মানুষ মানুষে দল দলের খুত খুঁজে প্রতিহিংসার বশে একে অন্যের অমঙ্গল কামনা করে। মাঝে মাঝে প্রতিহিংসা এতো প্রকট হয় যে মানুষ মানুষকে গুম করে এমনকি খুনও করে। বিধির বিধান কি অপূর্ব বিধাতা কতই না মহান দয়াবান? প্রতিহিংসুক গুমকারী খুনি এবং ভাল মানুষ উভয়ের প্রয়োজনে সূর্যকে জ্বালিয়ে রাখে তার বান্দা (আমাদেরকে) আলো দান করার জন্য। বৃষ্টি ঝড়ায় বাতাস বহায়। দিনের সব ক্লান্তি দূর করতে রাতকে আরো নিকটে এনে দেয় উপযুক্ত উষ্ণতায়।
অথচ দয়াবান আল্লহর এই অপূর্ব নিয়ামতের কথা আমরা কি ভাবি? তিনি কি অকৃতজ্ঞ বান্দার উপর ক্ষোভ করে আলো বাতাস পানি কিংবা প্রবাহমান নদীকে থামিয়ে দেয়?
সর্বশক্তিমান আল্লাহ ইচ্ছে করলেই যা খুশি করতে পারেন কিন্তু তিনি চেয়ে আছেন তার সৃষ্ট বান্দার দিকে- কি করি আমরা। আসলে আমরা মূলত একটি ঘুড়ির মত। যতই উড়াউড়ি করি না কেন নাটাই কিন্তু একজনের হাতে। এক টানই যথেষ্ট, চলে যেতে পরপারে।
আমরা কেমন নির্বোধ অকৃতজ্ঞ বান্দা। মানুষ মানুষ আমরাই উভয়ই আল্লাহর সৃষ্টি তা জানা সত্যেও মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টি করি। হানাহানি মারা মারিতে মগ্ন থাকি। দিনের ক্ষণস্থায়ী ক্ষমতার মোহে যে অন্যায় করে যাচ্ছি আমরা কি বেঁচে যাবো ভাবি বিচার দিনে?
বিধাতার কি অপূর্ব কারুকাজ? কি অসাধারন গুন আমাদের আল্লাহর গুনা কিংবা পাপকার্যের কোন কমতি নাই তবুও তার কাছে ক্ষমা চাইলে এখনও মাফ করতেই পারেন। ক্ষমার ভান্ডার তিনি দানকারি দয়াবান ও মাফকারি।
প্রতিটি মানুষ এখই হিসেবে বসবে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে নতুন ন্যায়-নীতির আলোকে জীবন শুরু করবে এটাই প্রত্যাশা। জয় হোক মুসলমানদের জয় হোক। বাংলাদেশীর জয় হোক
আমিন
হাসান সাইদুল
২৬.০৮.২০১৫
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




