somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি অসামাজকি শিক্ষা ব্যবস্থা ও বাস্তবতা-৩

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৫ বিকাল ৪:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইংরজেি জানাটা আমাদরে দশেে ‘এলটি’ হবার র্পূবর্শত, সে বহুকাল আগে থকেইে। কন্তিু সমস্যা গুরুতর হওয়া শুরু করে যখন এই ইংরজেি জানাটা আরোপ করা শুরু হয় বাল্যকাল থকে।ে ঢাকা শহররে একাধকি নামকরা ইংরজেি মাধ্যম স্কুলরে কথা জান,ি যখোনে বাচ্চা র্ভতি করতে হলে শুধু বশিাল মোটা অঙ্করে টাকাই যথষ্টে নয়, বাবা-মাকে আলাদাভাবে ইন্টারভউি দতিে হয় নজিদেরে যথষ্টে ‘এলটি’ পরবিার হসিবেে প্রমাণ করার জন্য। এমনকি ক্ষত্রেবশিষেে বাবা-মাকে তাদরে উচ্চতর শক্ষিাগত যোগ্যতার প্রমাণ দতিে হয়, আক্ষরকি র্অথে র্সাটফিকিটে দখেয়ি!ে স্বাভাবকিভাবইে এই অসুস্থ পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হয়ে যে ‘ভাগ্যবান’ শশিুরা এই কুলীন স্কুলগুলোতে র্ভতি হয়, তাদরে পারবিারকি ও সামাজকি অবস্থান হয় খুবই সাদৃশ্যর্পূণ। ফলে এই শশিুদরে কখনোই জানার সুযোগ ঘটে না যে তাদরে একটা ‘ক্লাস র্পাটরি’ যে বাজটে, এই দশেরে অধকিাংশ পরবিাররে কয়কে মাসরে যাবতীয় খরচ তাতে অনায়াসে হয়ে যায়! একটি স্বাচ্ছন্দ্যরে বুদবুদরে মধ্যে অপুষ্ট শশৈব কটেে যায় এই হাইব্রডি শশিুদরে, জীবন সর্ম্পকে কোনো বাস্তব জ্ঞান ছাড়াই!


ইংরজেি মাধ্যম তো গলে, ঢাকা শহররে বশেরিভাগ নামদিামি বাংলা মাধ্যমরে স্কুলগুলোর চত্রিও কন্তিু খুব একটা আলাদা নয়। এখানওে অধকিাংশ ক্ষত্রেে শক্ষর্িাথীরা সামাজকিভাবে মোটামুটি ‘এলটি’ শ্রনেীর, ফলে সমাজরে অন্য ‘স্ট্যাটাসরে’ সমবয়সীদরে সান্নধ্যিে আসার সুযোগ তাদরে কখনোই ঘটে না। নজিদেরে ‘স্ট্যাটাসরে’ বাইররে কাউকে নজিরে জায়গায় বসয়িে চন্তিা করাটা তাই তাদরে কাছে হয়ে দাঁড়ায় অসম্ভব। বন্ধুর বাবাকে দখেলে সালাম দয়িে দাঁড়য়িে যাওয়া ভদ্র ছলেটেওি তাই একই বয়সী রকিশাওয়ালাকে নর্দ্বিধিায় হাঁক দয়িে বল,ে ‘এই খালি যাব?ি’ আমাদরে শক্ষিা ‘অপ্রসেড’দরে জন্য নয়। আমাদরে শক্ষিা র্অথনতৈকি মানদণ্ডে নচিরে সাররি মানুষদরেকে তাদরে আত্মর্মযাদার জায়গাটা দখেয়িে দতিে র্ব্যথ; তাই প্রতনিয়িত অপমানতি র্দুবল রকিশাওয়ালা নতমুখে তাকে নয়িে রওনা দয়ে গন্তব্য।ে যাত্রীর আসনে বসা কানে ইয়ারফোন গোঁজা ছলেটেরি মাথায়ও আসে না যে চালক মানুষটরি সন্তানও হয়তো তারই বয়সী, সামাজকিভাবে তার জন্য নর্দিষ্টি কোনো সস্তা স্কুল বা মাদ্রাসা তার এখনকার ঠকিানা।



