পরম করুনাময় মহান আল্লাহতায়ালা মেহেরবানিতে অনেকদিন পর লেখছি আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন। মহান রাব্বুল আলামীন মাটি থেকে আদম আঃ বিবি হাওয়া কে সৃষ্টি করলেন আশরাফুল মাখলুকাত সৃষ্টির সেরা জীব সৃষ্টি করলেন। সাথে বেহেস্তে অবস্থানরত আদম হাওয়াকে একটি শর্ত জুড়ে দিলেন। বললেন ঐ গন্দম খাওয়া নিষেধ। কিন্তু ইবলিস শয়তানের প্ররোচনায় তারা গন্দম খেয়ে নিলেন। ব্যাস হয়ে গেলো বেহেস্তে বর্জ্য ব্যাবস্থাপনা না থাকায় তাদের কে পৃথিবীতে পাঠিয়ে দেয়া হলো। এখন পৃথিবীতে মানুষ ৭০০কোটির অধীক। তার উৎপাদিত বিভিন্ন দুষিত বর্জ্য অপসারনে উন্নত বিশ্ব পর্যন্ত হিমশিম খাচ্ছে। আমরা প্রতিদিন শরির থেকে অনেক কিছু নির্গত করি। নাকে সর্দি, কানে খৈল, চোখের পেসরা, থুতু, প্রসাব, টয়লেট এমনকি শরির হইতে নির্গত যে ঘাম একবার কাপড় ভিজে গেলে দ্বিতীয়বার না ধুয়ে ব্যবহার করা যায় না। আমরা প্রতি নিয়ত পৃথিবীকে দুষিত করে যাচ্ছি। মুখের কথা তার সাথে বের হয় দুর্গন্ধ, বাজে কথায় হয় শব্দ দুষন। আপনার চলার পথে যে ডাস্টবিন দেখছেন দুূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে,নাকে দম বন্ধ করে এগিয়ে গেলেন, তা কিন্তু ৪/৫ ঘন্টা আগে আপনার আমার মতোই কেউ না কেউ ফেলে গেছে। আমাদের এখন শপথ নিতে হবে পৃথিবীর বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে আর সময় নাই। যে অল্প সময় আছে আমাদের সবাইকে হাত লাগাতে হবে। আবর্জনাকে ভালোবাসতে হবে। আমরা অল্প অল্প করে যে আবর্জনা ডাস্টবিনে ফেলে দেই তা জনা কয়েক সুইপারের পক্ষে সংগ্রহ বা পরিবহন করা সম্ভব নয়। আমাদের সবাইকে কাজে নেমে পড়তে হবে। কাধে কাধ, হাতে হাতে, মসজিদের ইমাম থেকে শুরু করে সুইপার পর্যন্ত সবাইকে এই কাজে শামিল হতে হবে। পরিবর্তনের আশ্বাস পাওয়া যাচ্ছে, আমরা কাউকে পাল্টানোর দায়িত্ব নেই নাই। তবে নিজে পাল্টে যাবো, নিজে পাল্টালেই না পাল্টে যাবে বাংলাদেশ। আমরা দায়িত্ব নিয়ে বলছি, আপনি পাল্টে যাবেন তো। আমরা শপথ নেব পাল্টে যাবার। বাড়ীর সবাইকে নিয়ে, কমলমতি স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে, সেই অভিভাবকদের নিয়ে। স্কুল শিক্ষকদের নিয়ে। পথে ঘাটে, খালে বিলে, ড্রেনে, কোথাও আবর্জনা ফেলবো না। আমরা এমন একটা সিস্টেম গড়ে তুলতে চাই যেখানে কোন ডাস্টবিনের প্রয়োজন পড়বে না। বিষয়টা একটু অবাক করা ঠিক তাই নয় কি? জ্বী জনাব আমরা ঠিক তাই করতে চাই।
পরিস্কার শ্রীমঙ্গল গড়ার প্রত্যায় নিয়ে আমি আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
গল্পঃ প্রত্যাবর্তন

চন্দ্রা পশ্চিমের বারান্দায় উদাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আকাশে ছড়ানো ছেটানো মেঘ, সেই মেঘের মতই তার মনটা আজ বিক্ষিপ্ত ।
ইদানীং মা কি সব সন্দেহ করে তাকে।অকারণই মনে হয় তার কাছে। তারই... ...বাকিটুকু পড়ুন
যুদ্ধে কেউ জয়ী হয়না, যুদ্ধ বন্ধ হলে মানবতার জয় হয়।
যুদ্ধে কে জয়ী হয়েছে?
আমার উত্তর খুব সহজ- কেউ না।
যুদ্ধের প্রকৃত বিজয়ী বলে কেউ থাকে না। যুদ্ধ যখন শুরু হয়, তখন শুধু সৈনিক নয়; মায়ের বুক খালি হয়, শিশুর ভবিষ্যৎ ভেঙে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ষো-ল-ব-ছ-রঃ আর কি বর্ষপূর্তি পোস্ট লেখা হবে?

অবাক হয়েই চেয়ে দেখি
কখন এমন হলো?
এইতো আমার ব্লগবাড়ীটার
বয়স হল ষোল।
দুরুদুরু বুকে তখন
খুলেছিলাম ‘নিক’।
ফেলতে পলক, পেরিয়ে গেল
ষোল বছর ঠিক।
ফেসবুক আর ইউটিউবের
আছড়ে পরে ঢেউ।
সামুপাড়ায় এখন কি আর
উঁকি মারে... ...বাকিটুকু পড়ুন
কটা দুলাল

বাল্য বন্ধু শফির ফোন পাইলেই টেনশনে থাকি। কোন একটা দুঃসংবাদ নিশ্চিত। আর সেটা যদি হয় সকাল বেলা তবে তো কথাই নেই। যদিও আমাদের মধ্যে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই মোটেও তবুও... ...বাকিটুকু পড়ুন
জীবন পর্ব -১

(শালবন ভ্রমণ)
২০১২ সাল। সদ্য পাশ করে বের হয়েছি। কঠিন সময় পার করছিলাম। এদিক-সেদিক স্টেজ শো করে যে পেমেন্ট পেতাম, বাড়িতে ফিরতে ফিরতেই প্রায় শেষ হয়ে যেত। সকালে মায়ের হাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।