somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

@মনীষী সিনড্রোম: আমার প্রথম টেলিফিল্ম অথবা একটি পরিশুদ্ধ স্বপ্নবয়ান

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আগামীকাল থেকে একটি টেলিফিল্মের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে, নাম @মনীষী সিনড্রোম। এর মূলভাব নেয়া হয়েছে অনেকদিন আগে লেখা একটা গল্প থেকে। এখনো পর্যন্ত কাজ হবে ৭, ৮ এবং ১১-ই সেপ্টেম্বর। কলাকুশলী সবাই বুয়েটিয়ান, সুতরাং এটি একটি ‘অল বুয়েট কম্বিনেশন’ বললেও অত্যুক্তি হবেনা। কাল কাজ শুরু করার ঠিক আগের এই মুহূর্তটিতে মনে পড়ে যাচ্ছে বহুবিধ ঘটনাবলী; বলা যেতে পারে নাটকের ভেতরে আরেকটি নাটক। যাইহোক, জীবনের কোন অভিজ্ঞতাই মূল্যহীন নয়।

সূত্রপাত:
মাঝে মাঝে আমার মধ্যেও অদ্ভুত কিছু খেয়াল ভর করে, মানবীয় রীতি অনুসারে। এই টেলিফিল্ম প্রোজেক্টটাও তেমন ধরা যায়। মে থেকে জুন মাসের এই দীর্ঘ সময়টাতে ব্লগে আমার অনুপস্থিতির কারণও এটি; এই সমযের মধ্যে আমার বেশ কয়েকটা পুরনো গল্পকে নাট্যরূপ দিয়ে ফেলি, তারই একটি এই @মনীষী সিনড্রোম।
আরও বেশ কয়েকটা নাটক লিখলেও এটাকেই নির্বাচনের কারণ, স্ক্রিপ্টের অভিনয়োপযোগিতা। আমাদের কেউই যেহেতু পেশাদার অভিনয়শিল্পী নয়, তাই অপেক্ষাকৃত কঠিন প্লটের নাটকে অভিনয়ের দুর্বলতাটা প্রকট হওয়ার ঝুঁকিটা থেকেই যায়।
সেদিনের সেই আকস্মিক খেয়ালটাই পরবর্তীতে সিরিয়াস বিষয় হযে উঠে। পরিচিতজনদের সঙ্গে আলোচনার পর তাদের পক্ষ থেকেও অপ্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া যায়। সেইসব সাড়ার সমষ্টিই একত্রে মনীষী সিনড্রোম গড়ে তুলেছে।

অভিজ্ঞতা : ইতিবাচক/ নেতিবাচক

শুরুতেই বলেছি, কাজটি শুরুর আগেই এমন সব অদ্ভুত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছি যে, চাইলে এগুলো দিয়েই একটা নতুন গল্প অথবা নাটক তৈরি করা সম্ভব। ফোনে কথা বলাটা আমার অন্যতম অপছন্দের কাজ, কিন্তু এই উপলক্ষে গত কয়েক সপ্তাহ যাবৎ মোটামুটি ফোনের সঙ্গেই সময কাটছে। কখনো বন্ধু, কখনো সিনিয়র, কখনো ক্যামেরাম্যান, সার্বক্ষণিক যোগাযোগটা চলছেই। এতে একটা লাভ অবশ্য হযেছে অল্প হলেও; আমার কিছুটা কথা বলার অভ্যাস গড়ে উঠেছে( এটা আমার ক্ষেত্রে বিরলপ্রায়)। নিজের লেখা গল্পকে চোখের সামনে চলতে দেখার অভিজ্ঞতাটাও সম্পূর্ণ নতুন।

