গুলশান চেকপোস্ট এর কাছে হঠাৎ গাড়ির স্টার্ট বন্ধ হয়ে গেল। এক ছোট ভাই পাশে বসা ছিল তাকে বললাম, " বোধহয় ঠেলতে হবে।"
"কি বলেন ভাই?"
"হুম, স্টার্ট বন্ধ হয়ে গেছে। সাইড করতে হবে।"
ছোট ভাই নেমে দাঁত মুখ খিচে গাড়ি ঠেলছে- তা দেখে দৌড়ে ছুটে এলেন একজন চেক পোস্ট পুলিশ।
"কি ভাই ঠেলতাছেন ক্যান?"
"স্টার্ট বন্ধ হয়ে গেছে।"
"দেখি কাগজপত্র দেখি?"
"কোথায় থেকে আসলেন?" কাগজপত্র দেখা শেষে প্রশ্ন করলেন তিনি।
"বাড্ডা।"
"হুম, কোথায় যাবেন?"
"জ্বি ঢাবিতে।"
"কিসের দাবিতে?"
"জ্বি?"
"মানে কিসের দাবিতে?"
"জ্বি কোনো দাবিতে না।"
"এই মাত্র বললেন, দাবিতে-"
"জ্বি দাবি না, ঢাবি।"
"ঐ তো ধাবি।"
"জ্বি ধাবি না, ঢাবি, মানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।"
"মাশকারা করেন?"
"জ্বি না।"
"বাবা-টাবা আছে?"
"জ্বি আছে।"
"হা! কি বললেন? আছে? কয় পিছ?"
"জ্বি এক পিছ।"
"দেন ঝামেলা করার করার আগে বের করে দেন।"
"জ্বি কি বের করে দিবো?"
"বাবা, বাবা"
"কোত্থেকে দিবো?"
"কোথায় আছে?"
"জ্বি বাসায়। শরীর খারাপ ঘুমাইতাছে।"
"বাবা বাসায় ঘুমাইতাছে?"
"জ্বি।"
"আপনি কোন বাবার কথা বলছেন?"
"আপনি কোন বাবার কথা জানতে চাচ্ছেন?"
"বাবা আই মিন বাবা।"
"আমিও বাবার কথা বলছি, বাবা, আই মিন ফাদার।"
"মজা লন?"
"জ্বি না।"
"গাড়ির ভিতর ব্যাগে কি দেখা যায়?
"জ্বি চা-পাতি।"
"চাপাতি? চাপাতি নিয়া কই যান? কারে জবাই দিবেন?"
"জ্বি চাপাতি না, চা-পাতি।"
"দেখি ব্যগটা বের করেন।"
ব্যাগ হাতে নিতেই বেচারার মুখ কালো হয়ে গেল। খুলে দেখেন, ইস্পাহানি মির্জাপুরি চা-পাতার এক কেজি অলা একটা প্যাকেট।"
" আফনে মিয়া একটা বদ। বদের হাড্ডি। তাড়াতাড়ি যান এখান থেইকা।"
"জ্বি যাচ্ছি।" বলে গাড়িতে বসে চাবি দিতেই দেখি গাড়ি স্টার্ট নিয়ে নিলো........।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


