পরাধীনতার গ্লানী নিয়ে যে জাতি অভ্যস্ত। শুধু মাঝে মাঝে ফুসে উঠে। ক্রিকেটের মতো মাঝে মাঝে জয়লাভ তাতেই পরিতৃপ্তি। সাপ্তাহিক ছুটির মতো।
যতই নির্যাতন যতই অবমাননা। নিজেকে নিজে যতই ছোট করে দেখি। জাতি হিসাবে অহংকার করার মত যেন কিছুই ঘটেনি। অথবা আগামীতে কিছুই ঘটবে না।
চালচলন দেখে মনে হতে পারে। কোন কিছুই ঘটেনি। সব কিছুই যেন নিয়তি।
আমাদের ভাগ্য নিয়ে কেউ যে ছিনিমিনি খেলতে পারে। তা ভিটামিন বিহীন মেহনতি মানুষের ভাবার কথা নয়।
কারন আমরা দালালীতে খুব পারদর্শী। কখনো সামন্তবাদীর দালাল হয়েছি। কখনো বৃটিশের দালাল আবার পাকিস্থানিদের রাজাকার এই তো সংক্ষিপ্ত একটি ইতিহাস দাড় করানো গেল। যারা এই শ্রেণী ভুক্ত তারা আবার গর্ববোধকরে।
বর্তমান হইতেছি ভারতের দালাল তার সাথে অনেকে মনে করে বর্তমান সরকারের সাথে ভালো সম্পর্ক আছে ভারতের কংগ্রেস সরকারের । তাই অনেক আমলা মনে করেন ভারতকে খুশী করতে পারলে যেন সব সূযোগ সুবিধা বা বর্তমান সরকারকে খুশী করা গেল।
আসলে কি তাই।
এখানে জাতীয়তাবোধের প্রশ্নে ! ভারতের পক্ষাবলম্বন মানে কি বর্তমান মহাজোটকে খুশী করা।
যদি তাই হয় তাহলে চারদলীয় জোট যখন ক্ষমতায় ছিল সাথে ছিল জামাত পাকিস্থানী তখন কি পাকিস্থানীর কোন স্বার্থ হাসিল হয়েছে।
ভারত টিপাইমুখ বাঁধ দিয়ে আমাদের দেশ মরুভূমির দেশ বানাতে চায়।
সেখানে কিছু বুদ্ধিজীবি জীবিকার স্বার্থে ভারতের পক্ষাবলম্বন করতে আগ্রহ দেখায়। তারা ইতিহাসের কাছে যতই নিন্দিত হোক না কেন তারা বর্তমানে কিছু সুবিধা ভোগের আশায় ভারতের দালালী করছেন।
প্রশ্ন থেকে যায়,আমরা কি এই দালালীর ঐতিহাসিক স্থান থেকে বেরিয়ে এসে বাংলাদেশী বাঙ্গালী ঐতিহ্যকে লালন করবো না।
তাই চাই লিখায় বলায় চলায় ভারত বিরুধী অবস্থান। তাদের পন্য বর্জন করি দেশের অগ্রগতিতে অবদান রাখি। দেশী শিল্পে অবদান রেখে গরিব বেকার এর কর্মসংস্থানের সুবিধা করে দেই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



