somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুসলমান কাকে বলে? আপনি কি মুসলিম?

০৬ ই আগস্ট, ২০১৬ রাত ১:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

লেখার উদ্দেশ্যঃ
ব্লগে কিছু লিখলে, অনেক সময় অনেকে কন্টেন্টের বাইরে গিয়ে প্রশ্ন করে “আপনার এই লেখার উদ্দেশ্য কি?” তাই কিছু লেখার আগে উদ্দেশ্য লিখতে বসছি। ব্লগে প্রায়ই প্রচুর ধর্মীয় পোস্ট আসে, অনেকেই কমেন্ট করে, বিতর্ক হয়। একটা কথা প্রায়ই দেখি যে এইটা বিশ্বাস না করলে আপনি বা কেউ মুসলমান হতে পারেনা/ অমুকে মুসলমান না যেহেতু সে অমুক কথা বলেছে/ মুসলমান হতে হলে আপনাকে অমুক জিনিষ বিশ্বাস করতে হবে, তা না হলে আপনি মুসলমান থাকতে পারবেন না ইত্যাদি। আমি মাঝে মধ্যে বেশ কয়েকজন কে ব্লগে প্রশ্ন করেছিলাম যে “মুসলমানের সংজ্ঞা কি?” এর উত্তর যেমনটি আশা করেছিলাম তাই- কেউ এর সংজ্ঞা দেয়নি বা দিতে পারেনি। কেউ কিছু বলার চেষ্টা করেছেন কিন্তু সেটা অনেকটা ভাসা ভাসা। এটা সত্য যে যারা অন্যদেরকে নির্দ্বিধায় অমুসলিম বলে দিচ্ছেন, তারা কিসের ভিত্তিতে বলছেন তা তারা নিজেরাও হয়ত জানেনা। এই জন্য আসলে “মুসলমান কাকে বলে” – আমার এই লেখায় সেটা বের করার একটা ক্ষুদ্র প্রয়াস বলতে পারেন।

ভূমিকাঃ
যদিও এই লেখাটার সাথে খুব একটা সম্পর্কিত না, তারপরেও ব্লগের অভিজ্ঞতার আলোকে বলছি, আমার এই লেখাতে অনেকেই কষ্ট পেতে পারেন, রাগ করতে পারেন, আমাকে বিভিন্ন বিশেষণে বিশেষিত করতে পারেন। কিন্তু আমি সরাসরি বলছি কাউকে আঘাত দেওয়া, বা কোন বিশেষ মত কে লক্ষ্য করে আঘাত করা আমার লক্ষ্য না। লেখার বিষয় বস্তুর উপরে কারো কোন প্রশ্ন থাকলে, বা আলোচনা করতে চাইলে করতে পারেন। শুধু মাত্র তর্কের খাতিরে তর্ক না করাই ভাল। আমি এইখানে আমার এই লেখাটা আপনাকে বিশ্বাস করতে বলছিনা, বরং আমি যেটা চাচ্ছি সেটা হচ্ছে আমার লেখায় আমি যে রেফারেন্স গুলি দিব সেটা আপনারা নিজেরা যাচাই করে নিজেরাই সিদ্বান্ত নিবেন। আমি কারো বিশ্বাস পালটানোর জন্য এই লেখা লিখছিনা, বরং চাচ্ছি আপনি নিজের বিশ্বাসের ভিত্তিকে যাচাই করে নিজেই সিদ্বান্ত নিন। দিন শেষে সিদ্বান্ত আপনার।

কে মুসলমান আর কে মুসলমান না – এই বিষয়ে কার সিদ্বান্ত চুড়ান্তঃ
এক কথায় আল্লাহ্‌। আপনি মানুষের চোখে যাই হন না কেন, আপনি আল্লাহর কাছে কি সেটাই একমাত্র বিবেচ্য বিষয়। সুতরাং আল্লাহ্‌ মুসলমানের যে ক্রাইটেরিয়া দিয়েছে সেটা বের করাই আমার উদ্দেশ্য।

মুসলমানের সংজ্ঞা কিঃ
কোরআনে স্পষ্ট ভাবে “মুসলিম” এবং “মুমিন” – এই দুটা টার্ম আলাদা করা আছে। যদিও আমরা এই দুটা শব্দকে অনেক সময় পরস্পরের প্রতিশব্দ হিসাবে ব্যাবহার করি, কোরআন অনুসারে এই দুইটা শব্দ দিয়ে দুই ধরনের মানুষকে বুঝানো হয়েছে।

Say, "O People of the Scripture, come to a word that is equitable between us and you - that we will not worship except Allah and not associate anything with Him and not take one another as lords instead of Allah." But if they turn away, then say, "Bear witness that we are Muslims (৩:৬৪)

Say, "It is only revealed to me that your god is but one God; so will you be Muslims (২১:১০৮)

