somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

(ছবি ব্লগ) জাফর ইকবাল স্যারের জন্মদিনে রাত ১২.০১ মিনিটে স্যারের সাথে কেক কাটলাম B-)B-)B-) (ছবিব্লগ)

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রাত ৮টার দিকে তুষার ভাইয়াকে ফোন দিলাম। বিশেষ কোনো উপলক্ষ না এমনি।
তুষার ভাই, "হৃদয়, জাফর স্যারের জন্মদিন কাল। আমরা কয়েকজন যাবো তার বাসায়। রাত ১২টায় তার সাথে কেক কাটবো। তুমি যাবা?"



বাসায় কেউ নাই। সবাই দেশের বাড়ি গেছে। আমি আর দ্বিতীয় বার ভাবলাম না। বললাম কোথায় আসতে হবে? তুষার ভাই বললো শাহবাগ আসো। ফুল কিনতে হবে। কেকও কেনা লাগবে। তুমি শাহবাগ এসে বুলবুল এর সাথে যোগাযোগ করো।

আর কথা নাই। কোনো রকম ড্রেস টা পাল্টাইয়া দিলাম দৌড়........ তখনো ডিটেইলস জানি না। শুধু জানি যাচ্ছি। শাহবাগ গিয়ে জানলাম যে আমরা ৬-৮জন যাচ্ছি। তবে স্যারের সাথে কন্টাক করা সম্ভব হয়নি। স্যারের স্ত্রী বলেছেন এই অবরোধের মধ্যে এতো রাতে আসার কি দরকার। কিন্তু আমাদের তো আর থামানোর যো নেই। আমরা যাবোই। শুরু হলো কেনাকাটা।


প্রথমেই কেকের দোকানে...



অনেক খুজেও কেক পাচ্ছিলাম না। ডা পাচ্ছিলাম তাও বাজেটের বাইরে। শেষে একটা পেলাম মোটামুটি দামের মধ্যে। টাকায় কি আসেযায়? আমরা কেক নিচ্ছি এটাই বড় :)


কেকের ছবি। :)


ফুল ও কেনা হয়েছিলো। :)


কেক প্যাকেট করা কম্পিট :)


দোকানের সামনে। বাসে যাবো নাকি সি এনজি তে যাবো সিদ্ধান্ত চলছে।


অবশেষে সি এনজির মধ্যে..... এক সিএনজি তে ৬জন। :P:P:P


সি এনজি থামলো স্যারের বাসার সামনে।


কথাবার্তা চলছে। জদি আমরা না যেতে পারি তবে সারা রাত বাসার সামনে থাকবো এমন প্রয়াস। :|:|:|


কিন্তু আমাদের আসার কথা শুনে স্যার তার ছেলে এবং মেয়েকে পাঠালেন আমাদের রিসিভ করার জন্য। তারা আমাদের উপরে নিয়ে গেলো। এর পর ফটো তোলা শুরু......:D:D


সিংগেল ফটো..... প্রথমেই স্যারের সাথে আমি :):):)


স্যারের সাথে এই ভাইয়াটার নাম মনেনাই।


এবার অয়ন


ডাক্তার ইমরান ভাইকে যথেষ্ট ভাগ্যবান বলতে হবে। :)


রাশেদভাই এর সাথে


বুলবুল ভাই


যেখান থেকে ইতিহাস লেখা হয় :)


যেখান থেকে ইতিহাস লেখা হয় :)


কেকের সামনে আমি অয়ন আর তুষার ভাই


কেক কাটার আগ মুহুর্ত।


এবার কেক খাওয়ার পালা স্যার নিজের হাতে আমাদের সবাই কে কেক ভাইয়ে দিয়েছেন। প্রথমেই তুষার ভাই।


এরপর বুলবুল ভাই।


এবার অয়ন।


আমি :)


সহধর্মিনী কে কেক খাইয়ে দিচ্ছেন :)


আমরাই অর্ধেক কেক শেষ করে দিয়েছিলাম :)


ছেলে মেয়ে নিয়ে স্যারের পরিবার।


স্যারের ফ্যামিলির সাথে আমরা সবাই।


স্যার ও তার স্ত্রী এর সাথে আমি। (আমি অবশ্যই ভাগ্যবান) :)


