জিম করবেট সম্পর্কে আমি প্রথম জানি কাজি আনোয়ার হোসেন একটা লেখায়।সেখানে তিনি করবেট কে শ্রেষ্ঠ শিকারি না বলে বোলেছিলেন শিকারিদের মদ্ধে শ্র্রেষ্ঠ লেখক,তবে করবেটের আসল কৃতিত্ব সংরক্ষনবাদী হিসাবে এবং অবশ্যই বিশ্বের কুখ্যাত কয়েকটি মানুষ খেকোর শিকারি হিসেবে,বিশ্বের সবচেয়ে কুখ্যাত ৫টা মানুষখেকোর ২টাই মারা পরেছে করবেটের হাতে।তার শিকার করা চম্পাবটের বাঘিনি,রুদ্রপ্রয়াগ এবং পানারের চিতা মিলে হাজারের উপর মানুষ মেরেছিলো
![]()
।করবেট সম্পর্কে জানার আগ্রহ পেয়ে বসলো নিলক্ষেেটে খুজতে খুজতে করবেট সমগ্র ও পেয়ে গেলাম,সেগুলো ছিলো ম্যানইটারস অফ কুমায়ুন,লেপারড অফ রুদ্রপ্রয়াগ,জাংগাল লোর,মাই ইণ্ডিয়া প্রভিতি বই গুলোর বাংলা অনুবাদ,এর পর রহস্য পএিকায় করবেট কে নিয়ে আরো একটা লেখা পরলাম,জানলাম তার সম্পর্কে,তিনি আমার শ্রদ্ধা আদায় করে নিলেন,প্রায় সারা জীবন তিনি কাটিয়েছেন হিমালায়ের কোলে ছোট্ট গ্রাম নৈনিতালে এবং সারা জীবনে শিকার করেছেন মাএ ১৮/২০ টি বাঘ,আসলে তিনি শুধু মানুষ খেকো,বা গোরু ছাগল খেয়ে মানুশের ক্ষতি করা বাঘ মারতেন এবং এখানেই অন্যান্য শিকারিদের সাথে তার পার্থক্য,যেমন আফ্রিকার আরেক বিখ্যাতো শিকারি জন হাণট,একবার তার দিকে ধেয়ে আসা এক পাল হাতি একবারে মেরে সাফ করে দেয়ার পর স্থানীয় আদীবাসীরা প্রচুর মাংশো পেয়ে খুশির চোটে দিগম্বর হয়ে নাচানাচি শুরু করলে তিনি খুব অসন্তুষ্ট হন সেখানে করবেট রুদ্রপ্র্রয়াগের চিতা মারতে সময় নিয়েছিলেন ১২ মাস(মাঝে ৪ মাস মালেরিয়া হয়ে বিশ্রামে ছিলেন)চিন্তা ভাবনা হয়ে গেছিল ঔ চিতার মতই
করবেট আজীবন নিজে কে ভারতীয়ই ভাবতেন এবং ভারতীয় দের ভালোবাসতেন,আপনজনের মত সাহায্য করতেন দুস্থ দের,ভারতীয়রাও এই ভালোবাসা অনেক অংশেই ফিরিয়ে ,স্থানীয় দের মদ্ধে তিনি গোরা সাধু নামে পরিচিত ছিলেন,তার নামে একটা ন্যাশনাল পার্ক করা হয়েছে,তবে আমার মতে সংরক্ষন বাদি হিসেবেই তিনি আজীব বেঁচে থাকবেন প্রকৃতি প্রেমী মানুূষের মনে। বাঘের একটা প্রজাতি তার নামে নামকরন করা হয়েছে।
ব্রিটিশ সেনাবাহিনির এই কর্নেল জন্মগ্রহন করেছিলেন নৈনোটালে ১৮৭৫ শালে,মৃত্যু ১৯৫৫ শালে কেনিয়াতে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




