পাপিষ্ঠার মর্মমূলের অসহায় ,গোপন অশ্লীল বেদনার সাথে কথা হল গতকাল মধ্যরাতে.......
তখোন একটি চন্দ্রাংশ কালো নদীতে স্হির অবগাহনে নিমজ্জিত।
খুব বেশী কুৎসিত নোংরা অনুভূতির মাঝখান দিয়ে যেতে যেতে
হঠাৎ অদ্ভুত এক নিঃশ্বাসে থমকে দাঁড়িয়ে গেলাম চলৎশক্তিহীন।
পঙ্গুর মতো মনে হল কিছুক্ষণ।
প্রায়শ্চিত্ত শুরু হোলো বুঝি-
পৃথিবী ঘোরেনা তখন
গতি শক্তির নির্বাসনে স্থির
নিষ্কম্প চাহনি-একটি পলক ও পড়ে না তখন।
সর্বত্র অবরোধ।
রুদ্ধ সময়ে রুদ্ধতর জীবনে রুদ্ধতম সে।
'পালাতে চাই
পালাতে চাই-'
ঐ অংশের অংশটুকু ছিনিয়ে এনে শুদ্ধ হতে চাই।
অর্ধতরল হৃৎপিন্ডের মাঝে স্হান আমি তাকে দেব।
বুক চীরে একখন্ড হাড় এনে রেখে দেব পৃথিবীর শেষ সময় পর্যন্ত!!!!
কথাগুলো শেষ হয়না
বিচ্ছিন্ন এলোমেলো বোধ ভাসিয়ে নিয়ে যায়-
গভীর থেকে গভীরতায় তলিয়ে যাই।
মস্তিষ্কের মাঝখানের চিনচিনে ব্যথাটুকু মুক্তি দেয়না কখনো-
উত্তপ্ত বিবেক সমান তালে দগ্ধ করে।
নিরেট বাস্তবতার সাথে না পেরে
তখন সব অসহায়তা অশ্রু হয়ে পড়ে।
সমাপ্তির প্রার্থনা করে।
পরবর্তী রূপালি পর্দার অন্তরালে রচিত হয় আরো এক নতুন বিস্ময়......।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