সুতরাং কোরআন অনুসারে মুসলমানের সংজ্ঞা হচ্ছে (মিনিমাম ক্রাইটেরিয়া) ঃ

“মুসলমান হচ্ছে সেই ব্যাক্তি যে নিজেকে এক সৃষ্টিকর্তার (আল্লাহ/ঈস্বর/ ভগবান /এল/ইয়হয়) - যে নামেই ডাকেন না কেন) ইচ্ছার নিকট পরিপূর্ণ ভাবে সমর্পণ করে।“

খুব ছোট একটা সংজ্ঞা, কিন্তু খুবই অর্থবোধক এবং শক্তিশালী। মুল কনসেপ্ট হচ্ছে একেশ্বরের কাছে সমর্পণ করা।
কোরআনে বিভিন্ন জায়গায়, মুসলিম বলতে এই মুল কনসেপ্টই বুঝানো হয়েছে।

সুতরাং কোরআনের মুসলিম কনসেপ্ট অনুযায়ী একজন নিজেকে এক আল্লাহর ইচ্ছার কাছে সম্পূর্ণ ভাবে আত্ন সমর্পণ বুঝায়। এই ক্ষেত্রে তাকে কোন নবী বা রাসুল সে আদম (আঃ) ই হোক আর নবী মুহাম্মদ (সাঃ) ই হোক- তাকে বিশ্বাস করতে হবে অথবা কোন আসমানী গ্রন্থ সে তওরাত ই হোক বা কোরআনই হোক বিশ্বাস করতে হবে- এই ধরনের কোন কথা কোরআনে বলা হয় নাই। এই ধরনের কথা মুমিনদের জন্য প্রযোজ্য, মুসলমানের ক্ষেত্রে নয়।

মনে রাখতে হবে নবী মুহাম্মদের পূর্ববর্তী সকল নবী এবং রাসুলগন মসুলিম ছিল। তারা কেউ নবী মুহাম্মদকে চিনত না বা কোরআন কি জানত না। এমনকি, ফেরাউনের যাদুকরেরা মুসলমান হয়েছিল (৭:১২৬), নবী ঈসার সাথীরা মুসলমান ছিল (৩:৫২)। এরকম প্রচুর উদাহরণ কোরআনে আছে।

শেবার রানীকে নবী সোলাইমান আল্লাহর কাছে আত্ন সমর্পণের জন্য চিঠি দিয়েছিল (২৭ঃ৩১) এবং শেবার রানী পরবর্তীতে মুসলমান হয়েছিল (২৭:৪৪)। তাঁদের কেউ নবী মুহাম্মদকে চিনত না বা কোরআন কি জানত না।

এই মুসলমান নাম করেছেন স্বয়ং আল্লাহ্‌, এবং এই মুসলিম শব্দের কনসেপ্ট কোরআনে স্পষ্ট ভাবে দেওয়া আছে। সুতরাং এটা কোন দল, মত, গোসটির নিজস্ব ব্যাবসায়িক সম্পত্তি না। শুধুমাত্র নিজের বিশ্বাসের সাথে না মিললে আরেকজন কে অমুসলিম বলে ফতোয়া দিলে সে আপনার/ আপনার দলের/মতের চোখে অমুসলিম হতে পারে কিন্তু আল্লাহর চোখে সে অমুসলিম কি না সেটাই বিবেচ্য হওয়া উচিত। একটা কথা এখানে প্রাস্নগিক ভাবে বলে রাখা ভাল যে মুসলমানের বিপরীত শব্দ “কাফির”- এটা সবসময় প্রযোজ্য নয়।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে, কোরআনের এই কনসেপ্ট অনুযায়ী অন্য ধর্ম পালন করে কিন্তু এক আল্লাহ্র/ঈস্বরের/ভগবানের কাছে নিজেকে সমর্পণ করেছে সে মুসলমান। সেই জন্য কোরআন অনুসারে অনেক ইহুদী, খৃস্টান মুসলমান। মজার বিষয় হচ্ছে কোরআনে ইহুদী এবং খৃস্টানদেরকে তাঁদেরকে দেওয়া আইন/বিধান ত্যাগ করতে বলা হয়নি, বরং তাদেরকে তাদেরকে দেওয়া বিধান অনুযায়ী বিচার করা হবে। তাঁদের কে কোরআন এবং নবী মুহাম্মদের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েই তাকে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।


একটা গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় হচ্ছে ধর্মীয় বিধান এবং নবী রাসুলের উপর বিশ্বাস মুসলিম হবার জন্য পূর্ব শর্ত না হলেও, মুমিন হবার জন্য পূর্ব শর্ত। মুসলমান এবং মুমিনের মধ্যে প্রথম পার্থক্য হচ্ছে এইটা। কোরআনে এই পার্থক্য স্পষ্ট ভাবে বলা আছেঃ

