আমাদের ঠিক আগের প্রজন্মের শিক্ষার মাধ্যম ছিল ইংলিশ। এরপর এরশাদ সরকারের কোন একজন নীতি নির্ধারকের মনে হলো আমাদের নিজের মাতৃভাষায় পড়াশুনা করা উচিৎ। কারন ইতিহাস বলে উন্নত সকল জাতি নিজেদের মাতৃভাষায় জ্ঞান চর্চা করেছে। অতীতের উদাহরন দিলে আমরা নাও বুঝতে পারি। কিন্তু বর্তমানের উন্নত সম্প্রদায় (দেশ) গুলোর দিকে যদি দৃষ্টি দেই, সবাই নিজেদের ভাষায় জ্ঞান চর্চা করছে। নিজেদের ভাষায় নতুন নতুন আবিষ্কারের নথি লিখছে। আবার অন্য ভাষায় রচিত দুর্দান্ত কোন কর্ম নিজেদের ভাষায় অনুবাদ করে ফেলছে।
তিনি যেই হোন, তিনি ভুল বোঝেন নি।
আবারও আমরা ইংলিশ মাধ্যমে ফিরে যাচ্ছি। আমি বলব না ভুল। আমি বলব সুযোগ কজে লাগানোর সময় এখনও আছে। আমি যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য় হতাম তাহলে আমি একটি ডিগ্রি নেয়ার জন্য থিসিস প্রজেক্ট করা বাদ দিয়ে প্রত্যেক বিভাগের প্রত্যেকটি ছাত্রকে নিজ নিজ ক্ষেত্রের একটি করে বই, একটি করে গবেষনা পত্র বাংলায় অনুবাদ করতে দিতাম। বিনিময়ে একটি ডিগ্রি পাবে তারা। কারন এসব থিসিস প্রজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত থেকে আমার অধ্যাপকরা ঘরের বাইরে বেরই হতে পারছে না। কারন আমার জাতিকে তাদের দেবার মত, বলার মতো নতুন কিছু নেই। যা কিছু করছে আমেরিকান স্টিফেন হকিং রা। আর স্টিফেন হকিংদের কাজ জানার জন্য ইন্টারনেট আর সাইফুরস্ এর ইংলিশ কোচিং ই যথেষ্ট।
যতদিন আমরা ইংলিশে গবেষনা পত্র লিখব ততদিন কষাই আমেরিগোর আমারিকাই এই গবেষনা পত্রটির অর্থ বুঝতে পারবে। গবেষনার ফলাফলটি এই আমাদের কাছেই বিক্রি করবে। তখন প্রশ্নও করবে, এই মেশিন চালানোর জন্য দক্ষ লোকবল আছে তো তোমাদের? আমাদের তাও নেই। তখন বলবে তাহলে ১০০% পাস একটি জেনারেশন নিশ্চিত করুন। তবেই কাজ চলবে। অন্তত লাথি মেরে মেশিনটি ভাংবে না এতটুকু শিষ্ঠাচার তো শিখবে!!
একটি প্রশ্ন: প্রেসিডেন্ট মেজর জিয়া দিনপন্জি লিখায় অভ্যস্ত ছিলেন। এর কোন কপি কি পাওয়া যাবে কোথাও?
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মার্চ, ২০১৮ দুপুর ১২:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



