ঢাকা এয়ারপোর্টে নামার পর নিজদেশের মাটিতে যাত্রিদের অসম্মানিত হতে দেখে সত্যিই খারাপ লাগে।
সাদা পোশাকধারী কিছু কর্মকর্তা ঘুর ঘুর করেন আর যাত্রিদের একের পর এক হয়রানি করে যান।
হয়রানি ও কিছু প্রশ্নের নমুনাঃ
"দেখি দেখি পাসপোর্ট দেন"- বলে হাত থেকে হ্যাচকা টান মেরে পাসপোর্ট নিয়ে গিয়ে পাতা উল্টাতে উল্টাতে ট্যারা চোখে তাকিয়ে প্রশ্ন করেন- কোথা থেইকা আসছেন?
প্রশ্নকর্তার আচরণ দেখে মনে হয় যেন, আন্তর্জাতিক মানের কোন অপরাধী এয়ারপোর্টে এসে ধরা পড়েছে।
-জ্বি অমুক দেশ থেইকা আসছি।
তারপর ফিস ফিস কইরা বলেন- সাথে কিছু আছে? থাকলে বলেন পার কইরা দিমু নি।
"জ্বি না নাই।" ভয়ে ভয়ে যাত্রির উত্তর।
স্ক্যানার মেশিনে লাগেজ স্ক্যান করার পর আবার ধরেন আরেক গ্রুপ। এ গ্রুপে দুই/তিন জন থাকেন।
"দেখি দেখি পাসপোর্টটা দেন তো।"
যাত্রি বিরক্তিসহকারে পাসপোর্ট হাতে দেবার পর।
-কই থেইকা আসছেন?
-জ্বি অমুক দেশ।
-কয়দিন আছিলেন?
-জ্বি এত দিন।
-বাড়ি কই?
-জ্বি অমুক জায়গায়।
-সোনাগয়না কতটুক আনছেন?
-জ্বি আনি নাই।
-কই যাইবেন?
-জ্বি বাড়িত যামু।
পাসপোর্ট হাতে পাবার পর ক্লান্ত ও বিরক্ত যাত্রি প্রথমে দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন।
আমার মতে, এয়ারপোর্ট কর্মকর্তাদের যদি কোন ট্রেনিং কোর্স করানো হয়ে থাকে, তবে তার সাথে "আদব-কায়দা" নামক একটি কোর্স যুক্ত করা আবশ্যক।
জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বেতন দিয়ে এয়ারপোর্টের মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গায় এসব "বেয়াদব" পোষার কোন মানে হয় না...।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