অনেক নেতিবাচক অভিজ্ঞতাও হয়েছে, বিশেষত তহবিল সংগ্রহ করতে গিয়ে। এমনিতে ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প চললেও নাটকের বাজেটের প্রেক্ষাপটে সেটা অপ্রতুলই; তাই লোয়ার লিমিট-আপার লিমিট প্রকল্প চালু করি। লোয়ার লিমিট ৫০০ টাকা- আপার লিমিট ১০০০টাকা, এই শর্তটা শুধুমাত্র সিনিয়রদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল। তবে, এই প্রকল্পে হতাশার পাল্লাটাই ভারি ছিল- মাত্র ২জন সিনিয়র ভাইয়ের কাছে আশাব্যঞ্জক সাড়া পেয়েছি, বাকিরা পুরো প্রকল্পটিকেই হাস্যকর ভেবে রসিকতা করেছে। তবে, সেই একই সিনিয়ররাই ৫০০-৭০০ টাকা খরচ করে স্টারে খাওয়াতে নিয়ে গেছে ফিরতি সপ্তাহেই; মানুষের এই ব্যাপারটি সত্যিই অদ্ভুত- খেতে চাইলে যত ইচ্ছা খাও, কিন্তু সমমূল্যের নগদ অর্থ চাইলেই গোমড়া মুখ দেখতে হয়, সত্যিই আশ্চর্যজনক! অধিকাংশই এধরনের কাজকে নিরুৎসাহিত করেন। ‘ধুরো, এইসব নাটক-টেলিফিল্ম বানিয়ে লাভটা কি। এটা কি কোন টিভিতে যাবে?’- বক্তব্যটা অনেকাংশেই এরকম। আমার আপত্তির জায়গাটাও এখানে, আরে টেলিভিশনে দেখানোর জন্য হলে তো জাহিদ হাসান, জয়া, বিন্দু, মম , মোশাররফ অভিনয় করত, আমাদের মত শৌখিন মানুষরা দর্শক থাকত। নিজেরা একটা কাজ করছি মনের আনন্দে, এর মধ্যে ‘টেলিভিশন পোকা’ ঢুকানোটা নিতান্তই অপপ্রয়াস। কোন চ্যানেলের দযা হলে দেখাবে, নইলে নাই, এটা নিয়ে এত চিন্তিত হওয়ার কী আছে। আমার এধরনের জবাব শুনে অনেকেই আমাকে ‘উদ্ভট’ বলেছে যথারীতি, অনেকের সঙ্গে মনোমালিন্যও হয়েছে। তবুও উদ্যম হারানোর মত কিছু কখনোই ঘটেনি।
লোয়ার লিমিট-আপার লিমিট প্রকল্প ব্যর্থ হলে, ‘সহজ শর্তে ঋণ’ প্রকল্প নিয়েছিলাম, একেকজনের কাছ থেকে একটা নির্দিষ্ট এমাউন্টের টাকা ১ বা দেড় বছরের জন্য ঋণ, এবং মোট টাকাকে সময় দিয়ে ভাগ করলে যে টাকাটা আসে সেটাই প্রতিমাসে শোধ দিতে হবে; এতে অবশ্র চাপটা বেশ কম পড়ে এবং সাড়াও বেশ উৎসাহসূচক। তবে এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে আমার নন-ডিপার্টমেন্টাল বন্ধু সোহেল। ওর কাছে কৃতজ্ঞতার পরিমাণটা আসলে এতই বেশি যে, তা উল্লেক না করলে অন্যায় হয়ে যাবে। আর অতি অবশ্যই আমার স্কুলের বন্ধুরা, যারা নিজেরা চাঁদা তুলে আমাদের কাজে সাহায্য করেছে; শুধুই বন্ধুত্বের গভীরতায়, কোন প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে নয়।