মুমিনঃ

The desert Arabs say, "We believe." Say, "Ye have no faith; but ye (only) say, 'We have submitted our wills to Allah,' For not yet has Faith entered your hearts. But if ye obey Allah and His Messenger, He will not belittle aught of your deeds: for Allah is Oft-Forgiving, Most Merciful. (৪৯:১৪)

সুতরাং ৪৯:১৪ অনুসারে প্রথমে সাবমিশন/ সমর্পণ তার পরে বিশ্বাস। প্রথমে ইসলাম তার পরে ইমান। কিন্তু প্রচলিত সমাজ ব্যাবস্থায় এর বিপরীত দেখা যায়।

এই আয়াতে মুসলিম এবং মুমিনদের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করা হয়েছে। ধর্মীয় বিধান এবং নবী রাসুলের উপর বিশ্বাস অন্তরে প্রবেশ না করলেও যদি এক আল্লাহর ইচ্ছার কাছে সমর্পণ করে সে মুসলিম। আর যারা ধর্মীয় বিধান এবং নবী রাসুলের উপর বিশ্বাস করে এবং আত্ন সমর্পণ করে তারা মুমিন। সুতরাং মুমিন হচ্ছে মুসলিম থেকে স্ট্যাটাসে একধাপ উপরে।

The believers are only the ones who have believed in Allah and His Messenger and then doubt not but strive with their properties and their lives in the cause of Allah . It is those who are the truthful. (৪৯ঃ১৫)

The believers are only those who, when Allah is mentioned, their hearts become fearful, and when His verses are recited to them, it increases them in faith; and upon their Lord they rely The ones who establish prayer, and from what We have provided them, they spend Those are the believers, truly. For them are degrees [of high position] with their Lord and forgiveness and noble provision. (৮ঃ২-৪)

অর্থাৎ,
মুসলিম= এক ইশ্বরের কাছে সমর্পণ করা;

মুমিন= মুসলিম+ আরও কিছু এক্সট্রা, অর্থাৎ নবী রাসুল এবং ধর্মীয় বিধান বিশ্বাস করা এবং তদানুযায়ী জীবন যাপন করা।

উপরের মুমিন সংক্রান্ত (৪৯:১৪, ৮:২-৪) আয়াতেই মুমিনের সংজ্ঞা দেওয়া আছে, যা মুসলিম থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।

সেই ক্ষেত্রে আমরা বলতে পারি, সকল মুমিনই মুসলমান, কিন্তু সকল মুসলমান মুমিন নাও হতে পারে।

আরেকটা উদাহরণ দেই। কোরআনের ২৮:৫৩ তে বলা আছেঃ

And when it is recited to them, they say, "We have believed in it; indeed, it is the truth from our Lord. Indeed we were, before it, Muslims." (২৮:৫৩)

যারা এতক্ষন কষ্ট করে এই লেখাটা পড়েছেন, আশা করি তাদেরকে ২৮:৫৩ এর কোন ব্যাখ্যা দেওয়া লাগবেনা। এই একটা আয়াতই বলে দেয় মুসলিম কাকে বলে। এর পরের আয়াতেই আল্লাহ্‌ মুমিনদেরকে দ্বিগুন পুরস্কার দেবার কথা বলেছেন, কারন মুমিনদের এক্সট্রা কিছু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে (৪৯ঃ১৫, ৮:২৪)

একটা ইন্টারেস্টিং অবজাররভেশনঃ
কোরআনে যত স্পেসিফিক নির্দেশ এসেছে সবখানে বলা হয়েছে “ ইয়া আইয়ুহাল্লাজিনা আমানু”- অর্থাৎ “হে বিশ্বাসীগন/ O you who have believed”- অর্থাৎ মুমিনদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন। কোরআনে কোথাও এইভাবে মুসলিমদের উদ্দেশ্য স্পেসিফিক কমান্ড দেওয়া হয় নাই, বলা হয় নাই “ইয়া আইয়ুহাল্লাজিনা আসলামু”। এর কারন এখন পরিষ্কার। এর কারন হচ্ছে মুমিনরা তাঁদের দেওয়া গ্রন্থ কে বিশ্বাস করবে এবং তদানুযায়ী কাজ করবে। সেই জন্য স্পেসিফিক কমান্ড মুমিনদের উদ্দেশ্য করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে মুসলমান এক আল্লাহর কাছে আত্ন সমর্পণ করলেও, সে কোরআন বা তার ধর্মীয় গ্রন্থ কে বিশ্বাস নাও করতে পারে বা কোন নবীর অনুসারী নাও হতে পারে।

সুতরাং, কোরআন অনুযায়ী মুসলমানের সংজ্ঞা হচ্ছেঃ

মুসলিম= এক ইশ্বরের কাছে সমর্পণ করা;

