যখন যা ইচ্ছা খাই, খরচের দরকার হয় খরচ করি। যাবতীয় খরচের টাকা যে কোন একজনে করি। মন চাইল হাজীর বিরানী খাবো - দে দৌড় পুরান ঢাকা। ঘরোয়ার খিচুরী খাইতে ইচ্ছে হচ্ছে- সিএনজি ভাড়া কর, চল পাড়ি জমাই মতিঝিলের উদ্দেশ্যে। বাজেট কম তাতে কি, নীল ক্ষেতের ঐতিহাসিক তেহারি আছে না- উঠ রিক্সায়। মসলাদার (মুরগীর গ্রীল) খাইনা কত দিন- চল যাই সায়েনসল্যাবঃ ছায়ানীড়ে। খরচ...... কোন বিষয়ই না। আমাদের মাঝে অলিখিত শর্ত হল পার হেড সমান সমান। বুঝলেন না , এটা ব্যাচেলরদের কমন ভাষা। বাসায় এসে এক্সেলে তৈরী বিশেষভাবে ডিজাইন করা ফমর্ূলায় ফেলে ঝটপট হিসাব বের করে ফেলি। কারো কাছে টাকা নাই নো প্রবলেম। পরে দিলেও চলবে। কিন্তু টাকাটা পরে দিতে হবেই, হবে।
এতে বন্ধুত্বের ফাটল ধরে না- বিশেষ করে টাকা পয়সার ব্যাপারে। এই তিনজনের থেকে বেশী লোক থাকলে তারাও অবাক হয় আমাদের এই অদ্ভূত হিসাবের ভঙ্গি দেখে। অবশ্য সবাইকে তা মানতে বাধ্য করা হয়। অতিরিক্তরাও হাসি মুখে মেনে নেয় আমাদের অলিখিত সংবিধান।
আর তাতে কারো মানসিক বা আর্থিক ক্ষতির অবকাশ থাকে না। বন্ধুত্ব থাকে অটুট।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



