ওয়াক্তে বের করে দেয়।
তাই ছাত্রলীগ যা করছে সেটা ১৩০০ আগে ইসলামের ২য় খলিফা হযরত উমর র: করেছিলেন। এছাড়াও আমার গতকালের ১ টা পোস্টে বলছি - তাবলিগ, জামাত, হেফাজত দের সংঘবদ্ধ হতে দেয়া বাংলাদেশে খুবই রিস্কি। সামনে আসতাসে ১লা বৈশাখ। এরা আলোচনার নামে ঢাবিতে হলি আর্টিজান এর মতো বোমাবাজি করার প্ল্যান করলে ঝামেলা আছে। অনেক লোক মারা যাবে। তাই ২/৪ টা সাম্ভাব্য জঙ্গিকে চড় তাপ্পড় দিয়ে যদি বোমাবাজি রোধ করা যায়, এখনো বাংলাদেশকে বাংলাস্থান বানানোর ষড়যন্ত্র যারা করছে তাদের দমন করা যায়, জঙ্গিবাদ দমন করা যায় তাহলে খারাপ কি?
ব্লগে এক তাবলীগ প্রকোশলী নাম দিয়ে ছাত্রলীগকে ভারতীয় রাজাকার বলছেন। এখানে ভারত কোত্থেকে আসল? কথায় কথায় ভারতের প্রতি হিংসা ও বিদ্বেষ পোষণ করা খুবই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এমনকি তার পোস্টে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা রাজাকার ছিল কৌশলে তাদের দোষ হালকা করার ঘৃন্য চেষ্টা চালান। তার বক্তব্যে ইনিয়ে বিনিয়ে রাজাকারদের প্রতি বিশ্রী সমর্থন এর ঘৃণ্য ইঙ্গিত পরিলক্ষিত হয়।
বলে রাখি ছাত্র লীগ তাদের রক্তাক্ত করে ঠিক কাজ করেনি। ধরে আনতে বললে বেঁধে আনা মারাত্নক বাড়াবাড়ি ও সীমালঙ্ঘন। আল্লাহ সীমালঙ্ঘন কারীদের পছন্দ করেন না।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মার্চ, ২০২৪ রাত ৯:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



