।
বিদু্যৎ ও দ্রব্যমূল্যসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যর্থতার জন্য সরকার ইদানীং মন্ত্রিসভার রদবদলের যে ক্রীড়া শুরু করেছেন তাতে মূল সমস্যা আড়াল করার চেষ্টা ছাড়া আর কিছুই না
।
গতকালের দৈনিক পত্রিকা থেকে জানা যায় যে -বর্তমান জোট সরকার বিদু্যৎ খাত উন্নয়নে সরকারি হিসাবে এ পর্যন্ত 14 হাজার কোটি টাকা ব্যয় করেছে
। কিন্তু দেশবাসী হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করতে পারছে (আম্মাআআ) 14 হাজার কোটি টাকা খরচের কী ফলাফল (খাইয়ালামু)!!!
এটা বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা না যে, বিদুৎ সংকট প্রচণ্ড আকার ধারণ করার প্রধান কারণ দুনর্ীতি, অনিয়ম ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা। প্রতি বছর প্রায় 400 মেগাওয়াট করে নতুন চাহিদা যোগ হলেও সরকার গত সাড়ে 4 বছরে জাতীয় গ্রিড লাইনে এক ইউনিট বিদু্যৎও সংযোজন করতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী বিদু্যৎ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকায় বিদু্যৎ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যেকটি ফাইলই অনুমোদনের জন্য তার দপ্তরে যায়। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা পেরিয়ে ওইসব ফাইল প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর মাসের পর মাস আটকে থাকে। আবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে বিদু্যৎ বিভাগের সুসম্পর্ক না থাকায়
বেশিরভাগ ফাইলই দেখা যায় অনুমোদিত না হয়েই ফিরে আসে। এভাবে প্রশাসনিক জটিলতায় এই সেক্টরটির সংকট ক্রমাগত ঘনীভূতই হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটের পর রাজধানীর শনির আখড়ায় সর্বস্তরের জনতার যে তীব্র অসন্তোষ পরিলক্ষিত হলো সমপ্রতি এবং প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও ঘেরাও ও বিক্ষোভের যে খবর আমরা দৈনিক পত্রিকাগুলোতে পড়েছি, তা কোনোভাবেই আমাদের উদ্বেগাকুল না করে পারে না। সরকার 144 ধারা জারি করে, দলীয় মাস্তান
ও ক্যাডার বাহিনী
দিয়েও আন্দোলনকারীদের দমাতে ব্যর্থ হচ্ছে।
এদিকে এইচএসসি পরীক্ষা চলছে এবং বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা শুরু হওয়ার দিন ঘনিয়ে আসছে (17 দিন বাকি )। এ অবস্থায় নিরবচ্ছিন্ন বিদু্যৎ প্রয়োজন_ সন্দেহ নেই। নইলে কানসাট ও শনির আখড়ার চেয়েও ভয়াবহ অবস্থা সরকারকে মোকাবেলা করতে হতে পারে
। যা আমাদের কারো কাম্য নয় (হীন মানসিক ও নিকৃষ্ট স্বাথর্ান্বেষী মহল ছাড়া )।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



