somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হে তরুণেরা! দেশ বাঁচাতে লও পাঞ্জেরীর ভূমিকা

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ধ্বংসস্তুপের ওপর দাঁড়িয়ে থেকে যারা গড়তে জানে তারাই তরুণ । তারুণ্য এমন এক শক্তি যার বিরুদ্ধে কখনো কোন শক্তিই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে টিকতে পারে না ।

মানবজীবনে তারুণ্যের সময়টাকে স্বর্ণযুগ বললেও অনেক কম বলা হবে । পৃথিবীর সর্বত্র কেবল তারুণ্যে জয়জয়কার । তারুণ্য যেমন গড়তে জানে তেমনি ধ্বংস করে দিতে পারে মহাপ্রলয়ের রুপ নিয়ে । কবি-সাহিত্যিকদের সৃষ্টিতে তারুণ্যের শক্তি প্রতিধ্বনিত হয়েছে বহুবার । সকল প্রকার অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে তারুণ্য কেবল প্রতিবাদ করেই ক্ষান্ত হয়না বরং সঠিক দিক-নির্দেশনা দিয়ে সত্য-ন্যায়কে প্রতিষ্ঠা করার গুরুদায়িত্ব এরাই পালন করে ।

সমাজ সংসারের তারুন্যের শক্তি অদ্বিতীয় । দ্রোহের কবি কাজী নজরুল ইসলাম তরুণের পরিচয় দিতে গিয়ে বলেছেন, ‘তরুণ নামের জয়মুকুট শুধু তাহার-যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নে মার্তন্ড প্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাট যাহার সাধ, মৃত্যু যাহার মুষ্টিতলে’ ।

প্রতিটি জাতির আশা আকাঙ্খার পুরোটা জুড়ে থাকে তরুণদের নিয়ে । কারণ এরা স্বপ্ন দেখতে জানে এবং দেখাতেও জানে । স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তরুণদের চেয়ে নিখাদ শিল্পী আর কে হতে পারে ? সমুদ্রের শক্তিশালী টেউয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কিংবা প্রবল বাতাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতেই তরুণদের আগমন । শত বাধা বিপত্তি সত্ত্বেও তরুণদের জয় রুখবে এমন সাধ্য কার ? যুগে-যুগে অত্যাচারীদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তরুণরা শুধু তাদের বিষদাঁত উপড়ে ফেলেনি বরং এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে যা স্মরণ করে পরবর্তীতে অনেক শাসক অন্যায় করার সাহস পায়নি । হিমালয় পর্বতশৃঙ্গ জয় থেকে শুরু করে ইংলিশ চ্যানেল কিংবা আফ্রিকার আমাজনের গহীন জঙ্গলের এমন কোথাও কি বাকী আছে যেখানে তরুণের পদচিহ্ন অঙ্কত হয়নি ? সমর লড়াইগুলোর ইতিহাস অধ্যয়ণ করলে আজও তরুণের হুংকার কর্ণকুহরে কম্পন তোলে । বিজ্ঞান, শিক্ষা, চিকিৎসা, খেলাধূলাসহ এমন কোন ক্ষেত্র এখনো আবিষ্কার হয়নি যেখানে তরুণরা সফলতার ছাপ না রেখেছে । এরা সকল যুগে সকল দেশে সকল সময় পাঞ্জেরীর ভূমিকায় ছিল, আজও আছে কিংবা ভবিষ্যতেও থাকবে ।

আজকের স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তরুণদের ভূমিকা সহস্রাব্দের পর সহস্রাব্দ স্বর্ণাক্ষরে লিখিত থাকবে । বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে পালন করছি ভাষার মাস ফেব্রুয়ারী । বাংলাকে পেয়েছি মাতৃভাষা রুপে । পাকিস্তানী শোষকগোষ্ঠীর লাল চোখ উপেক্ষা করেও বাংলাকে প্রতিষ্ঠা করেছিলাম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে । আজ যে বাংলায় লিখছি কিংবা অপরের সাথে যোগাযোগ করছি সেই বাংলাকে পরস্পরের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যম হিসেবে পেতাম না যদি ’৫২ তরুণেরা দুর্বার সাহস নিয়ে পাকিস্তানীদের বুলেটের বিরুদ্ধে বুক পেতে না দিত । সেদিনও পূর্ব-পাকিস্তানের পক্ষে বাংলা ভাষাকে রক্ষার দাবীতে আন্দোলন কারীদের অনেকেই ১৪৪ ধারা ভঙ্গ না করার পক্ষে যুক্তি দিয়েছিল । কিন্তু তারুণ্যের সে শক্তি কোন বাধাই মানে নি । যার ফলশ্রুতিতে ২১ ফেব্রুয়ারী শুধু বাংলাদেশী আর বাংলাদেশের সীমানায় সীমাবদ্ধ নয় বরং রাষ্ট্রের গন্ডি পেরিয়ে বিশ্বব্যাপী একযোগে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ।