নেতিবাচক অভিজ্ঞতাটা বোধহয় বেশি লিখে ফেললাম, আসলে যে বলয়ের প্রাধান্য থাকে একটা কাজে লেখার সময় সেটার প্রভাব পড়বেই। তবে সব নেতিবাচকতাকে জাস্ট তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছে আমাদের আজকের সারা দিনকার রিহার্সেল সেশন। সিনিয়র-জুনিয়র সীমানা ভেঙ্গে আজ সবাই অভিনযশিল্পী হয়ে উঠেছিল, আর পরস্পরকে নাজেহাল করার কাজটা তো চলছিলই। যেমন, সঙ্গীতা আপু সারাক্ষণ আমাকে ‘ডিরেক্টর’ সাহেব বলে বলে প্রায় কাঁদিয়ে ছেড়েছেন। যতই বলি ‘এই টেলিফিল্মের কোন অফিসিয়াল ডিরেক্টর নেই, পুরোটাই টিম ওয়ার্ক’, তার বলার মাত্রাটা বেড়েই যায়। জুনিয়র মেহেদী, নাজিব, নাঈম, ফারুক , এরা আছে ডিরেক্টরের চরিত্র বিশ্লেষণে- নারী অভিনেত্রীদের প্রতি তার বিশেষ পক্ষপাত দেখা যাচ্ছে কিনা, সেসময় মুখটা বেশিই হাস্যোজ্জ্বল কিনা, সহ বহুবিধ গবেষণা। বন্ধু ইমু ২৪ ঘণ্টা একটানা রসিকতা করার ক্ষমতা রাখে, ব্যস সারা দুপুরটাই সে মাতিয়ে রেখেছিল। নাটকে আমি নাকি তাকে ইচ্ছা করে বিভিন্ন দৃশ্যে অপদস্থ করেছি, এর শোধ সে কাজ শেষে তুলবে। আরও রাগের কারণ হচ্ছে, এতদিন কষ্ট করে রাখা দাড়িটা নাটক উপলক্ষে আজ শেভ করতে হচ্ছে। এজন্যও আমাকে আগাম হুমকি দিয়ে রেখেছে।
শেষ মুহূর্তে এসে একজন অভিনেত্রী জন্ডিসে আক্রান্ত হওয়ায় মহা ফ্যাসাদে পড়ে গিয়েছিলাম, পরিচিতমহলে কাউকেই বাদ রাখিনি, কিন্তু সব জায়গায় ‘নো ভ্যাকান্সি’। গতকাল সারাদিন এভাবেই কেটেছে, এরপর সন্ধ্যায় আচমকাই ডিপার্টমেন্টের আরেক জুনিয়রকে পাওযা যায়। এছাড়া মা-বাবা চরিত্র নিয়ে সমস্যা সেই শুরু থেকেই ছিল ; ব্লগার লীনা ফেরদৌস, আরিফ জেবতিক থেকে শুরু করে এ.টি.এম মোস্তফা কামালসহ অনেকেই বলেছিলাম, কিন্তু অত্যধিক ব্যস্ততার কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও শেষতক তারা আমাদের সঙ্গ দিতে পারেননি। তবুও খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে এসে পাওয়া গেছে কাঙ্ক্ষিত মা-বাবা; আহ, বাঁচা গেল।
ক্যামেরা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়ে খুব একটা সমস্যা পোহাতে হয়নি। এজন্য মিডিয়ার রাহাদ ভাইয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতেই হবে।
নাটকের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র চুন্নুভাই অফিস শেষে সরাসরি আমার রুমে চলে এসেছিলেন, এরপর দীর্ঘক্ষণ রুমেই রিহার্সেল হল। ইনি আরে মহারসিক মানুষ; যতক্ষণ থাকেন, দুষ্টুমি আর থামেনা। আমাকে উনি একটা বিশেষ নামে সম্বোধস করেন যত্রতত্র, আপাতত সেটা অনুল্লেখিতই থাকুক।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:
আগেই বলেছি এই নাটক নিয়ে বিশেষ কোন পরিকল্পনা নেই; ইচ্ছা হল, তাই কাজটা করছি। মেকিংয়ের প্রতি আমার দুর্বলতাটা সবসমযকার। তাই কয়েক স্বপ্নবাজ তরুণ-তরুণীর একটা স্বপ্ন বুনন হল, এই যা। চ্যানেলে প্রচারিত হলে , বাড়তি পাওনা। এটা নিয়ে তেমন কোন মাথাব্যথা নেই। এতদিন ধরে সবাই মজা করেছি, আগামী ৩দিন করবো, এটুকুই যথেষ্ট। পরিণতির ভয় আমি করিনা, সেকেন্ড ইয়ারে অনুবাদের সেই নিমৃম অভিজ্ঞতার পর এখন যেকোন কিছুকেই পজিটিভলি ভাবতে পারি। বাড়তি উচ্ছ্বাস বা প্রত্যাশা কোনটাই সেভাবে তাড়িত করেনা, আর সেজন্য অতিমাত্রায় বৈষয়িক ভাবনাও ভাবতে পারিনা।

আজ একটা অসাধারণ দিন কাটল আমাদের। আজকের দিনের কয়েকটা উল্লেখযোগ্য ছবি সবার সঙ্গে শেয়ার করছি।






আমাদের কাজ চলবে ৭,৮ ও ১১ই সেপ্টেম্বর। বেশিরভাগ শুটিং বুয়েটের বিভিন্ন লোকেশনে হবে(৮ তারিখ বাদে) । ব্যস্ততা কম থাকলে চলে আসতে পারেন যে কেউ, সবাইকে সাদর আমন্ত্রণ।
ওহহো বলা হয়নি, আমাদের টেলিফিল্মে বিশেষ অতিথি চরিত্রে অভিনয়ে সম্মত হয়েছেন বিশিষ্ট ব্লগার রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত।

ধন্যবাদ।।

বি:দ্রঃ আজ সারাদিন নেটের লাইন নেই আমার হলে। তাই মুক্তবয়ানের পিসিতে বসে এই পোস্টটা দিলাম সে হিসেবে একটা অতিরিক্ত ধন্রবাদ ওর প্রাপ‌্য।
৪০টি মন্তব্য ৩৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×