আমি অনন্তকালের বন্দী কালপুরুষ,
মহাকালের বিষাদ আমার বুকে এক ফালি জ্যোছনা হয়ে স্ফুরিত হয়-
শুক্লা দ্বাদশীর চন্দ্রে।
আমি নিরন্তর ছুটে চলা পথভ্রষ্ট যাযাবর,
এক খন্ড মেঘে আমায় খুজে পাবে,
জেনো,
এই ধরিত্রীর চারণ ভূমিতে ঠাই নেই,
আছে শুষ্ক কংকর মাটির ক্ষতবিক্ষত পদতল,
আছে তোমার পিছু নেওয়া,
আমার পূর্ব পুরুষ
- সুন্দরের পূজারী;
লক্ষ দেবীর মূর্তি নীড়ে, ভেঙে-চুরে তোমারেই গড়েছি।
আমি উত্তরাধিকারসুত্রে কবিতা লিখি,
আমি পৈতৃক সূত্রে তোমায় ভালোবাসি।
তোমার- আমার অস্তিত্বের মাঝে কতটুকু শূন্যতা?
আমি বলি, শূন্য।
জমিন আর আসমানের মাঝে ঠিক যতটুকু তফাত
ঠিক ততটুকু আমার হৃদয়, যেখানে আমার হাহাকার, অপ্রাপ্তি
- ঠিক সেখানে আমার শূন্যতার ক্যানভাসে তুমি।
এই পরিচয়হীন হৃদয়ে তুমি ভীষন অপরিচিতা,
তবুও এই বেনামী কবিতায় তোমার নাম, অজস্র ভাষায়, অজস্র শব্দে আমি বুনেছি, গেথেছি সবিনয়ে, প্রিয়।
আমি জাতিস্মর, হাজার বার জন্মেছি, হাজার ভাষায় বলেছি, হাজার শব্দে সে একটি নাম লিখেছি-
এই একই নিস্তব্ধতায়, একই আকাশ, একই চন্দ্রাহত বিষাদে পুড়িয়েছে।
প্রিয়তম তুমি ভীষণ নিরাকার

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




