প্রায় ৩০ বছর আব্বা আমাদের কোনো সময় দিতে পারেন নি।
সকালে ঘুম থেকে উঠার আগেই আব্বা কর্মস্থলে ছলে যেতেন , আবার রাতে যখন বাসায় ফিরতেন, আমরা তখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন।
এভাবেই কেটে যেতে লাগল দিনের পর দিন, বছরের পর বছর।
একই বাসায় থাকি, খাই, ঘুমাই- তারপরও আমাদের ৪ ভাই বোনের সাথে আব্বার দেখা নাই। কথা নাই।
স্বাভাবিক একটা দূরুত্ব তৈরী হয়ে যায় আমাদের মাঝে। স্বাভাবিক বললে ভুল হবে, বলতে হয় অস্বাভাবিক। হুম, অস্বাভাকি একটা দূরত্ব তৈরী হয় আমাদের মাঝে.....
..............................................
....৩০ বছর পর-
আমি যখন সকালে বাসা থেকে বের হই, আমার ছেলে তখন কোল-বালিশ জড়িয়ে ধরে আদুরে ঘুমে আচ্ছন্ন। আবার রাতে যখন বাসায় ফিরি, ছেলে তখন চিৎ হয়ে হাত-পা ছড়িয়ে গভীর ঘুমের রাজ্যে হারিয়ে গেছে।
ঘুমন্ত ছেলেকে দেখে দীর্ঘশ্বাস ছাড়া ব্যতীত কিছুই করার থাকে না আমার।
আজ বুঝতে পারছি,
সেইসব দিনগুলোতে আব্বাও হয়তো ঠিক এভাবেই আমার মতো দীর্ঘশ্বাস ছাড়তেন, যে দীর্ঘশ্বাসের ভাষা কখনো বুঝতে পারি নি আমরা, কিংবা বোঝার চেষ্টাও করি নি.....
আজ বাবা দিবসে সবাইকে বলতে চাই, আমার বাবা পৃথিবীর সফল বাবাদের একজন.......আমার বাবা পৃথিবীর সেরা বাবাদের একজন। যদিও এ বিষয়টি বুঝতে ৩০ বছর সময় লেগেছে আমার......

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



