অফিস, টাকা-পয়সা বা সময় কোন বিষয়ই না। কত দিন যে অফিস কামাই দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থান ঘুরে বেরিয়েছি তার হিসাব দেয়া কঠন! যদিও আমরা তিনজনেই ভিন্ন ভিন্ন অফিসে খুবই দায়িত্বপূর্ণ পদে কর্মরত।
গতকাল আমাদের নন্দন পার্কে ভ্রমন এমনটাই হয়েছিল।যদিও এর আগে 5/6 বার এখানে এসেছি। সারারাত তথাকথিত একটেল এক্সিটের ফ্রিসুবিধা নিতেক্লান,্ত- আমার রাতগত দিনে ঘুম থেকে উঠার সময় ছিল দুপুর সাড়ে বারোটা। কোন কারনে সকাল 10 টায়
ঘুম ভাঙ্গলে পলিনের প্রস্তাব চল, "নন্দন থেকে ঘুের আাসি"। ব্যস, আর ঘুম যায় কোথায়। সারাদিন প্রোগ্রামিং করতে করতে কান্ত দেহমনটাকেতো একটু প্রনোদনা দেয়া চাই! শুরু হল অভিযানের প্রস্তুতি। অনান্য বন্ধু মহলে ফোন দিলাম ভ্রমন সঙ্গী হবার জন্য। এ আহবানে শুধু পেলাম অগি্নর নেটওয়ার্ক এডমিনিস্ট্রেটর বাবুকে। চার জনের টিম নিয়ে ছুটলাম নন্দনের উদ্দেশ্যে।
নন্দনের ওয়াটার জোনে সাঁতার কাটার খুবই আকর্ষনীয় ড্রেস, তোলে তিরিক্ত নিলাম যা পূর্বেই কিনেছিলাম সেন্ট মার্টিন ভ্রমন উপলক্ষে। আমাদের চারজনের একই ধরনেরএবং কালারের ড্রেস (থ্রি কোটার প্যান্ট, স্টালিশ সেন্টু গেঞ্জি) পুরো নন্দন পার্কে ভিন্নতা প্রদান করেছিল। দর্শকদের উৎসুক দৃষ্টি আর মন্তব্যের সমন্বয়ে আমরা একথাটি খুব সহজেই উপলব্ধি করতে পেরেছিলাম।
বাসার কাছে ধানমন্ডির সোবহানবাগ থেকে হানিফ পরিবহনে মাত্র1 ঘন্টায় নন্দনে র কাছে পৌঁছে যাই। কম টাকা খরচ হবে ভেবে পার্কের বাহির থেকে মাত্র জনপ্রতি 45 টাকায় পেট পুড়ে মাংস ভাত খেয়ে নিলাম। সাথে ধোয়াজাত দ্রব্য নিয়ে নিলাম যার যার পছন্দনীয় ব্রান্ড অনুযায়ী। এরপর প্রবেশ ফি, অলরাইড এবং ওয়াটার ওয়ালর্ড এর টিকেট কেটে (150+250টাকা) ভিতরে প্রবেশ করি। উল্লেখ্য প্রবেশ ফি নিয়মিত 60 টাকা হলেও এদিন ছিল 150 টাকা বিপ্লবের প্রমিথিউস, হাসানের স্বধীনতা ব্যান্ডসহ পলাশ রিজিয়া পারভিনও অনান্য শিল্পিদের অংশগ্রহনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য। যদিও শতবারের অধিক বিভিন্ন ব্যান্ড শো দেখার সৌভাগ্য হয়েছে তথাপি ব্যান্ডশোর প্রতি আমাদের কারও তেমন আগ্রহ ছিল না।
হৈ হূল্লোড় আর অ্যাডভেঞ্চারের সারাদিন পার করে বাড়ি ফিরি রাত সাড়ে 10 টায়। মনের মত ও নতুন বন্ধুদের মধ্যে পেলাম শান্তিনগরে বাসিন্দা খুবই ফেন্ডলী সুমীআপা ও তার হ্যাজব্যান্ড, ইতালী প্রবাসীর স্ত্রী রূপা ও জগন্নাথের অনার্স ফাইনালের ছাত্রী সাঁতার না জানা নিগারকে( এরা সবাই একই পরিবার থেকে আগত) । তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সরব উপস্থিতিতে আমাদের আনন্দ ভ্রমন সত্যিই ভিন্ন মাত্রা যোগ করে এবং নন্দনের নতুন সংযোযিত এ্যাডভেঞ্চারে পরিপূর্ণ রাইডগুলো বেশ উপভোগ্য হয়ে উঠে।
(নন্দন পার্ক নিয়ে একটি প্রতিবেদন শীঘ্রই পোস্ট করার ইচ্ছে আছে)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



