। অতি সম্প্রতি র্যাব বাহিনীর কিছু সদস্যে র অপরাধ প্রবনতায় যুক্ত হওয়ায় র্যাব বাহিনীর জনপ্রিয়তাও অনেকটা কোন ঠাঁসা
।
বর্তমানে একজন পুলিশ যে বেতন ও অন্যান্য সরকারি সুবিধা পান তাতে করে বৈধ সিল কপালে এঁটে পুলিশ পরিবারের জীবন ধারণ সত্যিই দারূন কষ্টকর(আম্মাআআ)। কম বেতনাদি পাওয়া পুলিশ তাই সম্ভবতঃ ঝুঁকতে বাধ্য হয় ঘুষ দূনর্ীতির দিকে।
শুধু আমাদের দেশে যে পুলিশকে কম বেতনাদি দেয়া হয় তা কিন্তু নয়
। অনেক দেশের ন্যায় নিউজিল্যান্ডেও পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের কম বেতনাদি দেয়া হয়।
আজকে নেটএ বেড়িয়ে দেখলাম বাতর্া সংস্থা এএফপি, রয়টার্স, বিবিসি সহ নিউল্যিান্ডের বেশ কয়েকটি স্থানীয় সংবাদধমর্ী ওয়েব সাইট একটি ভিন্নধমর্ী সংবাদ পরিবশেন করছে - নিউজিল্যান্ডের এক মহিলা পুলিশ কর্মকতর্াকে নিয়ে।
নিউজিল্যান্ডে এক মহিলা পুলিশ কর্মকর্তা সারা দিন পুলিশি দায়িত্ব পালন করে মাঝরাতের পর পেশা বদলে হয়ে যান যৌনকমর্ী। তিনি এটাকে খণ্ডকালীন কাজ হিসেবেই নিয়েছেন। তবে তিনি যে ঠিক মনের সুখে এ পেশায় নিজেকে সম্পৃক্ত করেছেন তা কিন্তু নয়। সংসারের ব্যয়ভারও এর একটা কারণ। কাজটা যে সেদেশে বেআইন তাও কিন্তু নয়। কারণ সে দেশের সরকার 2003 সালে যৌন শিল্পের এ পেশাকে বৈধ ঘোষণা করেছে
। এদিক এ বিষয়টি নিয়ে রন মার্ক নামে একজন সাংসদ কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, আমি জানি বহু পুলিশ কর্মকর্তা কষ্ট করে সংসার চালান। তবে এ জন্য যে তাদেরকে যৌনকমর্ী হতে হবে তার কোনো যৌক্তিকতা আমি খুঁজে পাইনি
।
আমি কিন্তু ঐ মহিলা পুলিশ কর্মকতর্াকে শ্রদ্ধাই করি, করি সমর্থনও। ভোগ বিলাসের জন্য নয় - তিনি যে সংসার চালানোর খরচ মেটাতে গায়ের রক্ত পানি করে পয়সা উপার্জন করছেন। তিনি আমাদের দেশের পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের ন্যায় ঘুষ দূনর্ীতির আশ্রয় নেয় নাই। টাকা কামানোর জন্য ভূ ঁয়া চার্জশীট দাখিল করে নাই। আর তাই আপনারা যে যাই বলুন.............. তবুও শ্রদ্ধা করি যৌন কমর্ীকে।
রিলেটেড নিউজঃ
Click This Link
ছবিঃ ইন্টানেট থেকে সংগৃহীত।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুলাই, ২০০৬ রাত ৩:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