একটি মানুষকে বচিার করার অনকেগুলো মানদণ্ডরে মধ্যে সবচয়েে ছোট যে র্অথনতৈকি মানদণ্ড, তাই দয়িইে নয়িন্ত্রতি হয় এই ‘অসামাজকি প্রজন্মরে’ যাবতীয় আচরণ ও বুদ্ধি ববিচেনা। রাস্তা দয়িে হঁেটে যাওয়া খালি গায়ে লুঙ্গি পরহিতি বাবার বয়সী মুরুব্বী তাই তার ততোটা শ্রদ্ধা ও মনোযোগ কাড়তে পারনে না, যতটা পারনে পাজরেো-আরোহী স্যুটডে আঙ্কলে। এই উচ্চ-মধ্যবত্তি ও উচ্চবত্তি শ্রণেীর ছলেমেয়েদেরে একটি বরিাট অংশ সাধারণরে নাগালরে বাইররে দামি প্রাইভটে বশ্বিবদ্যিালয়গুলোতে র্ভতি হয়ে কুলীন সমাজে নজিকেে স্থায়ীভাবে প্রতষ্ঠিতি কর।ে একটি ক্ষুদ্র ভাগ্যবান অংশ পাবলকি বশ্বিবদ্যিালয়ে পড়ার সুযোগ পায় ও জীবনে প্রথমবাররে মত নজিরে গণ্ডরি বাইররে মানুষদরে সংর্স্পশে এসে কছিুটা হলওে সামাজকিতার স্বাদ পায় (সম্ভবত বাংলাদশেে একমাত্র পাবলকি বশ্বিবদ্যিালয়গুলোই সব সামাজকি শ্রণেীর সহাবস্থান ধরে রখেছেে এখন র্পযন্ত। আর এই পাবলকি বশ্বিবদ্যিালয় থকেইে অধকিাংশ ক্ষত্রেে ‘সুশীল সমাজ’ শ্রণেীটরি উদ্ভব!



কন্তিু সমাজ থকেে বচ্ছিন্নি এই এলটি গোত্র; অধকিাংশ ক্ষত্রেইে যারা দশেরে মূল র্অথনীতরি নয়িন্ত্রক; দশেরে আমজনতার সাথে তারা কীভাবে একাত্ম হবে যখোনে সাধারনরে জীবনযাপন, মূল্যবোধ সর্ম্পকে তাদরে বন্দিুমাত্র ধারণা নইে?

এতক্ষন যইে গোত্ররে কথা হলো তারা সমাজরে মুষ্টমিয়ে কুলীন সম্প্রদায়। এবার একটু অন্যদকিে তাকাই।

ইংরজেি জানাটা আমাদরে দশেে ‘এলটি’ হবার র্পূবর্শত, সে বহুকাল আগে থকেইে। কন্তিু সমস্যা গুরুতর হওয়া শুরু করে যখন এই ইংরজেি জানাটা আরোপ করা শুরু হয় বাল্যকাল থকে।ে ঢাকা শহররে একাধকি নামকরা ইংরজেি মাধ্যম স্কুলরে কথা জান,ি যখোনে বাচ্চা র্ভতি করতে হলে শুধু বশিাল মোটা অঙ্করে টাকাই যথষ্টে নয়, বাবা-মাকে আলাদাভাবে ইন্টারভউি দতিে হয় নজিদেরে যথষ্টে ‘এলটি’ পরবিার হসিবেে প্রমাণ করার জন্য। এমনকি ক্ষত্রেবশিষেে বাবা-মাকে তাদরে উচ্চতর শক্ষিাগত যোগ্যতার প্রমাণ দতিে হয়, আক্ষরকি র্অথে র্সাটফিকিটে দখেয়ি!ে স্বাভাবকিভাবইে এই অসুস্থ পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হয়ে যে ‘ভাগ্যবান’ শশিুরা এই কুলীন স্কুলগুলোতে র্ভতি হয়, তাদরে পারবিারকি ও সামাজকি অবস্থান হয় খুবই সাদৃশ্যর্পূণ। ফলে এই শশিুদরে কখনোই জানার সুযোগ ঘটে না যে তাদরে একটা ‘ক্লাস র্পাটরি’ যে বাজটে, এই দশেরে অধকিাংশ পরবিাররে কয়কে মাসরে যাবতীয় খরচ তাতে অনায়াসে হয়ে যায়! একটি স্বাচ্ছন্দ্যরে বুদবুদরে মধ্যে অপুষ্ট শশৈব কটেে যায় এই হাইব্রডি শশিুদরে, জীবন সর্ম্পকে কোনো বাস্তব জ্ঞান ছাড়াই!


