somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দৃষ্টি আকর্ষন : নিজ দায়িত্বে একটা গ্রুপ জয়েন করুন। এটা জরুরী।

৩১ শে অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার এর আগের পোস্টটা ছিল মিজানুর রহমানের পরিনতি নিয়ে। সে খবরটা পেপার থেকে না যেতেই চাঁপা রানীর মৃত্যু আমাদের ভীষণ একটা ধাক্কা দিয়ে গেল। আগের পোস্টে অনেকে বলেছিলেন যে এটা লেখার সময় না, এখন কিছু করার সময়। তাদের কথার সাথে সম্পূর্ণ একমত হয়ে একটা কার্যক্রম শুরু করার জন্য একটা গ্রুপ খোলা হয়েছে। ব্লগে তরুনদের একটা ছোট অংশ আছে। ফেইসবুক এমন একটা মাধ্যম যার মধ্য আমরা একটা ছোট্ট ভিডিও ১৫ মিনিটের মধ্য সারা এশিয়ায় ছড়িয়ে দিতে পারি (গুগল ইনফো)। সেজন্য কার্যকরী মাধ্যমটাকেই বেছে নিয়েছি। এখন কথার মানুষ না, বরং কাজের মানুষের প্রয়োজন। আর তার খোঁজেই এই পোস্টটা দিচ্ছি। আশা করি অনেকের অংশগ্রহণ আর মূল্যবান মতামতে গ্রুপটা তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে সফল হবে।

গ্রুপটা ASAP জয়েন করে নিজের গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিন আর বন্ধু বা ফ্যামিলির সবার মাধ্যমে ছড়িয়ে দিন।

গ্রুপ ডিটেইল:

পৃথিবীর প্রতিটা সংগ্রামের পেছনে ছিল দু'টা শক্ত অস্তিত্ব। সেই অস্তিত্ব দু'টা এক হলেই শুরু হয়েছে অবিচারের প্রতিরোধ।

১. অন্যায়-অত্যাচারে জর্জরিত হয়ে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় জন্মে ওঠা দাউদাউ ক্ষোভ

২. অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার আগুন-গরম একজোট তরুণ

এই ক্ষোভ আর একজোট হওয়া শক্তির সামনে এখন পর্যন্ত কোন অন্যায় টিকে থাকতে পারে নি। যতোক্ষণ এ দু'টা একজোট না হবে, ততোদিন অন্যায় তার শিকড় বিস্তার করে যাবে, সমাজে একটু একটু করে গেড়ে বসবে। আমরা তরুণরা এখন ঠিক তেমন ভয়ানক এক সময়ের সামনে পড়ে গেছি। আমাদের ওপর বিশাল একটা দায়িত্ব দিয়ে গেছেন দু'জন মানুষ, অথবা মানুষগুলোর মৃত্যু।

মিজানুর রহমান। চাঁপা রানী ভৌমিক। এমন দু'টা নাম আমাদের সামনে এসে আমাদের থমকে দিয়েছে। আরো অনেক এমন নাম আছে। হয়তো আমরা জানি না। কিছুদিনের জন্য "মানববন্ধন" বা "আমরণ অনশন" বা "বিচার চাই" ব্যানার দিয়ে হয়তো টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে আসা যায়; কিন্তু খবরের কাগজের প্রথম পাতা থেকে ঘটনা সরে যাওয়ার মতোই কবরচাপা পড়ে এসব প্রচেষ্টা। আমাদের গ্রুপটার প্রতিটা সদস্যের হতে হবে প্রচণ্ড উৎসর্গিত, প্রাণবন্ত আর চিন্তাশীল। প্রথমেই আমরা যতো বেশি সম্ভব ততো মানুষ জোগাড় করে এক্সেমপ্লারি নাম্বারের মানুষ একজোট করবো। তারপর, গ্রুপ ডিসকাশন আর সেখানে ব্রেইন স্টর্মিং সেশন হবে। সেখানে আমরা আমাদের রাগ-ক্ষোভ জড়ো করবো। আর সেটাকে শক্তি বানিয়ে ইভ টিজিং রোধে সবচেয়ে কার্যকরী কোন পথ বের করবো। সবচেয়ে কার্যকরী আইডিয়াটাকে আমরা কার্যক্রমে পাল্টে দিবো। এটাকে সবার চ্যালেঞ্জের মতো নিতে হবে। পুরো ব্যপারটার বাস্তবায়ন করতে প্রচন্ড ডেডিকেশন, ভলান্টারী উইল আর শক্ত মন প্রয়োজন। কারন প্রতিটা বিষয় সহ্যর সীমা আছে। দু'টা মানুষের ভয়ানক মৃত্যু দিয়ে সেই সীমা অনেক আগেই পার হয়ে গেছে।