’৬৯ এর গণঅভ্যূত্থানে তৎকালীন তরুণ ছাত্রনেতাদের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য । বাঙালীর মুক্তিযুদ্ধে তরুণদের ভূমিকা যদি ম্রিয়মান থাকত তবে নয় মাস কেন নয় বছরেও পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম সম্ভব ছিল না । বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ণের প্রধান ড. কামাল হোসেন যখন সংবিধান প্রণয়ণ কমিটির প্রধান ছিলেন তখন তার বয়স তরুণের কোঠাতেই ছিল । ডা. মিলন কিংবা নূর হোসেনদের তারুণ্যের ত্যাগেই গণতন্ত্র পেয়েছিল মসৃণ চলার পথ ।
’৯০ এ স্বৈরশাসক এইচএম এরশাদবিরোধী আন্দোলনে তরুণদের ভূমিকার কথা আজও মানুষের মুখে মুখে বহুল উচ্চারিত বিষয় । বাংলাদেশের পক্ষে যতগুলো সুনাম অর্জন হয়েছে তার প্রায় সবগুলোই তরুণদের হাত ধরে এসেছে । আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নাম মর্যারদার সাথে উচ্চারিত হয় কেবল তরুণদের কল্যানেই । ক্রিকেট বিশ্বে বাংলাদেশে আজ বিশ্বের বহু পরাশক্তিকে প্রত্যহ চোখ রাঙাচ্ছে কেবল তারুণ্যকে পুঁজি করে । বাংলাদেশের তরুণেরা আজ বিশ্বের অনেক দেশের তরুণদের জন্য অনুসরণীয় আদর্শে পরিণত হয়েছে । তরুণরা ব্যবসায় ভালো করছে, শিক্ষায় সাফল্য পাচ্ছে, নব-নব আবিষ্কারে ভূমিকা রাখছে-আরও কতকি ? এ তরুণদেরকে ঘিরেই বাংলাদেশ স্বপ্ন বোণে । তরুণরাই একদিন বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারের আলোকিত করে তুলে ধরবে । ঘরে-বাইরে তরুণরাই জাতির রাহবারের ভূমিকায় থাকবে । নতুন আলোর দিশা পাইয়ে দিতে তরুণদের চেয়ে বেশি অবদান আর কে রাখতে পারে ? তরুণেরা নিত্য প্রভাবে জাগ্রত হয় নতুন সংকল্প নিয়ে, নব্য সৃষ্টির আশায় ।

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংকট চলছে । রাজনৈতিক দ্বন্ধে দেশটা প্রায় ব্যর্থ হওয়ার পথে হাঁটছে । ব্যবসা, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ দেশের প্রায় সবগুলো খাত প্রায় ধ্বংস হতে চলেছে । দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর পরস্পর বিরোধী অবস্থানের কারণে দেশের মানুষের জীবন ওষ্ঠাগত । দিনের পর দিন মানুষের জীবনহানী ঘটছে । লাশের মিছিল দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে । প্রবীনরা ব্যক্তি স্বার্থে কিংবা দলীয় স্বার্থে নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখতেও ব্যর্থ । রাজনৈতিক দলগুলোও জনস্বার্থ ত্যাগ করে দলীয় স্বার্থের পুজারীতে পরিণত হয়েছে । টানা অবরোধ এবং সপ্তাহের পাঁচদিনের রুটিন মাফিক হরতালে দেশের কয়েক হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে । তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়ণশীল একটি রাষ্ট্রে ক্ষতির পরিমান যদি এভাবে বাড়তেই থাকে তবে উন্নয়ণশীল থেকে দেশ অনুন্নতের পথে যাত্রা করতে কতক্ষন ?

