বাংলাদেশে একটা জিনিসের অভাব কখনো হয় না, সেটা হলো বুদ্ধিজীবী। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. পিয়াস করিম অনেক আগে থেকেই সেই দৌড়ে সামিল হয়েছেন। টক শো-তে আসলেই লোকটির জ্ঞান যেন ফুইলা উঠে।
কিন্তু মানুষটি বঙ্গবন্ধুকে অসম্মান করে কথা বলে নিজেকে কী প্রমাণ করতে চাইলেন, সেটা বুঝলাম না।
ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের ‘আজকের বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে তিনি আজ বললেন, এটা অনস্বীকার্য যে- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের নেতা। মওলানা ভাসানিসহ অনেক নেতা স্বাধীনতার জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্র তৈরি করেছেন, তবে বাংলাদেশেল স্বাধীনতাকে যৌক্তিক পর্যায়ে উপনিত করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে- বঙ্গবন্ধুকে অবতারত্ব বা ঈশ্বরত্ব আরোপ করতে হবে। বঙ্গবন্ধু কখনই ঈশ্বর বা ঈশ্বরের অবতার ছিলেন না।'
এ প্রসঙ্গে ড. পিয়াস করিম তিনি বলেন, পৃথিবীতে এমন কোনো রাজনৈতিক নেতা নেই যার জীবনে ব্যর্থতা নেই। তবে ব্যর্থতা এবং সফলতার সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা কিছুটা ভিন্ন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ হতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আকাশচুম্বী সফলতা থাকলেও ব্যর্থতার সংখ্যা কম নয়। বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি ছিল সফলতা ও ব্যর্থতা মিশ্রিত। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে ১৯৭২-৭৩-৭৪ এবং ৭৫ এ বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে রক্ষীবাহিনী স্থান পেয়েছে। দুর্ভিক্ষ, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, বাকশালসহ নানা অসিহংসতায় তৎকালীন বাংলাদেশ জর্জরিত ছিল এবং এসবের পেছনে বঙ্গবন্ধুর যেমনটি ঠিক তেমনি দল হিসেবে আওয়ামী লীগেরও অংশীদারিত্ব রয়েছে। রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে বঙ্গবন্ধুর সফলতা এবং ব্যর্থতা পরস্পর সমান্তরাল।
খালেদ মুহিউদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরো উ্পস্থিত ছিলেন যমুনা টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু আলম মো. শহীদ খান এবং এবিসি রেডিও এর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা সানাউল্লাহ লাবলু।
এখন কথা হচ্ছে, বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতির অহঙ্কার। উনাকে নিয়ে যখন-যখন, যেই কেউ কথা বলা কতটা উচিত?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



