somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মন থেকে ধন্যবাদ দিতে পারলাম না বলে দুঃখিত.....

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৫ ভোর ৫:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

না,আমি কোন রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত নই।আবার হয়তো কোন ভাবে যুক্ত।কারন আমি কাউকে না কাউকে ভোট তো দিয়েছি।তাকে হয়তো আমার চোঁখে যোগ্য ও মনে হয়েছিল।এবং তিনি কোন না কোন দলের সাথে যুক্ত ও ছিলেন।সেই হিসেবে মতে,একদিনের জন্য হলে ও আমি সে দলের লোক।
রাজনের হত্যাকারীদের ফাঁসির রায় হলো।মানুষের বিজয় উল্লাস দেখলাম।বিচার বিভাগ নিয়ে যারা কদিন আগে ও বাঁকা কথা বলেছে তাদের মুখে আজ অন্য বুলি।যেন একটি রায় তাদের সব অপারগতাকে ক্ষমা করে দিল।রাজনের মা সেজদায় মাথা নত করলো সৃষ্টিকর্তার কাছে।সাথে আমরা করলাম বিজয় উল্লাস।আমি বরাবরের মতোই নীরব,আসলে হয়তো অনুভূতি শূন্য আমি।তাই উল্লাস করতে পারি নি।আর ধন্যবাদ ও দিতে পারিনি বিচার বিভাগকে।
আমরা সবাই যখন বিজয় উল্লাসে মগ্ন।তখন সাগর রুনির সন্তান,বিশ্বিজিৎ এর পরিবার,দীপনের বাবাসহ এরকম হাজারো বিচার না পাওয়া মানুষগুলো খোলা আকাশের দিকে তাঁকিয়ে।সেখানে তারা বিধাতাকে খুঁজে বেরায়।যার কাছে সবাই সমান।যার বিচার বিভাগ কোন দলে ভাগ করা নেই।সাগরের সন্তান বা দীপনের বাবার মতো আর যারা আছে তাদের হয়তো একটা সান্তনা আছে,তাদের খুনিদের এখন ও হয়তো ভাল করে সনাক্ত করা যায় নি!!বিশ্বজিতের পরিবার,তারা কি বলবে?তারা কেন বিচার পায়নি।আচ্ছা,বিশ্বিজিৎ খুনের কতো বছর হলো আজ?বিচার বিভাগ কি করলো?
বিচার বিভাগ আমাদেরকে মাঝে মাঝে নাটক দেখায়,মোশারফ করিমের হাঁসির নাটক।আর নয়ত বা তারা বুঝাতে চায়,তারা সবসময় নিরপেক্ষ!ছোট বেলা একটা টিভি সিরিজ দেখতাম,নামটা ঠিক মনে নেই।নায়ক ছিলেন একজন বিচারক।তার আদালতে আসা অপরাধীরা যখন খালাস পেয়ে যায় আইনের ফাঁক দিয়ে,তখন তিনি রুপ পাল্টে সেই অপরাধীর পিছু নেন।তারপর অনেক ঘটনার পর তাকে আবার প্রমানসহ আদালতে হাজির করেন।বিচার করা হতো প্রমানসহ।সবশেষে একটা কথাই বলতেন,আইন অন্ধ কিন্তু অন্ধকারে ও দেখতে পায়।আমাদের দেশের বিচার বিভাগ বা আইন,সে তো দিনের বেলাই দেখতে পায় না!
আর তাই আমি উল্লাস করতে পারি না,ধন্যবাদও দিতে পারি না।জানি আমার মতো পাগলের ধন্যবাদের জন্য ও তাদের নাটক থেমে থাকবে না।এমনি করে হাজার হাজার হত্যার পর তারা আমাদের একটি বিজয় উল্লাসের দিন উপহার দিবেন।প্রমান থাকার পরও যাদের বিচার করার সাহস দেখাতে পারেনি আমাদের দন্তহীন বিচার বিভাগ,আমিও আজ সেইসব পরিবারের সাথে নীরবে তাঁকিয়ে থাকি বিধাতার দিকে।আর প্রত্যাশা করি হয়তো তার বিচারে সেইসব পরিবার নিরাশ হবে না।আমাদের দন্তহীন বিচার বিভাগ একদিন দন্ত খুঁজে পাবে।

সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:০২
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ফ্যাসিবাদ মোকাবেলায় এআই প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সরকার

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫৬


ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করা গেছে, কিন্তু পুরোপুরি নির্মূল করা যায়নি। অন্তত প্রযুক্তির দিকে তাকালে এমনটাই মনে হচ্ছে। যে আওয়ামী লীগ এতদিন মানুষের ভোট, মতামত, রাজপথ, রাষ্ট্রযন্ত্র সবকিছুর ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে ইসলামপন্থা বনাম গণতন্ত্র: মানুষ যখন নাগরিক থেকে অনুসারী হয়ে উঠছে!

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৪৩


কিছুদিন আগেও আমরা বলতাম, "দয়া করে ধর্মকে রাজনীতির সঙ্গে মেশাবেন না"। সরল এই কথাটির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বোধ ছিল - ধর্মীয় বিশ্বাস আর রাজনীতি এক জিনিস নয়। গত দুই... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো প্রয়োজন নেই! আপনি কি মনে করেন?

লিখেছেন কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত), ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৪



বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে শিক্ষাগত যোগ্যতাবিহীন বা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাবঞ্চিত কোনো ব্যক্তির পক্ষে এককভাবে স্থানীয় সরকারকে প্রযুক্তিনির্ভর এবং 'স্মার্ট বাংলাদেশ' বা 'ডিজিটাল বাংলাদেশ'-এর লক্ষ্য অনুযায়ী আধুনিকায়নের দিকে এগিয়ে নেওয়া অত্যন্ত কঠিন ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

"টোকাই থেকে হিরো"

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৬



টোকাই থেকে হিরো! বাংলা ছবির  অশ্লীল যুগে মুক্তি পাওয়া এক ঢাকাইয়া চলচ্চিত্র। ছবিতে প্রেক্ষাপটে অনেকটা এইরকম - বস্তিতে বেড়ে উঠা; মানুষের লাথি- উষ্টা খেয়ে বড় হওয়া এক টোকাই (ছবির... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুখরিত জীবনের চলার পথে, ব্লগের মুখরিত দিন

লিখেছেন মেহবুবা, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:১৪


ব্লগ স্কুল, মজারু
ছোটন চলে স্কুলেতে বই শ্লেট হাতে ,
বদরুল ভাই কাঁদছে ভীষন যাবে সাথে সাথে,
চান্কু হল লক্ষ্মীছাড়া পান্কু হয়ে ঘোরে ,
চিটি যাবে সবার আগে উঠল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×