somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কেন জাপান আসবেন, কীভাবে জাপান আসবেন

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



জাপানের জন্মহার প্রতিনিয়ত কমছে। এখানে বৃদ্ধদের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান। যার কারণে প্রতিটি ক্ষেত্রে পদ খালি হয়ে যাচ্ছে প্রতিদিন। দ্বিতীয়ত জাপানী প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাঁটাইয়ের ঘটনা বলতে গেলে নেই। যে চাকুরিই করুন না কেন, আপনাকে সে পরিমাণ বেতন দেয়া হবে যা দিয়ে আপনি ভালোভাবে বেঁচে থাকতে পারবেন। সাধারণত ঘণ্টাপ্রতি এখানে ন্যূনতম ১০০০ ইয়েন দেয়া হয়। অর্থাৎ কেউ প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা কাজ করলে ২৫ দিনে মোটামুটি আড়াই লক্ষ ইয়েন আয় করতে পারবে। দক্ষতা বাড়ার সাথে সাথে বেতনের পরিমাণও বাড়বে।

জাপানে নিজের অবস্থান তৈরি করার বা দক্ষতা বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় উপায় হলো জাপানী ভাষা আয়ত্ত করা। আপনি যদি জাপানী ভাষা জানেন তাহলে আপনার জন্য এখানে অসংখ্য দরজা খোলা।

আপনি যদি কোনোমতে জাপানী ভাষায় কথা বলতে পারেন তাহলে এখানে আপনি একটা কাজ পাবেনই।

বাংলাদেশ থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা সাধারণত সরকারী স্কলারশিপ নিয়ে জাপানে এসে থাকে। নিজের খরচে জাপানে আসা বাংলাদেশী শিক্ষার্থীর সংখ্যা একেবারে নগণ্য। কিন্তু ১৫-২০ লাখ টাকা খরচ করে পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে যাওয়ার চেয়ে ১০-১২ লাখ টাকা খরচ করে জাপানে আসা বহুগুণে ভালো।

যারাই নিজের খরচে জাপানে এসেছেন তাদেরকে কাজের অভাবে দেশে চলে যেতে হয়েছে এমন উদাহরণ নেই।

যারা নিজের প্রচেষ্টায় আসেন তাদের জন্য সহজ উপায় হলো জাপানের কোনো ল্যাংগুয়েজ স্কুলে ভর্তি হওয়া। ল্যাংগুয়েজ স্কুলে ভর্তি হয়ে বাংলাদেশে যদি আপনি National Aptitude Test (NAT)-এ উত্তীর্ণ হতে পারেন তাহলে জাপানের ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। জাপানের ল্যাংগুয়েজ স্কুলগুলোতে ১৮ মাসের কোর্স করতে হয়। এরপর আপনার পছন্দসই ইউনিভার্সিটিতে পছন্দের সাবজেক্টে আপনি ভর্তি হয়ে যেতে পারবেন। এর মধ্যে জাপানী ভাষায় দক্ষ হয়ে যাওয়ার কারণে পড়ালেখার জন্য আপনি কোনো না কোনো স্কলারশিপ পাবেনই। অর্থাৎ বলতে গেলে বিনা পয়সায় আপনি লেখাপড়ার খরচ না হলেও থাকা/খাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারবেন।

ইন্ডিয়া থেকে প্রচুর পরিমাণ শিক্ষার্থী প্রতি বছর জাপান ঢুকছে এবং তারা সব ক্ষেত্রে তাদের অবস্থান তৈরি করে নিচ্ছে। তাদের তুলনায় বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা কোনো দিক থেকেই কম নয়। তা ছাড়া বাংলাদেশীদেরকে জাপানীরা পছন্দ করে কারণ বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা সাধারণত ভদ্র হয়। জাপানীরা অত্যন্ত বিনয়ী, তারা বিনয় পছন্দ করে।

জাপান সম্পর্কে আমাদের সাধারণ ধারণা হলো জাপান খুবই খরচের দেশ। কিন্তু একটু দেখে-শুনে চলতে পারলে এখানে সাধারণের চেয়ে অর্ধেক খরচে আপনি চলতে পারবেন।

আরো জানার জন্য আমাকে মেইল করতে পারেন : [email protected]

মাউন্ট ফুজির দেশে আপনাকে স্বাগতম।
ありがとうございます / আরিগাতোও গোজাইমাস (অসংখ্য ধন্যবাদ)।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:০৩
১৪টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কলকাতায় নিয়মিত যারা যাতায়ত করেন তারা এই প্রশ্নের মূখোমুখি হবেন প্রায়ই।

লিখেছেন ইমরান আশফাক, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৩৩

আচ্ছা, আপনাদের মধ্যে যারা কলকাতায় যাতায়ত করে থাকেন তারা স্হানীয়দের কাছেকি এই প্রশ্নটির মূখোমুখী হয়েছেন নিয়মিতভাবে: দেশভাগের সময় বাংলাদেশকে দেয়া হয়েছিল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ মুর্শিদাবাদ আর ভারতকে দেয়া হয়েছিলো খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা কেন কওমী জননী হয়েছিলেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ২:২৯


আওয়ামী লীগ করেন এমন অনেক মানুষ বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তি বোধ করেন। শেখ হাসিনা কেন কওমি জননী উপাধি গ্রহণ করলেন? আসলে সবাই যা বলতে চান,আওয়ামী লীগের রাজনীতি তো এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর

আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

×