আমি পুরুষ, আমিও মানুষ। আমি একদিকে নাতাশাকে যেমন ভালবাসি অন্য দিকে আমি প্রস্তুতি নেই সংসারের ঘানি নিজের কাঁধে তুলে নেউয়ার জন্য।
যখন আমি নাতাশার প্রেমিক, তখন আমি ওর বিরহে নিজেকে বিলিন করে দিতে চাই... নিজের অস্তিত্ব মুছে ফেলতে চাই এই নিষ্ঠুর দুনিয়া থেকে। ওর জন্যে কান্না আসে, চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। নিজেকে বড্ড অসহায় মনে হয়। কিন্তু আমি পুরুষ বলে কাদতেও পারি না, কান্নাটাকে বুকে জমা রাখি, দুঃখ গুলো আরো ভারি হয়ে উঠে চাপা কান্নার ভারে।
আবার যেহেতু আমি পুরুষ, সেহেতু আমাকে আমার পরিবারের কথা চিন্তা করতে হয়, চিন্তা করতে হয় সমাজের কথা, দেশের কথা। তখন আমি আবার অন্য আমি হয়ে যাই। নিজেকে হাসাই, অপরের সাথে পরিচিত হই, অন্যকে হাসাই, বেঁচে থাকার প্রেরণা যোগাই।
তবুও এই সব কিছুর মাঝে তৃষ্ণাক্ত চোখ দুটো নাতাশাকে একপল দেখার জন্য খুঁজে ফিরে এই কোটি মানুষের মাঝে। ভিড়ের মাঝে নাতাশাকেই খুঁজি, যদি দেখা পাই একবার। এভাবে প্রতিদিন আশাহত হই আমি। হয়ে ফিরে আসি আমার ঘরে।
আবার কিছুক্ষন আমি অন্য আমি হয়ে মিশে যাই সবার মাঝে।
কিন্তু সেই রাত আমাকে আবার নাতাশার প্রেমিক করে তোলে। আমি আবার হয়ে উঠি নাতাশার দুর্নিবার প্রেমিক। আবার ওকে দেখার জন্য সাত সমুদ্র তের নদী পারি দেউয়ার চিন্তা করি। কিন্তু আবার আশাহত হই।
তাই নাতাশার ওই মায়াবী চোখ দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পরি।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