মুমিন= মুসলিম+ আরও কিছু এক্সট্রা, অর্থাৎ নবী রাসুল এবং ধর্মীয় বিধান বিশ্বাস করা এবং তদানুযায়ী জীবন যাপন করা।




বি:দ্রঃ
ব্লগার আকদেনিজ একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নজরে এনেছেন সেটা হল এই লেখাটা পরে এটা মনে হতে পারে যে মুসলিম বলতে আল্লাহ বা এক ঈস্বরকে অস্বীকারকারীও বুঝায়। আমার লেখাটা আবার পড়লাম এবং যেটা বুঝতে পারলাম যে যদিও প্রথম অংশে ব্যাপারটা ক্লিয়ার করা হয়েছে নিম্নোক্ত প্যারা তেঃ

“সুতরাং কোরআনের মুসলিম কনসেপ্ট অনুযায়ী একজন নিজেকে এক আল্লাহর ইচ্ছার কাছে সম্পূর্ণ ভাবে আত্ন সমর্পণ বুঝায়। এই ক্ষেত্রে তাকে কোন নবী বা রাসুল সে আদম (আঃ) ই হোক আর নবী মুহাম্মদ (সাঃ) ই হোক- তাকে বিশ্বাস করতে হবে অথবা কোন আসমানী গ্রন্থ সে তওরাত ই হোক বা কোরআনই হোক বিশ্বাস করতে হবে- এই ধরনের কোন কথা কোরআনে বলা হয় নাই। এই ধরনের কথা মুমিনদের জন্য প্রযোজ্য, মুসলমানের ক্ষেত্রে নয়।“

লেখার দ্বিতীয় অংশে শুধু মাত্র “বিশ্বাস” শব্দটা লেখার জন্য এই ধরনের কনফিউশনের উদ্ভব হয়েছে।সেই জন্য লেখার দ্বিতীয় অংশে “বিশ্বাস” শব্দটার আগে “ধর্মীয় বিধান এবং নবী রাসুলের উপর” শব্দটা যোগ করছি যাতে কোন কনফিউশনের উদ্ভব না হয়।
এই অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত

আমি ব্লগার আকদেনিজ কে আন্তরিক ভাব ধন্যবাদ দিচ্ছি এই বিষয়টা নজরে আনার জন্য।












সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই আগস্ট, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩৩
২৪টি মন্তব্য ২০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ব্যাঙের বিয়ে [শিশুতোষ ছড়া]

লিখেছেন ইসিয়াক, ২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৫:৫৬


কোলা ব্যাঙের বিয়ে হবে
চলছে আয়োজন ।
শত শত ব্যাঙ ব্যাঙাচি
পেলো নিমন্ত্রণ ।।

ব্যাঙ বাবাজী খুব তো রাজী ,
বসলো বিয়ের পিড়িতে
ব্যাঙের ভাইটি হোঁচট খেলো,
নামতে গিয়ে সিড়িতে ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয় অগ্রসর তরুণ প্রজন্মকে 'খোলাচিঠি'

লিখেছেন , ২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:৫৮


প্রিয় অগ্রসর তরুণ প্রজন্ম,

তোমরা যারা ডিজিটাল যুগের অগ্রসর সমাজের প্রতিনিধি তাদের উদ্দেশ্যে দু'লাইন লিখছি। যুগের সাথে খাপ খাইয়ে ওঠতে অনেক কিছু আস্তাকুঁড়ে ফেলতে হয়। সেটা কেবলই যুগের দাবি, চেতনার চালবাজি... ...বাকিটুকু পড়ুন

পত্রিকা পড়ে জেনেছি

লিখেছেন রাজীব নুর, ২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:২৮



খবরের কাগজে দেখলাম, বড় বড় করে লেখা ‘অভিযান চলবে, দলের লোকও রেহাই পাবে না। ভালো কথা, এরকমই হওয়া উচিত। অবশ্য শুধু বললে হবে না। ধরুন। এদের ধরুন। ধরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনার ভারত ভ্রমণ নিয়ে অপ-প্রচারণার ঝড়

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১০



বাংলাদেশের প্রতিবেশী হচ্ছে ২টি মাত্র দেশ; এই ২টি দেশকে বাংগালীরা ভালো চোখে দেখছেন না, এবং এর পেছনে হাজার কারণ আছে। এই প্রতিবেশী ২ দেশ বাংলাদেশকে কিভাবে দেখে? ভারতর... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতা -মেলা

লিখেছেন পদাতিক চৌধুরি, ২২ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:০৭







উপরে মূল কবিতার স্ক্রিনশট:-

মেলায় এসেছে খুশি এনেছে নিজের সঙ্গে,
বেরোও সবাই ঘর থেকে বসে আছো কেন ঘরে?
মেলার দিনে সবাই থাকে আনন্দে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×