মায়াস্রোতে
প্রহেলিকার প্রাকার থেকে পাথরের কান্না শোনা যায়।
হৃৎপিণ্ডে খচিত অক্ষরগুলি মহাকাল গহ্বরে আর্তনাদ করে,
নক্ষত্রেরা কথা কয় পৃথিবীর কানে কানে,
নিঃসঙ্গ বুকের 'পর বয়ে যাওয়া নিশীথের ঝড়ো হাওয়া
প্রশ্ন করে ,'সেখানে কে কারে ভালবাসে'
একটি কলম,এক টুকরো কাগজ,একটি আবেগ
এই নিয়ে জীবন ভেসে যায়
জাগতিক পৃথিবী ছেড়ে দূরে বহুদূরে।
মেঘে ঢাকা চাঁদের মত রহস্য-মুখেরা সব
দাঁড়ায় একে একে।
কত শত হাত ছুঁয়ে
হৃদয়ের গন্ধ শুঁকে শুঁকে
তন্ন তন্ন করে খুঁজে ফেরে
আদিম অন্ধকার প্রশ্নের উত্তর।
নিজ নিজ সূত্রে গড়ে নিজস্ব উত্তর।
দূর পাহাড়ের গায়ে জন্ম নেয়া বুনো ফুল
দুর্ধর্ষ পথিকের পদধ্বনি শোনে নিশ্চুপ।
সংখ্যাতীত স্বপ্নে বোনা বিভোর দৃষ্টি
হারিয়ে যায়, মিশে যায় নিঝুম অরণ্যে
নির্বাসিত কুয়াশাদ্বীপে।
বেঁচে থাকার তীব্র বেদনার কাছে
সময়-সূর্য জানায় এসে,
'একদিন সব সয়ে যায়'
পাথরের শরীর বেয়ে মায়ার স্রোত নেমে আসে।
খুব জানতে ইচ্ছে করে-
এক হৃদয়ে কতখানি ভালবাসা ধরে'
ভায়োলিনের সুর মিশে যায়
ভেসে যায় পাথরের মায়াস্রোতে।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