গোটা দেশটাকে যেন শ্মশানে পরিণত করা হয়েছে । মানুষ পোড়া গন্ধ নাসিকারন্ধ্রে প্রবেশের মাধ্যমে আফ্রিকার কোন অসভ্য জাতি হয়ত ইন্দ্রিয় সূখ অনুধাবন করতে পারে কিন্তু দূর্ভাগ্যের হলেও সত্য, বাংলাদেশের মত একটি সভ্য দেশেও এমনটা চলছে । আর্থিক ক্ষতি কিংবা আহত মানুষদের হিসাব না হয় বাদ দিলাম কিন্তু রাজনীতির নামে অপরাজনীতির ঘৃণ্য খেলায় এখন পর্যন্ত জীবন দিতে হয়েছে অনেককে । নিহতের এ সংখ্যা কোথায় গিয়ে শেষ হবে তা বিধাতাই ভালো জানেন ।

আন্দোলনকারী কিংবা আন্দোলন প্রতিহতকারী-উভয়ের দাবী তারা সঠিক পথে আছে । সঠিক-বেঠিক হিসাব করার সময় এখন আর আছে বলে মনে হয়না বরং মানুষ হত্যার রাজনীতি বন্ধ করাই সবচেয়ে বেশি জরুরী হয়ে পড়েছে । পেট্রোলবোমার আঘাতে কিংবা বিনা বিচারে মানুষ হত্যার রাজনীতি যেকোন মূল্যে বন্ধ করতেই হবে । ইতিহাসে যে তরুণদের এত সুনাম সেই তরুণদেরকে দেশের স্বার্থে আরেকবার জাগতে হবে । প্রবীনরা যেখানে ব্যর্থ হয়েছে সেখান থেকেই শুরু করতে হবে তরুণদেরকে । এটাই যে তরুণদের বৈশিষ্ট্য । তরুণ্যের শক্তিকে যেন কেউ অপব্যবহার করতে না পারে সেজন্য তাদের হতে হবে আরো সচেতন । বিভিন্ন মিডিয়ায় পেট্রোলবোমা হামলা কিংবা অন্যান্য অপরাধের সাথে জড়িত হিসেবে যাদের নাম এসেছে তাদের প্রায় সকলেই তরুণ । তরুণদের এমন পদস্খলন মেনে নেয়া যায়না । তরুণদেরকে দেশের স্বার্থে একতাবদ্ধ হতে হবে । রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের মনোভাব নিয়ে তাদেরকে এগিয়ে আসতে হবে । রাজনৈতিক সংকট নিরসন করার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে বুকভরা সাহস নিয়ে আল্টিমেটাম দিতে পারে একমাত্র তরুণেরা । মনে রাখতে হবে, এ দেশটা তরুণদের । কোন রাজনৈতিক দল দেশের মানুষকে জিম্মি করে কিংবা দেশের সর্বনাশ করে রাজনীতির নামে ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করবে তা মেনে নিলে তরুণদের তারুণ্যের শক্তির কবর হয়ে যায় । তরুণদের কোন দল থাকতে পারে না । তারুণ্যের শক্তি সকল সময় ন্যায়ের সাথে সংগ্রামের পথে । কাজেই দেশের চলমান সংকটে তরুণদেরকে পাঞ্জেরীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে । তা একবার নয় বরং বার বার ।

আমাদের জাতীয় কবি সুন্দর করে বলেছিলেন, ‘সকল কালে সকল দেশে সকল লাভ লোভকে জয় করেছিল তরুণ । ওগো বাংলার তরুণের দল-ওগো আমার আগুন খেলার নির্ভীক ভাইরা! ঐ দেখ লক্ষ অকালমৃতের লাশ তোমার দুয়ারে দাঁড়াইয়া ! তারা প্রতিকার চায় । তোমরা ঐ শকুনির দলে নও, তোমরা আগুনের শিখা, তোমাদের জাতি নাই । তোমরা আলোর, তোমরা গানের, তোমরা কল্যানের । তোমরা বাহরে এস এই দুর্দিনে তাড়াও ঐগো ভাগাড়ে পড়া শকুনির দলকে’।
দেশের দুঃসময়ে দেশের প্রতিটি তরুণকে হতে হবে তেজ-প্রদীপ্ত বীর । দেশের ভাগ্য যেন ব্যর্থদের কাতারে না হয় । ও তরুণেরা ! জাতি তোমাদের পাণে নিষ্পলক নেত্রে তাকিয়ে আছে । কিছু একটা কর । এ থেকে পরিত্রানের রাস্তা তোমাদেরকেই বের করতে হবে । তারুণ্যকে এগিয়ে নেওয়ার এটাই সুবর্ণ সুযোগ । বিদেশীদের মাধ্যমে নয় বরং এদেশের সকল সমস্যার সমাধান যেন তরুণদের মাধ্যমেই হয় তার দিগন্ত উম্মোচিত হোক ।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মত আমরাও বলতে চাই, ‘ওরে নবীন, ওরে আমার কাঁচা, ওরে সবুজ ওরে অবুঝ/আধ মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা’।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×