স্যারের স্ত্রী অনেক আদর করলো। ওনার সাতে ভিন্ন একটা ছবি তুলতে ভুল করলাম না।


স্যারের ছেলে ও মেয়ের সাথে। (স্যারের মেয়ে কে দেখে ভাবছিলাম ৮-৯ এ পরে মনহয়। জিজ্ঞেস কারলাম আপু কিসে পরেন। সে বললো আমি পি এইচ ডি বরতেছি। আমি তো টাস্কি!!! এতুটুকুন মাইয়া পি এইচ ডি করে। ছেলের নাকি অলরেডি পিএইচ ডি কম্পিট :) )


বিদায় নেয়ার আগ মুহূর্তে।



বলার অপেক্ষা রাখে না এটা আমার জীবনের অন্যতম একটা স্বরনীয় দিন। স্যারের জন্মদিনে তার বাসায় তার সাথে কেক কাটা যে কোনো মানুষের জন্যই স্বপ্নের ব্যাপার। একটা মজার কাহিনী দিয়ে শেষ করি.....

লামীয়া আপুর সাথে আমার গত রাত ৪টার দিকে স্যারের বাসা থেকে ফেরার পর কথোপকথন (চ্যটিং) ......

লামীয়া আপু:- হৃদয়, তুই মইরা যাহ ভাই।
আমি:- কেনু, কেনু??? আমি কি কইচ্চি?
লামীয়া আপু:- জীবনে যা পাওয়ার তার থেকেও বেশি পেয়ে গেছিস। তোর আর বাচার দরকার নাই
আমি:- কি পাইচি???

লামীয়া আপু:- জাফর ইকবাল স্যারের মতো একজন মানুষের বাসায় গেছোস, তার পাশে দাড়াইয়া ছবি তুলছোস, তার হাতে কেক খাইছোস, তার ছেলে মেয়েদের সাথে কথা বলছোস, তাদের সাথে আড্ডা দিছোস। মোট কথা একটা মানুষের এরথেকে আর বেশি কিছু পাওয়ার দরকার নাই। সো তোর আর বাচারও দরকার নাই। তুই মইরা যাহ

আমি:- আমারে তুমি ইনবক্সে গুল্লি কইরা মাইরালাও :)




আশা করছি সবার ভালো লাগবে। টোটাল ব্লগ টা লিখতে ৩ঘন্টার মতো টাইম লাগছে। কিন্ত তার পরও খারাপ লাগছে কারন আপনাদের সবার সাথে এই আনন্দ ভাগাভাগি করার লোভ টা সামলাতে পারছিলাম না। :) শুভ কামনা সবার জন্য।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:০৪
৩১টি মন্তব্য ২৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে রাসূলের (সা.) বিভিন্ন মতের অনুমোদন সংক্রান্ত হাদিস বাতিল হবে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:৪৭



সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতিটি শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার একটি নির্মম দলিল।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:৫৫

প্রতিটি শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার একটি নির্মম দলিল।
ইউনূস ক্ষমতা দখল ছিল লুটের উদ্দেশ্যে। কেন শিশুদের টিকা দেয়া হয় নাই? তাদের দায়িত্ব ছিল টিকা পৌঁছে দেওয়া, জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গার্মেন্টসের ভিতরে লুকানো বাস্তবতা—যা আমরা কখনো দেখি না

লিখেছেন Sujon Mahmud, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:৫২



সকাল ৬টা। ঘুম ভাঙার আগেই যেন জীবন তাকে টেনে তোলে। রহিমা চোখ খুলেই কিছুক্ষণ ছাদের দিকে তাকিয়ে থাকে। মনে হয়—
আরেকটা দিন, আবার সেই একই লড়াই।

রহিমা একজন গার্মেন্টস কর্মী। বয়স মাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২৫

Photo - আপলোড না হওয়ায় ইমেজ লিংক:

“দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা”

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংকট একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সে সময় রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে গঠিত উপদেষ্টা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইস্টার ফ্রাইডে এবং যিসাসের শেষ যাত্রা: জেরুজালেমের স্মৃতিবিজড়িত পথে

লিখেছেন সৈয়দ নাসের, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৪




দিলু নাসের
আমার এই তিনটি ছবির সঙ্গে পৃথিবীর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বেদনাবিধুর ইস্টার ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। প্রতিটি ছবিই যেন এক একটি অধ্যায়, একটি যাত্রার, যা শুরু হয়েছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×