সৌদিআরবে গনধর্ষনের স্বীকার এক নারী গনমাধ্যম কে ধর্ষণের কথা জানানোর অপরাধে তাকে দুইশত বেত্রাঘাত ও ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে সৌদি আদালত"
(সূত্র:- ৭১ টিভি)
আমি নির্বাক,
আমি স্তব্ধ।
হায়রে বিচার ব্যবস্থা।ধিক্কার জানায় এমন বিচার ব্যবস্থা কে।
হায়রে নারীর অধিকার।
এত নারী দিবস নারী দিবস বলে চিল্লা চিল্লি করে লাভ কি?
নারীর অধিকার সুনিশ্চিত করেন পারলে।
নইত ভারতের দিল্লীর সেই ধর্ষকক আপনার সামনে গলা উঁচিয়ে বলে বেড়াবে " ধর্ষণের সময় মেয়েটির বাধা দেয়া উচিত হয়নি".....
চোরের মায়ের বড় গলা।
আমাদের পুরুষ সমাজ এইসবের দায়ভার এড়াতে পারবেনাহ।
নারীকে কখনো তার প্রাপ্য সম্মান দিতে পারিনি আমরা।
কিন্তু আমাদের মাঝে সে অনুশোচনা নেই।
আমাদের চোখে নারী হচ্ছে অবহেলার বস্তু।
কারো কাছে শুধু মাত্র সন্তান উৎপাদনের যন্ত্র।
কেউবা ভাবে ভোগ পন্য।
আমাদের সামনে নারীকে লাঞ্ছিত করা হয় গায়ে হাত তোলা হয়।
আমরা নির্বাক।
তামাশা দেখি।
আমরা বাসে আরামে বসে থাকি। কিন্তু নিজে দাড়িয়ে সারাদিন খাটুনি করে ক্লান্ত কোন গার্মেন্টস নারীকে বসতে দেয় নাহ।
আমি হিমু একবার এই কাজ টা করছিলাম। পিছন থেকে কে যেন বলে উঠল "এই দেখ,মাইয়ার সামনে হিরো সাজে"
অনেক কিছু বলার থাকলেও সেদিন কিছু বলতে পারিনাই।
আমরা প্রতিদিন পাশের বাসার মহিলা কে স্বামীর হাতে মার খাইতে দেখি। ভাংচুর আর কান্নার শব্দ শুনি।
কিন্তু কখনো তার পাশে গিয়ে বলতে পারিনা "প্লিজ কান্না করবেন না.। আমরা পাশে আছি"
আমরা আসলে পুরুষ না।
আমরা কাপুরুষ।
আর আমরা যখন পুরুষ হতে চাই তখন কিছু কাপুরুষ টেনে হিচড়ে তাদের দলে আমাদের নিয়ে যায়।
পরিশেষে এইটুকুই বলব 'হে নারী সমাজ, আজকে নারী দিবসে শুভেচ্ছা জানানোর অধিকার হিমুর নেই,
সেদিন তোমাদের নারী দিবসের শুভেচ্ছা জানাবো যেদিন তোমাদের প্রাপ্য সম্মান তোমাদের যথাযথ ভাবে দিতে পারব।
আমি দু:খিত,

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


