একবিংশ শতাব্দির কথোপকথন
হাসান মনজু~~~~~~~~~~~~~
নন্দিনী এখন সুখের প্রাসাদে বন্দিনী
শ্বেত পাথরে পা
সোনার পালঙ্কে গা
কোনো এক অক্টোবরের ঘূর্ণিঝড়
উড়িয়ে নিয়ে গেছে শুভঙ্করের বাড়িঘর
এখন দুই মেরুতে পরস্পর
আজো মনে যেনো টিনএজার
নন্দিনী শুভঙ্কর
প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় ইনবক্স চলে
তবুও টেলিফোন চিঠিও কথা বলে
ভ্রমনের গতিপথ জেনে পথের ধারে
কখনো দেখা হয় খেয়া পারাপারে
সতীর্থের দৃষ্টি এড়িয়ে এখন তখন
পৃথিবীর কোনো কার্ডিওলজিষ্ট
বুঝতে পারেনা তাদের
অস্বাভাবিক হৃদস্পন্দন
পর্ব : এক
নন্দিনী,বহুদিন পর দূর থেকে তোমাকে দেখলাম
--কাছে আসোনি কেন ?
কাছে আসার বাহানা খুঁজছিলাম
-খুঁজে পেলে ?
খুঁজতে খুঁজতে সময় তোমায় নিয়ে পালালো
বোকা আমি,বুঝতেই পারিনি কখন বুকে ছুরি চালালো
তোমার রূপে মশগুল ছিলাম
-তারপর
তারপর কি,হিতাহিত জ্ঞান হারালাম দেখে
সে তোমার চোখে
কি দেখলে প্লিজ বলো
রোগা হয়ে অনেক সুন্দর হয়েছো
ঠিক যেন সেরকমই রয়েছো
আয়না কিন্তু অন্য কথা বলে
আয়নার কথায় কান দিওনা
ওসব এখন বড্ড সেকেলে
মায়া ভরা দু' টি চোখ
ভ্রু ধনুকের মত বাঁকা
যেন ঈশ্বরের নিপুন হাতে আঁকা
কপালে ছোট্ট লাল টিপ,ভ্রুর মাঝখানে ভাসছে
টিপে ভোরের সুর্য সুখের আভায় হাসছে
-কাছে আসোনি কেন ?
ভাবছিলাম
-কি ?
তোমাকে
-ইশ! কোনোদিন দেখোনি যেন
কপালের প্রান্তরেখায়,অবাধ্য চুল চুর্ণ
প্রভু পৃথিবী এত সুন্দর,তোমার আয়োজন এত পূর্ণ
চলবে~~~~~

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