ইংরজেি মাধ্যম তো গলে, ঢাকা শহররে বশেরিভাগ নামদিামি বাংলা মাধ্যমরে স্কুলগুলোর চত্রিও কন্তিু খুব একটা আলাদা নয়। এখানওে অধকিাংশ ক্ষত্রেে শক্ষর্িাথীরা সামাজকিভাবে মোটামুটি ‘এলটি’ শ্রনেীর, ফলে সমাজরে অন্য ‘স্ট্যাটাসরে’ সমবয়সীদরে সান্নধ্যিে আসার সুযোগ তাদরে কখনোই ঘটে না। নজিদেরে ‘স্ট্যাটাসরে’ বাইররে কাউকে নজিরে জায়গায় বসয়িে চন্তিা করাটা তাই তাদরে কাছে হয়ে দাঁড়ায় অসম্ভব। বন্ধুর বাবাকে দখেলে সালাম দয়িে দাঁড়য়িে যাওয়া ভদ্র ছলেটেওি তাই একই বয়সী রকিশাওয়ালাকে নর্দ্বিধিায় হাঁক দয়িে বল,ে ‘এই খালি যাব?ি’ আমাদরে শক্ষিা ‘অপ্রসেড’দরে জন্য নয়। আমাদরে শক্ষিা র্অথনতৈকি মানদণ্ডে নচিরে সাররি মানুষদরেকে তাদরে আত্মর্মযাদার জায়গাটা দখেয়িে দতিে র্ব্যথ; তাই প্রতনিয়িত অপমানতি র্দুবল রকিশাওয়ালা নতমুখে তাকে নয়িে রওনা দয়ে গন্তব্য।ে যাত্রীর আসনে বসা কানে ইয়ারফোন গোঁজা ছলেটেরি মাথায়ও আসে না যে চালক মানুষটরি সন্তানও হয়তো তারই বয়সী, সামাজকিভাবে তার জন্য নর্দিষ্টি কোনো সস্তা স্কুল বা মাদ্রাসা তার এখনকার ঠকিানা।





একটি মানুষকে বচিার করার অনকেগুলো মানদণ্ডরে মধ্যে সবচয়েে ছোট যে র্অথনতৈকি মানদণ্ড, তাই দয়িইে নয়িন্ত্রতি হয় এই ‘অসামাজকি প্রজন্মরে’ যাবতীয় আচরণ ও বুদ্ধি ববিচেনা। রাস্তা দয়িে হঁেটে যাওয়া খালি গায়ে লুঙ্গি পরহিতি বাবার বয়সী মুরুব্বী তাই তার ততোটা শ্রদ্ধা ও মনোযোগ কাড়তে পারনে না, যতটা পারনে পাজরেো-আরোহী স্যুটডে আঙ্কলে। এই উচ্চ-মধ্যবত্তি ও উচ্চবত্তি শ্রণেীর ছলেমেয়েদেরে একটি বরিাট অংশ সাধারণরে নাগালরে বাইররে দামি প্রাইভটে বশ্বিবদ্যিালয়গুলোতে র্ভতি হয়ে কুলীন সমাজে নজিকেে স্থায়ীভাবে প্রতষ্ঠিতি কর।ে একটি ক্ষুদ্র ভাগ্যবান অংশ পাবলকি বশ্বিবদ্যিালয়ে পড়ার সুযোগ পায় ও জীবনে প্রথমবাররে মত নজিরে গণ্ডরি বাইররে মানুষদরে সংর্স্পশে এসে কছিুটা হলওে সামাজকিতার স্বাদ পায় (সম্ভবত বাংলাদশেে একমাত্র পাবলকি বশ্বিবদ্যিালয়গুলোই সব সামাজকি শ্রণেীর সহাবস্থান ধরে রখেছেে এখন র্পযন্ত। আর এই পাবলকি বশ্বিবদ্যিালয় থকেইে অধকিাংশ ক্ষত্রেে ‘সুশীল সমাজ’ শ্রণেীটরি উদ্ভব!



কন্তিু সমাজ থকেে বচ্ছিন্নি এই এলটি গোত্র; অধকিাংশ ক্ষত্রেইে যারা দশেরে মূল র্অথনীতরি নয়িন্ত্রক; দশেরে আমজনতার সাথে তারা কীভাবে একাত্ম হবে যখোনে সাধারনরে জীবনযাপন, মূল্যবোধ সর্ম্পকে তাদরে বন্দিুমাত্র ধারণা নইে?

এতক্ষন যইে গোত্ররে কথা হলো তারা সমাজরে মুষ্টমিয়ে কুলীন সম্প্রদায়। এবার একটু অন্যদকিে তাকাই।

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৬ দুপুর ১:১৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অল্প একটু পাশে থেকো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০



আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।

শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।

আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের শাহেদ জামাল- ৯৯

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০



শেখ হাসিনা ভারত চলে যাওয়ার পর, দেশের অনেক কিছু পরিবর্তন হয়।
ক্ষমতায় আসেন, ইউনুস। ইউনুস ক্ষমতা হাতে নেওয়ার পর সারা দেশ লন্ডভন্ড হয়ে যায়। দেশের সমস্ত খারাপ লোকেরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইনকা চিপা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬


এখন পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে চলে আসা। যে সময়ে শ্রেণীকক্ষে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করার কথা, সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিল, ড. ইউনূস, আমেরিকা-বাংলাদেশ চুক্তি ও এলিট তৈরির কারখানা - আমাদের শিক্ষা

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫১


জাতিসংঘের অধিবেশনে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ট্রাম্পের সাথে করমর্দনের একটা ছবি প্রকাশ করেছেন। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ছবিটি ঘিরে অনেকে অনেক মন্তব্য করেন। বছরের শুরুতে আমেরিকার সাথে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী যে চুক্তিগুলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×