somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমাদের প্রেগন্যান্ট মায়েরা

০৩ রা নভেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার জানামতে উন্নত বিশ্বে প্রেগন্যান্ট মা কে সবসময় আলাদা এবং সুপার স্পেশালভাবে দেখা হয়, বলতে গেলে সর্বদা অগ্রাধিকার দেয়া হয়। পরিবারে ডাক্তার দেখানোর ক্ষেত্রে, খাওয়া দাওয়ার ক্ষেত্রে তো বটেই সাথে স্পেশাল যত্নআত্তি তো আছেই। কারনটাও স্বাভাবিক, একই সাথে দুটো মানুষের যত্ন সাথে আবার নতুন মানুষেএ আগমন মানেই নতুন স্বপ্ন বুনন।

ও তো গেলো উন্নত বিশ্বের কথা, এবার একটু এদিকে আসি, মানে আমাদের উপমহাদেশের দিকে। এখানে পড়ুয়া থাকা অবস্থায় প্রেগন্যান্ট হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কথা শোনানোর লোকের অভাব হয় না। ব্যাপারটা এমন যে, যিনি বলেন তিনাকে বোধহয় "কেউ টুপ করে উপর থেকে ফেলছিলেন, আর উনার বাবা মা ধুপ করে ধরে ফেলছিলেন কিংবা উনার বংশে কেউ কখনো প্রেগন্যান্ট হন নাই। আর যতটা না প্রেগন্যান্সির চিন্তা, তার চেয়ে বেশি চিন্তা "ছেলে হবে নাকি মেয়ে", ছেলের আশায় আশায় বছর বছর ২ টা, ৩ টা, ৪ টা করে মেয়ে হয়েই যাচ্ছে, সেদিকে বিন্দু মাত্র খেয়াল নেই। হয় ছেলে হবে, অথবা আরেকটা হবে, অথবা আরেকটা বিয়ে করে আনবো। আমার দেখামতে একজন যথেষ্ট শিক্ষিত কাকু আছেন যিনার দুই বউ এর ৭ টা মেয়ে। তার হিসেবে বংশের প্রদীপ জ্বলে নাই। কিন্তু আমার হিসেবে তার বংশের প্রদীপ অন্য বংশেও আলো ছড়াচ্ছে। চেঞ্জ টা আগে মানসিকতায় দরকার....

বোটানিতে মাস্টার্স পড়ুয়া এবং একই সাথে একটা কলেজে পার্টটাইম লেকচারার হিসেবে কর্মরত আমার পরিচিত একজন আপু অনার্সের 1st year ফাইনাল পরীক্ষা দেবার সময় প্রেগন্যান্ট ছিলেন বলে তার ডিপার্টমেন্ট হেড তাকে যেসব কথা শুনাইছিলেন তা এখানে লেখা সম্ভব নয়। নিচের লেখাটা আর ছবিটা দেখার পর আজকে তাকে মনে করে আবার ফোনে কথা বললাম, ভাগ্নেও এখন স্কুলে যাওয়ার জন্য রেডি। লেখাটা এবং ছবিটা হুবহু নিচে তুলে দিলাম....

"আমাদের মানসিকতায় যদি শুধুমাত্র এটুকু চেঞ্জ আসে, তাহলেই না জানি কত পরিবর্তন হয়।

"সাংগঠনিক আচরনের উপর মাস্টার্সের ক্লাস নিচ্ছিলেন Professor Sydney Engelberg তখন ক্লাসের এক ছাত্রী মায়ের শিশু সন্তান কান্না করতে শুরু করে। বিব্রত মা সন্তানকে নিয়ে বেরিয়ে যেতে চাইলে প্রোফেসর Sydney Engelberg শিশু সন্তানটিকে নিজের কোলে নিয়ে শান্ত করেন এবং ক্লাস চালিয়ে নেন।"

এই প্রফেসরের ক্লাসে যে কোন ছাত্রী তার সন্তান নিয়ে ক্লাস করতে পারে। এমন কি ক্লাস করার সময় ব্রেস্টফিডিংও করতে পারে। কারন তিনি মনে করেন, পৃথিবীর কোন মা কে সন্তান এবং লেখাপড়ার মাঝে কোন একটিকে বেছে নেয়ার প্রয়োজন নেই।
পৃথিবীতে এমন পুরুষ আছে বলেই মাঝে মাঝে নিজেকে পুরুষ বলতে লজ্জা লাগে না, গর্ব হয়....

ফেবুর পোষ্ট
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা নভেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৩৫
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রতি বছর জুলাই আসলেই কি কাউয়া ক্যাচাল লাগতে হবে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:৫০


জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা ভয়ংকর

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯



বাঙালির উদরঘাটতি থাকলেও উৎসবে সদা মশগুল!
দ্যাশ নতুন কইরা স্বাধীন হইছে গো!
রঙবেরঙে পতাকায় বিলুপ্ত স্বজাতির মানচিত্র!

শুধু পতাকায় সীমাবদ্ধ নেই!
মনে হচ্ছে পাল্টে গেছে জাতীয়তা!
মধ্যরাতে ভেঙে যায় সুনিদ্রা কর্কশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:০১


জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

আমাদের দৃষ্টিতে, তথাকথিত "জুলাই" বাংলাদেশের জন্য কোনো গৌরবের অধ্যায় নয়; বরং এটি জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা, অর্থনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাপান যেভাবে মাত্র ৭ বছরে অর্থনৈতিক পরাশক্তিতে পরিণত হয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭



জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাংগুক অচলায়তন

লিখেছেন মাসুদ রানা শাহীন, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৯


ভয় পাবেন না
আশার পিদিম জ্বালিয়ে রাখুন
প্রাণের ধুকপুকি জাগিয়ে রাখুন
হেরে যাবেন না।

ঘাবড়াবেন না
নতুন স্বর ও সাহসী উচ্চারণে অনবদ্য হোন
ক্ষুরধার সৃষ্টির ঔজ্জ্বল্যে উদ্ভাসিত হোন
থামবেন না।

নগদমূল্যে বিকোবেন না
ক্লান্ত শিরায় নতুন রক্ত বইয়ে দিন
তাতিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×