যারা আমাদের গ্রুপটাকে এড়িয়ে যাচ্ছেন তাদের বলি, "আর কতোগুলো মৃত্যু প্রয়োজন আমাদের একজোট হওয়ার জন্য? এতো কেন ভাবছেন? আপনার মা মারা গেলে ভাবতে বসতে পারতেন, না সাথে সাথেই প্রতিশোধে নামতেন? যারা আজকে তরুণ তাদেরও একসময় একটা মেয়ে থাকবে। তার ভবিষ্যৎ কি নিশ্চিৎ হওয়া উচিত না?? আরে সবাই বন্ধ করো লোক দেখানো মানববন্ধন আর ফাঁপা বিচার চাওয়া। বহু হাইপোক্রেসি হয়ে গেছে। এখন স্রেফ আদিম হয়ে যাও। আদিম মানুষ নিজেদের পশু থেকে বাঁচাতে ধারালো বল্লম-বর্শা বানিয়ে নিয়েছিল। আজকের প্রতিটা টিজড্‌ মেয়ের হাতে বল্লম উঠে যাক। আইনের নেত্রীর চোখ যেমন কালো কাপড়ে বাঁধা, হাত-পাও তেমনি পাথর-অচল। সে তেমন কিছু বাধা দিতে পারবে না, কোন বিচারও করতে পারবে না। তার আশায় থেকে লাভ নাই কিছু। এখন যা করার সেটা আমাদের করতে হবে। মেয়েগুলো জ্বলে উঠুক, আর তাদের পাশে সুস্থ মনের ছেলেগুলো ঢাল হয়ে দাঁড়াক, তারপর দেখি কিভাবে একজন মা বা একজন শিক্ষক মারা যায়!"

ব্যাক্তিগত বিরোধ, রাগ, অভিমান সব ভুলে তরুনেরা একজোট হও। সব বন্ধুদের গ্রুপ ইনভাইটেশন পাঠাও। আমরা আমাদের সবটুকু দিয়ে কেন একটা ছোট্ট সামাজিক অন্যায় রোধ করতে পারবো না?

গ্রুপটার জন্য কিছু নিয়ম আছে যেগুলো বাংলাদেশ সরকারের তৈরী আইনের মতো নড়বড়ে হবে না। প্রত্যেকের সেগুলো মেনে চলা আবশ্যক।

১. কোন ধর্ম বা ডিসক্রিমিনেশন নিয়ে মেম্বারদের নিজেদের মধ্যে কুতর্ক বা মকিং চলবে না। কারো মতামতের বিরুদ্ধে কিছু বলার থাকলে সেটা সুস্থ আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাধান হবে। আমরা প্রতিটা মানুষ একেকটা ধ্যান-ধারনায় বিশ্বাসী বা অবিশ্বাসী, মতের অমিল হওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু একটা বড় উদ্দেশ্যে আমরা এখানে গ্রুপটায় আছি যেখানে সবার গোল হবে ইভ টিজিং প্রতিরোধ করা। এক্ষেত্রে একচোখা কোন মতামত-ই গ্রহনযোগ্য হবে না। তবে সেটা নিয়ে মকিং-টা আমাদের গোলটাকে হালকা করে দেয়। সেটাও বুঝতে হবে। এ ধরনের ইনটেনশনের যে কাউকে তৎক্ষনাৎ গ্রুপ এ্যাডমিন রিমুভ করতে পারবেন।

২. টপিকের বাইরে একেবারেই কিছু পোস্ট বা আলোচনা করা যাবে না।

৩. সবার অনুমোদনে যেই প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেয়া হবে সেটাই কার্যক্রমে বদলে দেয়া হবে।

HEY YOUTH PEOPLE... LET'S GET UNITED... THIS IS THE TIME TO PROVE OURSELVES... JOIN YOUR HANDS... "STOP EVE TEASING! RIGHT NOW!!!"... THIS IS THE VOICE OF BANGLADESH YOUTH JOINT... WHICH IS IMPOSSIBLE TO RUIN!

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৭
১০টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×